Advertisement

Bangldesh Media on Sheikh Hasina Speech: হাসিনার দিল্লির ইভেন্টকে কীভাবে কভার করল বাংলাদেশের সংবাদমাধ্যমগুলি, বিস্তারিত রইল

এখন প্রশ্ন হল, ৫ অগাস্ট হাসিনার জনসমক্ষে আসা ও সাংবাদিক বৈঠককে বাংলাদেশের সংবাদমাধ্যমগুলি কীভাবে দেখছে? হাসিনার বক্তব্য সম্প্রচারে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল বিএনপি সরকার। আজ অর্থাত্‍ বৃহস্পতিবার বেশিরভাগ বাংলাদেশি সংবাদমাধ্যমেই মোটামুটি বিএনপি সরকারের ক্ষোভকেই প্রাধান্য দেওয়া হল। 

দিল্লিতে শেখ হাসিনার বক্তব্যকে কীভাবে কভার করল বাংলাদেশের সংবাদমাধ্যমগুলিদিল্লিতে শেখ হাসিনার বক্তব্যকে কীভাবে কভার করল বাংলাদেশের সংবাদমাধ্যমগুলি
Aajtak Bangla
  • কলকাতা ,
  • 06 Aug 2026,
  • अपडेटेड 9:39 AM IST
  • 'বাংলাদেশ প্রতিদিন' কী বলল?
  • 'প্রথম আলো' হাসিনার অনুষ্ঠান কভারই করল না, ভয়ে এড়িয়ে গেল
  • 'দৈনিক ইত্তেফাক' কী ভাবে কভার করল?

বেশ কয়েকদিন ধরেই ঢাকা নানা আপত্তি জানাচ্ছিল। কিন্তু ভারত তাতে কান দেয়নি। কেন্দ্রের বিদেশমন্ত্রক স্পষ্ট জানিয়ে দেয়, বেসরকারি সংস্থার উদ্যোগে অনুষ্ঠানে সরকার কোনও ভাবেই জড়িত নয়। বিষয়টি একেবারেই সরকারি নয়। বুধবার দিল্লিতে শেখ হাসিনার সাংবাদিকদের মুখোমুখি হওয়া ও বক্তব্য পেশ করার পরেই বাংলাদেশে দু'ধরনের পরিস্থিতি। একদিকে যেমন আওয়ামী লিগ সমর্থকরা নতুন করে ঘুরে দাঁড়ানোর স্বপ্ন দেখা শুরু করল, তেমনই হাসিনা বিরোধী বা আওয়ামী লিগ বিরোধীরা ফের তাণ্ডব শুরু করে দিল। যার নির্যাস, বাংলাদেশের তারকা ক্রিকেটার শাকিব আল হাসানের বাড়িতে বোমাবাজি, হামলা ঘটল রাতেই। যেহেতু হাসিনার ভার্চুয়াল সাংবাদিক সম্মেলনে যোগ দিয়েছিলেন শাকিবও।

এখন প্রশ্ন হল, ৫ অগাস্ট হাসিনার জনসমক্ষে আসা ও সাংবাদিক বৈঠককে বাংলাদেশের সংবাদমাধ্যমগুলি কীভাবে দেখছে? হাসিনার বক্তব্য সম্প্রচারে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল বিএনপি সরকার। আজ অর্থাত্‍ বৃহস্পতিবার বেশিরভাগ বাংলাদেশি সংবাদমাধ্যমেই মোটামুটি বিএনপি সরকারের ক্ষোভকেই প্রাধান্য দেওয়া হল। 

'বাংলাদেশ প্রতিদিন' কী বলল?

'বাংলাদেশ প্রতিদিন' সংবাদপত্রে হাসিনার ইভেন্টকে নেতিবাচক ভাবেই কভার করা হয়েছে। তারা মূলত বাংলাদেশ সরকারের ক্ষোভকে তুলে ধরেছে।  'বাংলাদেশ প্রতিদিন'-এর প্রথমপাতার হেডলাইন হল, 'দিল্লির অনুষ্ঠানে দণ্ডিত হাসিনাকে বক্তব্যে অনুমতি দেওয়ায় ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া।' 

