Advertisement

Bangladesh Pahela Baishakh Celebration: পয়লা বৈশাখ কেমন হচ্ছে বাংলাদেশে? নির্ভয়ে গান গাওয়ার নিশ্চয়তা চাইল ছায়ানট

উৎসবের রং আর নিরাপত্তার সমন্বয়ে ঢাকায় সফলভাবে সম্পন্ন হল এবারের বৈশাখী শোভাযাত্রা। কঠোর নজরদারি ও নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াই শেষ হয়েছে এই আয়োজন। মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) বাংলাদেশি সময়ে সকাল ৯টা ৫ মিনিটে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় চারুকলা অনুষদ থেকে শুরু হওয়া শোভাযাত্রা প্রায় এক ঘণ্টা ধরে রাজধানী ঢাকার গুরুত্বপূর্ণ রাস্তাগুলো প্রদক্ষিণ করে সকাল ১০টা ৫ মিনিটে একই স্থানে এসে শেষ হয়।

বাংলাদেশে বৈশাখী শোভাযাত্রায় গণতন্ত্রের বার্তাবাংলাদেশে বৈশাখী শোভাযাত্রায় গণতন্ত্রের বার্তা
Aajtak Bangla
  • ঢাকা,
  • 14 Apr 2026,
  • अपडेटेड 11:57 AM IST

উৎসবের রং আর নিরাপত্তার সমন্বয়ে ঢাকায়  সফলভাবে সম্পন্ন হল এবারের বৈশাখী শোভাযাত্রা। কঠোর নজরদারি ও নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াই শেষ হয়েছে এই আয়োজন। মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) বাংলাদেশি সময়ে সকাল ৯টা ৫ মিনিটে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় চারুকলা অনুষদ থেকে শুরু হওয়া শোভাযাত্রা প্রায় এক ঘণ্টা ধরে রাজধানী ঢাকার গুরুত্বপূর্ণ রাস্তাগুলো প্রদক্ষিণ করে সকাল ১০টা ৫ মিনিটে একই স্থানে এসে শেষ হয়। এবারের প্রতিপাদ্য ছিল- ‘নববর্ষের ঐকতান, গণতন্ত্রের পুনরুত্থান’, যা শোভাযাত্রার প্রতিটি অংশে প্রতিফলিত হয়েছে।

প্রসঙ্গত, ‘আনন্দ শোভাযাত্রা’, ‘মঙ্গল শোভাযাত্রা’ নয়, এবার থেকে বাংলাদেশে বাংলা নববর্ষের শোভাযাত্রার নাম হয়েছে ‘বৈশাখী শোভাযাত্রা’। রবিবার এই সিদ্ধান্তের কথা জানিয়ে দিয়েছিলে সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী। সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রী বলেছিলেন, ‘নাম (শোভাযাত্রার নাম) নিয়ে একটা বিতর্ক, এই বিতর্ক আমরা অবসান করতে চাই। অবসান করে আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি মিটিংয়ে। এটা নিয়ে আগেও বড় মিটিং করেছি, এবার থেকে আমাদের সরকারি সিদ্ধান্ত আছে—আমরা এটাকে আনন্দ শোভাযাত্রাও বলব না, মঙ্গল শোভাযাত্রাও বলব না।’

এবারের শোভাযাত্রায় কয়েক স্তরের নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছিল। শোভাযাত্রার শুরুর দিকে ছিল অশ্বারোহী। তারপর পর্যায়ক্রমে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, বাংলাদেশের পতাকা হাতে শিক্ষার্থী, রোভার স্কাউট, প্রক্টরিয়াল টিম, সবশেষে শোভাযাত্রার প্রধান ব্যানার। এবারের শোভাযাত্রায় মোট পাঁচটি প্রধান প্রতীক বা মোটিফ রাখা হয়। এগুলো হলো মোরগ, হাতি, পায়রা, দোতারা ও ঘোড়া। মোটিফগুলো আলাদা আলাদা বার্তা বহন করে। শোভাযাত্রায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা–কর্মচারী ছাড়াও সর্বস্তরের মানুষ অংশগ্রহণ করেন।

এদিনে বর্ষবরণে মেতেছিল ছায়ানটও।  সেইসঙ্গে সমাজের ক্রমবর্ধমান অসহিষ্ণুতা আর মত প্রকাশের ক্ষেত্রে দলবদ্ধ নিগ্রহের শঙ্কাকে পেছনে ফেলে নির্ভয়ে গান গাওয়ার নিশ্চয়তা চেয়েছে ছায়ানট। পয়লা বৈশাখের (১৪ এপ্রিল) ভোরে রমনার বটমূলে নতুন বছরকে স্বাগত জানাতে গিয়ে ছায়ানট সভাপতি ড. সারওয়ার আলী সংস্কৃতির পথকে কণ্টকমুক্ত রাখা এবং শঙ্কামুক্ত পরিবেশে বাঙালির জাতিসত্তা বিকাশের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। অশুভ শক্তির অন্ধকার ঠেলে সুরের শক্তিতে বাঙালির ঐতিহ্যকে উন্নত রাখাই ছিল এবারের বর্ষবরণ অনুষ্ঠানের মূল সুর।

Advertisement

Read more!
Advertisement
Advertisement