Advertisement

কবে ভারতে আসছেন তারেক? ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য হাই কমিশনার দীনেশ ত্রিবেদীর

গত ফেব্রুয়ারিতে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হন তারেক রহমান। তারপরেই তাঁকে ভারতে আমন্ত্রণ জানান হয়। দিল্লিতে অনুষ্ঠিত ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনেও আমন্ত্রণ থাকলেও আসেননি তারেক। সম্মলনে কোনও প্রতিনিধিও পাঠান হয়নি ঢাকার তরফে। তারেক কবে দিল্লিতে আসবেন, সে বিষয়ে এখনও কিছু জানায়নি বাংলাদেশ। যদিও ক্ষমতায় বসার পর চিন সফর করে ফেলেছেন খালেদা জিয়ার পুত্র। এরমাঝেই তারেকের ভারত সফর নিয়ে মুখ খুললেন কায় ভারতীয় হাই কমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর দিল্লি সফর নিয়ে ইজ্ঞিতবাহী দীনেশবাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর দিল্লি সফর নিয়ে ইজ্ঞিতবাহী দীনেশ
Aajtak Bangla
  • ঢাকা,
  • 29 Sep 2026,
  • अपडेटेड 5:04 PM IST

গত ফেব্রুয়ারিতে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হন তারেক রহমান। তারপরেই তাঁকে ভারতে আমন্ত্রণ জানান হয়। দিল্লিতে অনুষ্ঠিত ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনেও আমন্ত্রণ থাকলেও আসেননি তারেক। সম্মলনে কোনও প্রতিনিধিও পাঠান হয়নি  ঢাকার তরফে। তারেক কবে দিল্লিতে আসবেন, সে বিষয়ে এখনও কিছু জানায়নি বাংলাদেশ। যদিও ক্ষমতায় বসার পর চিন সফর করে ফেলেছেন খালেদা জিয়ার পুত্র। এরমাঝেই তারেকের ভারত সফর নিয়ে মুখ খুললেন কায় ভারতীয় হাই কমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী

 মঙ্গলবার বাংলাদেশের বিদেশ প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবীরের সঙ্গে ঢাকায় ভারতীয় হাই কমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী সাক্ষাৎ করেন। সেখান থেকে বেরিয়ে দীনেশ জানান, তারেকের ভারত সফর নিয়ে কোনও তাড়াহুড়ো নেই। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে যে দিল্লি আগে থেকেই আমন্ত্রণ জানিয়ে রেখেছে, তা-ও মনে করিয়ে দেন তিনি।

দীনেশ ত্রিবেদী বলেছেন, যখন সময় হবে, তখন নিশ্চয়ই বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী ভারত সফরে আসবেন। আজ মঙ্গলবার সকালে ঢাকায় বিদেশ মন্ত্রকের সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে দীনেশ ত্রিবেদী এ কথা বলেন। এর আগে তিনি বিদেশ  প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবিরের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। 

প্রসঙ্গত, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নভেম্বরে দিল্লি সফরের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হচ্ছে। এ বিষয়ে কোনও নির্দিষ্ট তারিখ নিয়ে আলোচনা হয়েছে কি না, জানতে চাইলে ভারতের হাইকমিশনার বলেন, ‘ভারত সফরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আমন্ত্রণ এখনো বহাল আছে। এটা নিয়ে মনে হচ্ছে না এবার কোনও তাড়াহুড়ার দরকার আছে। যখন সময় হবে, নিশ্চয়ই হবে। সবকিছুই ইতিবাচক আছে।’ যথাযথ সময় দেওয়ার কথা উল্লেখ করে দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, একটা সময়ের মধ্যে সবকিছু ইতিবাচক হবে।

দুই দেশের রাজনৈতিক বাস্তবতার কথাও উল্লেখ করেন ভারতের হাইকমিশনার। তিনি বলেন, ‘রাজনৈতিক বাধ্যবাধকতা (পলিটিক্যাল কমপালশন) দুই দিকেই আছে। সামগ্রিকভাবে সবকিছু ইতিবাচক আছে।’ তাঁর বক্তব্য, এই সফর নিয়ে দুই দেশই ইতিবাচক। যেহেতু সব কিছু ইতিবাচক, এই সফর নিয়ে তিনি আশাবাদী।  

Advertisement

এদিকে বৈঠকের শেষে দেওয়া বাংলাদেশের বিদেশ মন্ত্রকের এক বিবৃতিতে বলা হয়, ভারতের সঙ্গে দূরদর্শী ও পারস্পরিক শ্রদ্ধার ভিত্তিতে কাজ করার ক্ষেত্রে বাংলাদেশের দৃঢ় অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করা হয়েছে।

Read more!
Advertisement
Advertisement