Advertisement

Yuba Shakti Bharosa Card: ‘যুবসাথী’র পাল্টা ‘যুবশক্তি’, BJP কত দেবে? ভাতার লড়াইয়ে যা চলছে

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৈরি করা কল্যাণমূলক প্রকল্পকেই হাতিয়ার করে এবার তাঁকেই টেক্কা দেওয়ার কৌশল নিয়েছে বিজেপি। পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচনী ইশতেহারে সরাসরি ঘোষণা করে ‘ভাতা-যুদ্ধ’-এ নেমে পড়েছে তারা। রাজ্য সরকারের চালু করা বিভিন্ন ভাতা প্রকল্পের তুলনায় বেশি আর্থিক সহায়তার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে বিজেপি।

বিজেপির যুবশক্তি কার্ড প্রকাশ।-ফাইল ছবিবিজেপির যুবশক্তি কার্ড প্রকাশ।-ফাইল ছবি
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 16 Apr 2026,
  • अपडेटेड 3:33 PM IST
  • মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৈরি করা কল্যাণমূলক প্রকল্পকেই হাতিয়ার করে এবার তাঁকেই টেক্কা দেওয়ার কৌশল নিয়েছে বিজেপি।
  • পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচনী ইশতেহারে সরাসরি ঘোষণা করে ‘ভাতা-যুদ্ধ’-এ নেমে পড়েছে তারা।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৈরি করা কল্যাণমূলক প্রকল্পকেই হাতিয়ার করে এবার তাঁকেই টেক্কা দেওয়ার কৌশল নিয়েছে বিজেপি। পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচনী ইশতেহারে সরাসরি ঘোষণা করে ‘ভাতা-যুদ্ধ’-এ নেমে পড়েছে তারা। রাজ্য সরকারের চালু করা বিভিন্ন ভাতা প্রকল্পের তুলনায় বেশি আর্থিক সহায়তার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে বিজেপি।

গত দেড় দশকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় একাধিক জনকল্যাণমূলক প্রকল্প চালু করেছেন। ‘লক্ষ্মীর ভান্ডার’ প্রকল্পের মাধ্যমে প্রথমে মহিলাদের মাসিক ৫০০ টাকা করে দেওয়া শুরু হলেও পরে তা বাড়িয়ে ১০০০ টাকা করা হয়। বর্তমানে ভোটের মুখে সেই ভাতা আরও বাড়িয়ে ১৫০০ করা হয়েছে। পাশাপাশি, ‘যুবসাথী’ প্রকল্পের মাধ্যমে বেকার যুবক-যুবতীদের জন্যও মাসিক ১৫০০ টাকার ভাতা ঘোষণা করা হয়েছে। রাজনৈতিক মহলের একাংশ এই সিদ্ধান্তগুলিকে মমতার বড় ‘মাস্টারস্ট্রোক’ হিসেবেই দেখছে।

এর পাল্টা জবাব দিতে বৃহস্পতিবার বিজেপি ঘোষণা করেছে, যতদিন না চাকরিহারারা তাঁদের ন্যায্য কর্মসংস্থান ফিরে পাচ্ছেন, ততদিন প্রতি মাসে তাঁদের অ্যাকাউন্টে ৩০০০ টাকা করে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হবে। ‘যুবশক্তি ভরসা কার্ড’ প্রকাশ অনুষ্ঠানে এই ঘোষণা করে বিজেপি, যা সরাসরি ভাতা রাজনীতিতে নতুন মাত্রা যোগ করেছে। 

কার্ড প্রকাশ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন টেনিস তারকা লিয়েন্ডার পেজ। তিনি বলেন, একটি উন্নত শহর বা রাজ্যকে এমন হতে হবে যা মানুষের কাছে আকর্ষণীয় হয়ে ওঠে, ঠিক চুম্বকের মতো। কিন্তু তাঁর মতে, সেই জায়গা থেকে ক্রমশ পিছিয়ে পড়ছে বাংলা। শিল্পের অভাব এবং কর্মসংস্থানের সংকটের কারণে যুবসমাজ রাজ্য ছেড়ে অন্যত্র চলে যেতে বাধ্য হচ্ছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। এই প্রসঙ্গে তিনি জানান, বিষয়টি নিয়ে তিনি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গেও আলোচনা করেছেন।

অন্যদিকে, আন্তর্জাতিক বক্সার বীজেন্দ্র সিং তাঁর বক্তব্যে রাজনৈতিক বার্তাকে আরও তীব্র করেন। তিনি বলেন, 'বঙ্গবাসী যেমন বাসি মাছ পছন্দ করেন না, তেমনই বাসি সরকারও পছন্দ করেন না।' তাঁর দাবি, পরিবর্তনের সময় এসে গিয়েছে, এবার যুবশক্তি ও নারীশক্তির উচিত বিজেপিকে সমর্থন করে সরকার বদল করা।

Advertisement

 

Read more!
Advertisement
Advertisement