Advertisement

Osman Hadi Murder Case: জামাত, BNP, ইউনূসের অন্তর্বর্তী সরকার, সবাই মিলে ওসমান হাদিকে মেরেছে, গুরুতর দাবি

ওসমান হাদি ছিলেন প্রবল ভাবেই ভারত বিরোধী। একই সঙ্গে শেখ হাসিনা ও আওয়ামি লিগেরও বিরোধী ছিলেন তিনি। ২০২৪ সালে বাংলাদেশে গণ আন্দোলনের নামে যে হিংসা হয়েছিল, তার অন্যতম হোতা ছিলেন হাদি। ইনকিলাব মঞ্চ নামে সংগঠনের তরফে নির্দল প্রার্থী হিসেবে সংসদীয় ভোটে দাঁড়িয়েছিলেন।

শরিফ ওসমান হাদিশরিফ ওসমান হাদি
Aajtak Bangla
  • ঢাকা,
  • 04 Jun 2026,
  • अपडेटेड 9:42 AM IST
  • ওসমান হাদির হত্যা ঘিরে চাঞ্চল্যকর দাবি
  • BNP, জামাত ও ইউনূসের সরকারকে নিশানা
  • হাদিকে লক্ষ্য করে গুলি চালিয়েছিল কারা?

বাংলাদেশে ২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলনের অন্যতম মুখ ছাত্রনেতা ওসমান হাদি হত্যার ঘটনায় এবার ক্ষমতাসীন বাংলাদেশ ন্যাশনালিস্ট পার্টি (BNP), জামাত ই ইসলামি ও মহম্মদ ইউনূসের অন্তর্বর্তী সরকারকে একযোগে নিশানা করলেন ওমর হাদির ভাই শরিফ ওসমান হাদি।

ওসমান হাদি ছিলেন প্রবল ভাবেই ভারত বিরোধী। একই সঙ্গে শেখ হাসিনা ও আওয়ামি লিগেরও বিরোধী ছিলেন তিনি। ২০২৪ সালে বাংলাদেশে গণ আন্দোলনের নামে যে হিংসা হয়েছিল, তার অন্যতম হোতা ছিলেন হাদি। ইনকিলাব মঞ্চ নামে সংগঠনের তরফে নির্দল প্রার্থী হিসেবে সংসদীয় ভোটে দাঁড়িয়েছিলেন। গত বছর ১২ ডিসেম্বর ভোটের প্রচার চলাকালীন ওসমান হাদিকে দুষ্কৃতীরা গুলিতে ঝাঁঝরা করে দেয়। ৬ দিনের মধ্যে হাসপাতালে মৃত্যু হয় হাদির।    

ওসমান হাদির হত্যা ঘিরে চাঞ্চল্যকর দাবি

বাংলাদেশে সাধারণ নির্বাচন হয়েছে চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে। বিপুল ভোটে জয়ী হয়েছে বিএনপি ক্ষমতায় ফিরেছে। তারেক রহমান বর্তমানে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী।  শরিফ ওসমান হাদির বড় ভাই ওমর হাদির বিস্ফোরক অভিযোগ সামনে এসেছে মঙ্গলবার রাতে করা দুটি ফেসবুক পোস্টের মাধ্যমে। এর আগেও, গত বছরের ডিসেম্বর মাসে তিনি অভিযোগ করেছিলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের একটি প্রভাবশালী অংশ সাধারণ নির্বাচন বানচাল করার উদ্দেশ্যে তাঁর ভাইকে হত্যার ষড়যন্ত্র করেছিল। মঙ্গলবার রাতের ফেসবুক পোস্টে ওমর হাদি দাবি করেন, 'আমির ই জামাত (জামাতের প্রধান শফিকুর রহমান)-এর এক ব্যক্তিগত সচিব (পিএস) শহিদ ওসমান হাদিকে হত্যার পরিবেশ তৈরি করার সঙ্গে জড়িত ছিলেন।' তাঁর অভিযোগ, ওই ব্যক্তি পরিকল্পিতভাবে এমন পরিস্থিতি তৈরি করেছিলেন, যা শেষ পর্যন্ত ওসমান হাদির হত্যাকাণ্ডের পথ প্রশস্ত করে।

BNP, জামাত ও ইউনূসের সরকারকে নিশানা

একটি পোস্টে লিখছেন, অন্তর্বর্তী সরকারের কয়েকজন উপদেষ্টা, বিএনপি-র কয়েকজন সাংসদও ওসমান হাদিকে হত্যা করার বিষয়ে সরাসরি জড়িত ছিলেন।   ফেসবুক পোস্টে তিনি লিখেছেন, 'মাননীয় প্রধানমন্ত্রী (তারেক রহমান), হাদি হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত প্রত্যেককে আইনের আওতায় আনুন।' একই সঙ্গে তিনি সতর্ক করে দিয়ে দাবি করেন, হত্যাকারীদের বিচার না হলে ভবিষ্যতে তারেক রহমানও হামলার শিকার হতে পারেন। তাঁর কথায়, 'হত্যাকারীদের শাস্তি না হলে তারা আপনাকেও হত্যা করবে।'

Advertisement

হাদিকে লক্ষ্য করে গুলি চালিয়েছিল কারা?

ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডের তদন্তে গত ৭ ও ৮ মার্চ মধ্যরাতে পশ্চিমবঙ্গের উত্তর ২৪ পরগনার বনগাঁ সীমান্ত এলাকা থেকে দুই বাংলাদেশি নাগরিককে গ্রেফতার করা হয়। ধৃতদের নাম রাহুল ওরফে ফয়সল করিম মাসুদ (৩৭) এবং আলমগীর হোসেন (৩৪)। তাঁদের বাড়ি যথাক্রমে পটুয়াখালি ও ঢাকায় বলে জানা গিয়েছে। তদন্তকারীদের অভিযোগ, ওসমান হাদি হত্যার ঘটনায় তাঁদের প্রত্যক্ষ যোগ রয়েছে। নির্বাচনী প্রচারের সময় ঢাকায় মুখোশধারী বন্দুকবাজরা ওসমান হাদিকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। তাঁর মাথায় গুলি লাগে। গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁকে প্রথমে চিকিৎসা দেওয়া হয় এবং পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুরে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে ছয় দিন মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করার পর তাঁর মৃত্যু হয়।

Read more!
Advertisement
Advertisement