
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হয়ে প্রথম বিদেশ সফর হিসেবেই চিনকেই বেছেছিলেন তারেক রহমান। এ বার চিনের থেকে J-10CE যুদ্ধবিমান কেনার চুক্তির প্রায় সেরে ফেলার কাছাকাছি ঢাকা। J-10CE যুদ্ধবিমান ছাড়াও অত্যাধুনিক হেলিকপ্টারও কিনতে চলেছে বাংলাদেশ। ইতিমধ্যেই বাংলাদেশ সরকারের প্যানেল খসড়া চুক্তি তৈরি করে ফেলেছে।
চিনের থেকে যুদ্ধবিমান কেনার চুক্তি ফাইনালের পথে
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার বিষয়ক উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান জানিয়েছেন, চুক্তি সম্পন্ন করার অনেকটাই কাছাকাছি ঢাকা। বাংলাদেশের কয়েকটি সংবাদমাধ্যেমের বক্তব্য, বাংলাদেশ তাদের বায়ুসেনাকে ঢেলে সাজাচ্ছে। তার জন্য চিনের থেকে ২৪টি J-10CE যুদ্ধবিমান কিনতে পারে বিএনপি সরকার। বেজিংয়ের সঙ্গে ঢাকার যে প্রতিরক্ষা সংক্রান্ত আলোচনা হয়েছে, তার মধ্যে সবচেয়ে বড় ডিল হতে চলেছে ঢাকার এই J-10CE যুদ্ধবিমান কেনা। বাংলাদেশ যে সব দেশের থেকে অস্ত্র বা যুদ্ধের সরঞ্জাম কেনে, তার মধ্যে এক নম্বরে রয়েছে চিন।
J-10CE যুদ্ধবিমান রয়েছে পাকিস্তানের কাছেও
বস্তুত, J-10CE হল সেই যুদ্ধবিমান, যা ২০২৫ সালে ভারতের অপারেশন সিঁদুরে তছনছ হয়ে যাওয়া পাকিস্তান ব্যবহার করছিল। সেই সময় চিন পাকিস্তানকে অস্ত্র দিয়ে সাহায্য করেছিল বলেও জানা যায়। পাকিস্তানের J-10CE যুদ্ধবিমানকেই ভারত নামিয়ে দিয়েছিল। এমনকী ওই সংঘর্ষের সময় ভারতের এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম S-400--এর কাছেও বারবার মুখ পুড়েছে চিনের থেকে কেনা পাকিস্তানের এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম HQ-9 এর।
J-10CE যুদ্ধবিমানের দাম প্রায় ৪ কোটি মার্কিন ডলার
বাংলাদেশ ও চিনের ঘনিষ্ঠতারই একটি অংশ হল J-10CE যুদ্ধবিমান চুক্তি। প্রতিটি J-10CE যুদ্ধবিমানের দাম প্রায় ৪ কোটি মার্কিন ডলার। চুক্তি নিয়ে আলোচনা দ্রুত এগিয়ে নিতে গত জুন মাসে চিনের একটি প্রতিনিধি দল ঢাকা সফর করেছিল। চুক্তির গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলি চূড়ান্ত করতে বাংলাদেশের আধিকারিকরা চিনের বিদেশমন্ত্রী ও প্রতিরক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে আলাদা বৈঠক করেছেন।