Advertisement

Bangladesh: 'কাঁটাতারে ভয় নেই', BSF-কে জমি দেওয়ার ঘোষণার পরই শুভেন্দুকে হুঁশিয়ারি বাংলাদেশের

মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু আধিকারীর ঘোষণা করেছিলেন কাঁটাতারের জন্য জমি দেওয়ার। ৪৫ দিনের মধ্যেই জমি হস্তান্তর করা হবে জানিয়েছিলেন। সীমান্তে কাঁটাতার দেওয়ার প্রসঙ্গে কী বলছে পড়শি দেশ? বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর বৈদেশিক বিষয়ক উপদেষ্টা এম হুমায়ুন কবীর দাবি করেন, 'কাঁটাতারে ভয় নেই।'

শুভেন্দু অধিকারী-বিএসএফশুভেন্দু অধিকারী-বিএসএফ
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 12 May 2026,
  • अपडेटेड 5:03 PM IST

মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু আধিকারীর ঘোষণা করেছিলেন কাঁটাতারের জন্য জমি দেওয়ার। ৪৫ দিনের মধ্যেই জমি হস্তান্তর করা হবে জানিয়েছিলেন। সীমান্তে কাঁটাতার দেওয়ার প্রসঙ্গে কী বলছে পড়শি দেশ? বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর বৈদেশিক বিষয়ক উপদেষ্টা এম হুমায়ুন কবীর দাবি করেন, 'কাঁটাতারে ভয় নেই।'

সীমান্ত সুরক্ষায় ‘আরও মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি’ গ্রহণের জন্য বাংলাদেশ ভারতকে আহ্বান জানিয়েছে। সোমবার হুমায়ুন বলেছেন, বাংলাদেশ 'কাঁটাতারকে ভয় নেই'। তবে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে হত্যাকাণ্ড চলতে থাকলে ঢাকা চুপ থাকবে না। 

ঢাকা জানিয়েছে, পশ্চিমবঙ্গ সরকার ‘নির্বাচনী বাগাড়ম্বর’কে নীতিতে পরিণত করে কি না, তা তারা দেখবে। ম্পর্ক মূলত ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের সঙ্গে, রাজ্য রাজনীতির সঙ্গে নয়। সীমান্তে হত্যা নিয়ে ঢাকার হুঁশিয়ারি, ‘তারা চুপ থাকবে না।’

বিদেশ মন্ত্রক সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় হুমায়ুন কবীর বলেন, জাতীয় স্বার্থ রক্ষার জন্য বাংলাদেশ প্রয়োজনে সোচ্চার হবে। তিনি আরও বলেন, "যেখানে কথা বলার প্রয়োজন, আমরা কথা বলব।”

দুই প্রতিবেশীর মধ্যে জনগণের সম্পর্ক জোরদার করতে চাইলে সীমান্ত নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিষয় মোকাবিলায় ভারতকে “আরও মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি” গ্রহণের আহ্বান জানান হুমায়ুন।

ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে কাঁটাতার দেওয়ার জন্য বিএসএফকে জমি হস্তান্তরের প্রক্রিয়া শুরু করেছে বলে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর ঘোষণার পর তিনি এই মন্তব্য করেন।

এই ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় হুমায়ুন বলেন, নতুন পশ্চিমবঙ্গ সরকার তার “নির্বাচনী বাগাড়ম্বর”কে প্রকৃত রাষ্ট্রীয় নীতিতে পরিণত করে কি না, তা বাংলাদেশ পর্যবেক্ষণ করবে।

 তিনি আরও বলেন, “আমরা তাদের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে জড়াতে চাই না। আমাদের সম্পর্ক মূলত কন্দ্রীয় সরকারের সঙ্গে।"

একই সঙ্গে, তিনি আঞ্চলিক শান্তি, স্থিতিশীলতা ও সংলাপের গুরুত্বের ওপর জোর দিয়ে বলেন, বিদ্যমান প্রতিকূলতা সত্ত্বেও বাংলাদেশ প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে গঠনমূলক সম্পর্ক বজায় রাখতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

তিনি আরও বলেন, উভয় দেশের নেতৃত্ব দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক উন্নয়নে অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, ধারাবাহিক সংলাপের মাধ্যমে অমীমাংসিত বিষয়গুলোর সমাধান হবে।

Advertisement

Read more!
Advertisement
Advertisement