Advertisement

Bangladesh on Pushback: অনুপ্রবেশকারীদের নিতে চাইছে না বাংলাদেশই, উল্টে ভারতকে দোষারোপ

গত ২৪ ঘণ্টায় ভারত বারবার জোর করে অবৈধ অনুপ্রবেশকারী বাংলাদেশে প্রবেশ করানোর চেষ্টা করেছে। পুশব্যাকে ভারতকে অভিযুক্ত করেছে বাংলাদেশ। অনুপ্রবেশকারী ইস্যুতে আবারও গুরুতর কূটনৈতিক ও সামরিক অচলাবস্থা সৃষ্টি হয়েছে বলে অভিযোগ।

ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 05 Jun 2026,
  • अपडेटेड 4:58 PM IST

ভারত থেকে অবৈধ অনুপ্রবেশকারী পুশব্যাকে সমস্যায় বাংলাদেশ। সে দেশের সরকারের দাবি, গত ২৪ ঘণ্টায় ভারত বারবার জোর করে অবৈধ অনুপ্রবেশকারী বাংলাদেশে প্রবেশ করানোর চেষ্টা করেছে। পুশব্যাকে ভারতকে অভিযুক্ত করেছে বাংলাদেশ।

অনুপ্রবেশকারী ইস্যুতে আবারও গুরুতর কূটনৈতিক ও সামরিক অচলাবস্থা সৃষ্টি হয়েছে বলে অভিযোগ। বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) দাবি করেছে, সীমান্তের বিভিন্ন অংশ থেকে ভারতীয়ের অবৈধভাবে সীমান্ত অতিক্রমের অন্তত ১০টি ঘটনা তারা আটকেছে।

বাংলাদেশের অভিযোগ সম্প্রতি কয়েক মাসে দুই প্রতিবেশীর মধ্যে সম্পর্ক উন্নয়নের কূটনৈতিক প্রচেষ্টাকে ব্যাহত করেছে। উল্লেখ্য, ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে ৪,০০০ কিলোমিটারেরও বেশি দীর্ঘ একটি আন্তর্জাতিক স্থল সীমান্ত রয়েছে, যা বিশ্বের অন্যতম দীর্ঘতম।

নদী, পাহাড় ও ঘন জঙ্গলসহ এর অত্যন্ত জটিল ভৌগোলিক ভূখণ্ডের কারণে, এই সমগ্র সীমান্তে কাঁটাতার দেওয়া বা সর্বক্ষণ নজরদারি রাখা উভয় দেশের নিরাপত্তা বাহিনীর জন্য বরাবরই একটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

বাংলাদেশি সীমান্তরক্ষীদের এই অভিযোগের বিষয়ে নয়াদিল্লিতে ভারতীয় পক্ষের পক্ষ থেকে কোনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি। ভারতের সীমান্ত নিরাপত্তা বাহিনী (BSF) এবং বিদেশ মন্ত্রক এই বিষয়ে করা প্রশ্ন এবং মন্তব্যের অনুরোধে তাৎক্ষণিকভাবে কোনও সাড়া দেয়নি।

তবে, ভারতের সীমান্তবর্তী রাজ্য ত্রিপুরা, পশ্চিমবঙ্গ ও অসমের শাসক দল বিজেপি দীর্ঘদিন ধরেই অবৈধ অনুপ্রবেশকারীর সমস্যা মোকাবিলাকে অগ্রাধিকার দিয়েছে।

অনুপ্রবেশ বিতর্ক এবং বাংলাদেশের কঠোর সামরিক হুঁশিয়ারি
জোর করে এই অনুপ্রবেশের বিষয়ে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) হুঁশিয়ারি দিয়েছে, কোনও অবস্থাতেই কোনও ব্যক্তি বা গোষ্ঠীকে অবৈধভাবে আন্তর্জাতিক সীমান্ত অতিক্রম করে বাংলাদেশের ভূখণ্ডে প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না। প্রোটোকল এবং দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক চুক্তি লঙ্ঘনের যেকোনও প্রচেষ্টার কঠোর ও দৃঢ়ভাবে বিরোধিতা করা হবে।

এই কূটনৈতিক টানাপোড়েনের মধ্যে ভারতের বিদেশ মন্ত্রক আগে স্পষ্ট করেছিল, ভারত সরকার বাংলাদেশকে ভারতে অবৈধভাবে বসবাসকারী ২,৮৬০ জনেরও বেশি সন্দেহভাজন বাংলাদেশী নাগরিকের জাতীয়তা যাচাই করার জন্য অনুরোধ করেছে। তবে, আনুষ্ঠানিক পদ্ধতির পরিবর্তে মুখের কথায় সীমান্ত সংঘর্ষটি বাস্তব পরিস্থিতি আরও জটিল করে তুলেছে।

Advertisement

অনানুষ্ঠানিক পদ্ধতিতে পুশব্যাকের দাবি করছে ঢাকা
অনুপ্রবেশকারীদের শনাক্তকরণ ও নির্বাসনের জন্য একটি সুপ্রতিষ্ঠিত আইনি ও কূটনৈতিক কাঠামো রয়েছে। ঢাকা জানিয়েছে, ভারতে অবৈধভাবে বসবাসকারী কোনও বাংলাদেশি নাগরিক যদি প্রকৃতপক্ষে বাংলাদেশি নাগরিক হন, তবে তাকে শুধুমাত্র প্রতিষ্ঠিত আন্তর্জাতিক নিয়ম এবং আনুষ্ঠানিক কূটনৈতিক চ্যানেলের মাধ্যমেই নির্বাসিত করা উচিত।

এই ক্রমবর্ধমান উত্তেজনা প্রশমন করতে এবং দুই দেশের মধ্যে এই তিক্ত অচলাবস্থা নিরসনে এখন সামরিক ও কূটনৈতিক আলোচনার প্রস্তুতি চলছে। নয়াদিল্লিতে দুই দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর বৈঠক চলছে। ৮ থেকে ১১ জুন পর্যন্ত এই উচ্চ-পর্যায়ের বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। যেখানে ভারতের বিএসএফ ও বাংলাদেশের বিজিবির শীর্ষ কমান্ডাররা মুখোমুখি বসে সীমান্ত ব্যবস্থাপনা, অনুপ্রবেশ এবং কথিত ‘পুশ-ইন’ (জোরপূর্বক প্রবেশ) বিষয়ে তাঁদের প্রতিবেদন পেশ করবেন।
 

Read more!
Advertisement
Advertisement