
২৫ জানুয়ারি দেশজুড়ে মুক্তি পেতে চলেছে শাহরুখ খান অভিনীত পাঠান সিনেমা। কিন্তু এই সিনেমা মুক্তির আগেই কিছুশ্রেণীর মানুষ তা বয়কট ঘোষণা করেছেন। এই একই বিষয় দেখা গিয়েছিল আমির খান-করিনা কাপুর অভিনীত লাল সিং চাড্ডা সিনেমার ক্ষেত্রেও। তবে পাঠান মুক্তির আগে এই বয়কট ট্রেন্ড নিয়ে এবার মুখ খুললেন অভিনেত্রী করিনা কাপুর খান। ২২ জানুয়ারি, রবিবার কলকাতায় এক ইভেন্টে এসে বেবো টুইটারে হওয়া এই ট্রেন্ড নিয়ে কথা বললেন। প্রসঙ্গত, অভিনেত্রী এদিনইন্ডিয়ান চেম্বার অফ কমার্স-ইয়ং লিডার ফোরাম ইভেন্টে যোগ দিতে কলকাতায় আসেন।
কী বললেন করিনা কাপুর
বয়কট বলিউড ট্রেন্ড আলোচনা প্রসঙ্গে করিনা কাপুর খান বলেন, 'আমি এর সঙ্গে একেবারেই সমহত পোষণ করি না। এটা হলে কীভাবে আমরা আপনাদের মনোরঞ্জন করব, আপনারা নিজেদের জীবনে খুশি-উচ্ছাস কীভাবে নিয়ে আসবেন, যেটা সকলের জন্য খুবই প্রয়োজন। সিনেমা এবং চলচ্চিত্রগুলি প্রতিশ্রুতিশীল, যা আমরা সবসময় করেছি, যা চলচ্চিত্র সবসময় করেছে। যদি সিনেমাই না থাকে তাহলে মনোরঞ্জন কীভাবে থাকবে।'
কবে থেকে শুরু হয় এই বয়কট ট্রেন্ড
প্রসঙ্গত, বয়কট বলিউড প্রাথমিকভাবে শুরু হয় ২০২০ সালে সুশান্ত সিং রাজপুত আকস্মিক মৃত্যুর পরই। এরপর ২০২২ সালে লাল সিং চাড্ডা, ব্রহ্মাস্ত্র, রক্ষাবন্ধন সহ একাধিক সিনেমা নিয়ে বয়কট ট্রেন্ড আবারও শুরু হয়। কিছু সিনেমার বক্সঅফিসে এই ট্রেন্ডের প্রভাব মারাত্মকভাবে পড়তে দেখা গিয়েছিল। লাল সিং চাড্ডা সিনেমা মুক্তির আগেই বয়কট লাল সিং চাড্ডা ট্রেন্ড শুরু হয়ে গিয়েছিল ব্যাপকভাবে। এই সিনেমা না দেখার আহ্বান জানিয়েছিলেন কিছু নির্দিষ্ট শ্রেণীর মানুষ। ভারত ক্রমে অসহনীয় হয়ে উঠছে আমির খানের এই বিতর্কিত মন্তব্য এবং করিনা কাপুরের কিছু বিতর্কিত মন্তব্য এই সিনেমার ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করেছিল।
পাঠান সিনেমা বয়কট ট্রেন্ড
এই ট্রেন্ড ফের শুরু হয়েছে শাহরুখ খান ও দীপিকা পাড়ুকোনের পাঠান সিনেমা মুক্তির আগেও, যা ২৫ জানুয়ারি মুক্তি পেতে চলেছে। এই সিনেমার প্রথম গান বেশরম রঙ মুক্তি পাওযার পর এই গান নিয়ে বেশ হাঙ্গামার সৃষ্টি হয়। বলিউডের এই পেপি সং একদিকে যখন নেটিজেনদের একাংশের কাছে দারুণ মনে হয়েছে অন্যদিকে বাকি নেটিজেন পাঠান সিনেমা বয়কটের ডাক দিয়েছেন। গানে দীপিকার গেরুয়া রঙের বিকিনি নিয়েও ঘোরতর আপত্তি তোলেন মধ্যপ্রদেশে মন্ত্রী ডঃ নরোত্তম মিশ্র। পাঠানে কিছু আপত্তিকর দৃশ্য বাদ দিতে ও মধ্যপ্রদেশে এই সিনেমা মুক্ত্র ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করতেও বলেন তিনি। তবে একা মধ্যপ্রদেশের মন্ত্রী নন, একাধিক রাজনৈতিক নেতা এই দাবীতে তাঁর সঙ্গে সুর মেলান।