Advertisement

SIR Hearing Voter Case: ট্রাইব্যুনালে বিচারাধীন ভোটাররা কি ভোট দিতে পারবেন? যা বলল সুপ্রিম কোর্ট...

বাংলায় ফাইনাল ভোটার লিস্টে প্রায় ৬০ লক্ষ ভোটার ছিলেন বিচারাধীন বা অ্যাডজুডিকেশন অবস্থায়। তাঁদের নামের নিষ্পত্তি করেছেন বিচার বিভাগীয় অফিসাররা। সেই সব অফিসাররা নাম নিষ্পত্তির সময় অনেকের নাম ডিলিট করেছেন। আর এই সব ডিলিটেড ভোটাররা আবার আবেদন করেছেন ট্রাইব্যুনালে। এই ট্রাইব্যুনালেই তাঁদের নামের নিষ্পত্তি হবে। এখন প্রশ্ন হল, ২০২৬-এর নির্বাচনে এই সব ভোটাররা কি ভোট দিতে পারবেন? আর সেই বিষয়টাই স্পষ্ট করে জানিয়ে দিল সুপ্রিম কোর্ট। 

SIR হিয়ারিংSIR হিয়ারিং
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 14 Apr 2026,
  • अपडेटेड 10:40 AM IST
  • বাংলায় ফাইনাল ভোটার লিস্টে প্রায় ৬০ লক্ষ ভোটার ছিলেন বিচারাধীন বা অ্যাডজুডিকেশন অবস্থায়
  • তাঁদের নামের নিষ্পত্তি করেছেন বিচার বিভাগীয় অফিসাররা
  • ২০২৬-এর ভোটে এই সব ভোটাররা কি ভোট দিতে পারবেন?

বাংলায় ফাইনাল ভোটার লিস্টে প্রায় ৬০ লক্ষ ভোটার ছিলেন বিচারাধীন বা অ্যাডজুডিকেশন অবস্থায়। তাঁদের নামের নিষ্পত্তি করেছেন বিচার বিভাগীয় অফিসাররা। সেই সব অফিসাররা নাম নিষ্পত্তির সময় অনেকের নাম ডিলিট করেছেন। আর এই সব ডিলিটেড ভোটাররা আবার আবেদন করেছেন ট্রাইব্যুনালে। এই ট্রাইব্যুনালেই তাঁদের নামের নিষ্পত্তি হবে। এখন প্রশ্ন হল, ২০২৬-এর নির্বাচনে এই সব ভোটাররা কি ভোট দিতে পারবেন? আর সেই বিষয়টাই স্পষ্ট করে জানিয়ে দিল সুপ্রিম কোর্ট।

দেশের সর্বোচ্চ আদালত জানিয়ে দিয়েছে, এই সব বিচারাধীন ভোটারদের এখন ভোট দিতে দেওয়া যাবে না। তাঁদের 'ভোট দেওয়ার প্রশ্নই নেই'। 

আসলে সোমবার রাজ্যের পক্ষ থেকে এই ট্রাইব্যুনালে আবেদনকারী মানুষদের ভোট দেওয়ার অধিকারের সপক্ষে সওয়াল করা হয়। তাঁরা যাতে ভোট দিতে পারে, সেই আবেদন করা হয়। যদিও সেই দাবি উড়িয়ে দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। তাঁরা স্পষ্টতই জানিয়ে দিয়েছে, SIR-এ বিচারাধীনরা এবার ভোট দিতে পারবে না। 

সোমবার প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত এবং বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীর বেঞ্চে ছিল এই মামলার শুনানি। সেখানেই কোর্টের তরফে এই দাবি করা হয়। 

পাশাপাশি রাজ্যের পক্ষ থেকে আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় আবেদন করেন, ২৩ এপ্রিলের আগে যত সংখ্যক কেসের শুনানি শেষ করা হোক। তবে সেই দাবিও মানতে চায়নি কোর্ট। প্রধান বিচারপতি স্পষ্ট করে জানান, ট্রাইব্যুনালের উপর চাপ দেওয়া সম্ভব নয়। তাঁরা এমনিতেই অনেক চাপে কাজ করছে। তাই আর বাড়তি চাপ দেওয়া হবে না।

কারা ভোট দিতে পারবেন? 
এই বিষয়টাও স্পষ্ট করেছে বিচারপতি বাগচী। তিনি জানিয়ে দেন, ৩৪ লক্ষ আবেদন জমা পড়েছে। এক্ষেত্রে ৬ এপ্রিল, ৭ এপ্রিল এবং ৮ এপ্রিল, যাঁদের নামের তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে, তাঁরা ভোট দিতে পারবেন। বাদবাকি কেউ পারবেন না। 

ট্রাইব্যুনালে নাম বাদ গেলে কী করবেন? 
এই বিষয়টা সম্পর্কে ইতিমধ্যেই জানিয়ে দিয়েছে কমিশন। তাঁদের দাবি, ট্রাইব্যুনালে নাম বাদ গেলে আদালতে আবেদন করা যেতে পারে। সেখানে যা সিদ্ধান্ত দেওয়া হবে, সেটা মেনে চলতে হবে। 

Advertisement


 

Read more!
Advertisement
Advertisement