
সলমন খান ও ঐশ্বর্য রাই বচ্চনের প্রেম, বি-টাউনের অন্দরে আজও চর্চিত। তাঁদের প্রেম যেমন শিরোনামে এসেছিল, তেমনই তাঁদের বিচ্ছেদও মানুষকে চমকে দিয়েছিল। বহু বছর পর, সেই সময়ের কথা স্মরণ করে অভিনেত্রী সাদিয়া সিদ্দিকী ঐশ্বর্যর পেশাদারিত্বের প্রশংসা করেছেন।
২০০৫ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত 'শব্দ' (Shabd) ছবিতে ঐশ্বর্যর সঙ্গে কাজ করেছিলেন সাদিয়া। সেই সময়টি ছিল এমন এক মুহূর্ত যখন- বিভিন্ন প্রতিবেদন অনুযায়ী- সলমনের সঙ্গে বিচ্ছেদের পর ঐশ্বর্য তাঁর ব্যক্তিগত জীবনে কঠিন সময়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছিলেন। সিদ্ধার্থ কান্নানের সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে সাদিয়া বলেন, "ছবিতে ঐশ্বর্যর সঙ্গে আমার কোনও দৃশ্য ছিল না, তাই ব্যক্তিগতভাবে আমি তাঁকে চিনি না। তবে আমি যা দেখেছি, তাতে মনে হয়েছে তিনি কখনও নিজের কষ্ট প্রকাশ করেননি বা কাউকে বুঝতে দেননি।"
তিনি আরও যোগ করেন, " ঐশ্বর্য সব সময় পুরোপুরি প্রস্তুতি নিয়ে সেটে আসতেন। তিনি তাঁর সংলাপ জানতেন, স্ক্রিপ্টটি পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে পড়তেন এবং অত্যন্ত পেশাদারিত্বের সঙ্গে কাজ করতেন। ব্যক্তিগত জীবনের কোনও প্রভাব তাঁর কাজের ওপর পড়েছে বলে আমার কখনও মনে হয়নি।"
'হাম দিল দে চুকে সনম' ছবির মাধ্যমে প্রেমের শুরু
১৯৯৯ সালের সুপারহিট ছবি 'হাম দিল দে চুকে সনম'-র শ্যুটিংয়ের সময় সলমন খান ও ঐশ্বর্য রাই বচ্চন একে অপরের ঘনিষ্ঠ হয়ে ওঠেন। তাঁদের অন-স্ক্রিন রসায়ন এবং অফ-স্ক্রিন রোমান্স নিয়েও ব্যাপক আলোচনা হয়েছিল। তবে কয়েক বছর পরেই তাঁদের সম্পর্কের ইতি ঘটে। সেই সময় তাঁদের বিচ্ছেদ বলিউডে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছিল এবং দীর্ঘকাল ধরে তা নিয়ে চর্চা হয়। সাদিয়ার মতে, সেই কঠিন সময়ও ঐশ্বর্য কখনও নিজের কষ্টকে কাজের পথে বাধা হতে দেননি। তিনি প্রতিদিন হাসিমুখে সেটে আসতেন এবং পূর্ণ নিষ্ঠার সঙ্গে নিজের কাজ করতেন।
বিচ্ছেদের পর ঐশ্বর্য, অভিষেক বচ্চনকে বিয়ে করেন এবং তাঁদের একটি কন্যা সন্তান রয়েছে। অন্যদিকে, সলমন এখনও বলিউডের 'মোস্ট এলিজেবল ব্যাচেলর'। অন্যতম জনপ্রিয় তারকা হিসেবে তিনি নিজের অবস্থান ধরে রেখেছেন।
সম্প্রতি কান চলচ্চিত্র উৎসবে (২০২৬) সকলের নজর কাড়েন ঐশ্বর্য। ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে তিনি প্রায়শই শিরোনামে থাকলেও। ইন্ডাস্ট্রিতে তাঁর পেশাদারিত্ব আজও উদাহরণ হিসেবে রয়েছে।