
বঙ্গের ভোটে ঘর গোছানোর কাজ আগেই শুরু করেছিল আসাদউদ্দিন ওয়াইসির দল ‘অল ইন্ডিয়া মজলিস ই ইত্তেহাদুল মুসলিমিন’ (এআইএমআইএম) বা ‘মিম’। এ বার বাংলার ভোটে ১২ প্রার্থীর নামও ঘোষণা করেছে তারা।
সেইসঙ্গে bangla.aajtak.in-কে দলের সর্বভারতীয় যুব সভাপতি আদিল হাসান বললেন, মালদার ঘটনা রাজ্যের প্রশাসনিক ব্যর্থতার ছবি। সেইসঙ্গে নির্বাচন কমিশনেরও চূড়ান্ত ব্যর্থতার নজির। এখন মোফাক্কেরুলের কাঁধে সব দোষ চাপাচ্ছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মোফাক্কেরুল যদিও মিমের সক্রিয় সদস্য় নন, তবুও রাজি থাকলে আমরা তাঁকে প্রার্থী করতে চাই। সেক্ষেত্রে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধেই মিমের মুখ হিসেবে তাঁকে প্রার্থী করা হবে।'
এবারেও মিমের যুব সভাপতি আদিল হাসানকে বাংলার ভোটের পর্যবেক্ষকের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। যৌথ সাংবাদিক সম্মেলনে হুমায়ুনের ‘বড় ভাই’ আসাদউদ্দিন জানিয়েছিলেন, এই রাজ্যে একজন মুসলিম নেতার প্রয়োজন।
এদিন দলের সর্বভারতীয় নেতৃত্বের তরফে জানানো হয়েছে, মালদার সাম্প্রতিক ঘটনাকে তারা রাজ্যের প্রশাসনিক ব্যর্থতার উদাহরণ হিসেবে দেখছে। একইসঙ্গে নির্বাচন প্রক্রিয়া নিয়েও প্রশ্ন তুলে নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়েও অসন্তোষ প্রকাশ করা হয়েছে।
মিমের যুব নেতৃত্বের গুরুত্বপূর্ণ মুখ আদিল হাসানকে ফের বাংলার নির্বাচনী পর্যবেক্ষকের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে, দলের প্রধান আসাদউদ্দিন ওয়েইসি স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, বাংলায় একজন শক্তিশালী মুসলিম নেতৃত্বের প্রয়োজন রয়েছে বলেই তাঁদের এই রাজনৈতিক উদ্যোগ।
যদিও শাসক শিবির ইতিমধ্যেই এই জোটকে ‘ভোট কাটুয়া’ বা বিরোধী শিবিরের ‘বি টিম’ বলে কটাক্ষ করেছে, তবুও রাজনৈতিক মহলের কৌতূহল অন্য জায়গায়। এই জোট আদৌ কতটা প্রভাব ফেলতে পারবে? তারা কি সত্যিই ‘কিংমেকার’ হয়ে উঠতে পারবে, নাকি নির্বাচনের অঙ্কে সীমিত প্রভাবেই আটকে থাকবে, সেই উত্তর মিলবে ভোটের ফলেই।