
বিধানসভা নির্বাচনের প্রাক্কালে বঙ্গ রাজনীতিতে পারদ ক্রমেই চড়ছে। এরমধ্যেই কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ শনিবার কলকাতায় এক সাংবাদিক বৈঠকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারের বিরুদ্ধে ১৫ বছরের ‘অপশাসন’, ‘দুর্নীতি’ ও ‘তোষণ রাজনীতি’র অভিযোগ তুলে ‘চার্জশিট’ প্রকাশ করলেন। এরমাঝেই প্রধানমন্ত্রীর রাজ্যে আসার খবর পাওয়া যাচ্ছে। জানা যাচ্ছে, ৫ এপ্রিল রাজ্যে আসছেন প্রধানমন্ত্রী। কোচবিহারের রাস মেলার মাঠে জনসভা করবেন মোদী।
ইতিমধ্যেই উত্তরবঙ্গ থেকে প্রচার শুরু করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বাংলায় নির্বাচনী জনসভা উত্তরবঙ্গ থেকে শুরু করবেন মোদীও। ৫ এপ্রিল পশ্চিমবঙ্গের কোচবিহারে বিজেপির বিশাল জনসভায় ভাষণ দিতে পারেন প্রধানমন্ত্রী মোদী। পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের জন্য প্রার্থীদের নাম ঘোষণার পর এটিই প্রথম জনসভা হতে চলেছে মোদীর।
বিজেপি একই দিনে তাদের নির্বাচনী ইশতেহার প্রকাশ করতে পারে বলেও শোনা যাচ্ছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ইশতেহারটি প্রকাশ করবেন। প্রসঙ্গত, গতকাল নিউটাউন থেকে চার্জশিট প্রকাশ করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। শাসকদলের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ তুলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় নামও তাতে রাখা হয়েছে।
ন্য উত্তরবঙ্গকেই বেছে নিছে পদ্ম শিবির।
চার্জশিট প্রকাশ করে শাহের দাবি, তৃণমূলের তোষণ নীতির কারণেই পশ্চিমবঙ্গ আজ অনুপ্রবেশকারীদের প্রধান করিডোরে পরিণত হয়েছে, যা দেশের নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি। তিনি স্পষ্ট জানান, অসমে অনুপ্রবেশ প্রায় বন্ধ হয়ে গেলেও পশ্চিমবঙ্গই এখন অনুপ্রবেশকারীদের ভারতে প্রবেশের একমাত্র পথ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীকে পাশে বসিয়ে শাহ হুঙ্কার দেন, বিজেপি ক্ষমতায় এলে ভোটার তালিকা থেকে প্রত্যেক অনুপ্রবেশকারীর নাম মুছে ফেলা হবে এবং তাঁদের দেশছাড়া করা হবে।