'প্রথম আলো' হাসিনার অনুষ্ঠান কভারই করল না, ভয়ে এড়িয়ে গেল

বাংলাদেশের অন্যতম জনপ্রিয় সংবাদপত্র 'প্রথম আলো' শেখ হাসিনার ভাষণ কভারই করেনি। বরং তারা প্রকাশ করেছে তারকা ক্রিকেটার শাকিব আল হাসানের বাড়িতে হামলার খবর। দিল্লিতে শেখ হাসিনার প্রেস কনফারেন্স ইভেন্টে যে বাংলাদেশের কিছু মানুষ ক্ষুব্ধ, শাকিবের বাড়িতে হামলার খবর প্রকাশ করে সেটাই বোঝাতে চেয়েছে 'প্রথম আলো'। হাসিনার ভাষণ নিয়ে একটিও খবর চোখে পড়ল না 'প্রথম আলো'-তে।

'দৈনিক ইত্তেফাক' কী ভাবে কভার করল?

'দৈনিক ইত্তেফাক' সংবাদপত্র ৫ অগাস্ট হাসিনার বক্তব্যের বিরুদ্ধে বাংলাদেশে কী কী ঘটল, সেই খবরেই মূলত ফোকাস করা হয়েছে। যেমন, বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদের মন্তব্য লিড করা হয়েছে। তিনি বলেছেন, 'আওয়ামী লিগের ভাগ্য নির্ধারণ করবে আদালত।' আবার আওয়ামী লিগ সরকারের প্রাক্তন স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী তানজিম আহমেদ সোহেল তাজ হাসিনাকে টার্গেট করে বলেছেন, 'নিজের কর্মকাণ্ডের দায় স্বীকার না করে দলকে বিভ্রান্ত করা হচ্ছে এবং দেশে ফেরার অবাস্তব স্বপ্ন দেখানো হচ্ছে।'

Advertisement

'কালের কণ্ঠ' BNP সরকারকে তোয়াজ করে খবর করল

সংবাদমাধ্যম 'কালের কণ্ঠ' শেখ হাসিনার সাংবাদিক সম্মেলনে ঢাকা কতটা ক্ষুব্ধ, সেটাই তুলে ধরেছে। দিল্লির অনুষ্ঠানে প্রেক্ষিতে তারা বাংলাদেশের বিদেশমন্ত্রকের ক্ষুব্ধ বিবৃতিকেই খবর হিসেবে প্রকাষশ করেছে। শেখ হাসিনা কী বলেছেন, সেই খবর এড়িয়ে গিয়েছে। 

'যুগান্তর'-ও একই পথে হাঁটল

সংবাদমাধ্যম 'যুগান্তর' হাসিনার ভাষণের ইভেন্টকে নেতিবাচক ভাবে কভার করার জন্য 'দৈনিক ইত্তেফাক'-এর মতোই প্রাক্তন স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী তানজিম আহমেদ সোহেল তাজের কটাক্ষকে প্রথমপাতার খবর করেছে। 

'ঢাকা ট্রিবিউন' এড়িয়ে গেল

বাংলাদেশের ইংরেজি সংবাদমাধ্যম 'ঢাকা ট্রিবিউন'ও সুচারু ভাবে এড়িয়ে গিয়েছে হাসিনার বক্তব্যের খবরকে। বরং তারাও বিএনপি সরকারের ক্ষোভকেই পেজ ওয়ান লিড হিসেবে দেখিয়েছে। হাসিনার বক্তব্যে যে বাংলাদেশ সরকার ক্ষুব্ধ, সেই খবরকে বিস্তারিত ভাবে কভার করেছে প্রথম পাতায়। 

'বাংলাদেশ পোস্ট' জামাত নেতাকে তুলে ধরল

ইংরেজি সংবাদমাধ্যম 'বাংলাদেশ পোস্ট' তো জামাত ই ইসলামির প্রধান সফিকুর রহমানের হুঁশিয়ারিকেই মূলত প্রাধান্য দিয়েছে। প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জানিয়েছেন, চলতি বছরের ডিসেম্বরেই সম্ভবত তিনি বাংলাদেশ ফিরবেন। সেই প্রেক্ষিতেই সফিকুর রহমানের হুঁশিয়ারি, আরও একটি বিপ্লব আসন্ন। অর্থাত্‍ ফের বাংলাদেশ অশান্ত হতে পারে বলে জোরাল ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি। 

Read more!
Advertisement
Advertisement