
সোশ্যাল মিডিয়ায় অ্যাক্টিভ থাকলেও নিজের ব্যক্তিগত জীবনের বিষয়গুলিকে আড়ালে রাখতেই অভ্যস্ত প্রাক্তন সাংসদ তথা অভিনেত্রী মিমি চক্রবর্তী। তবে গত কয়েকদিন ধরেই নানান বিষয়ে তিনি খবরের শিরোনামে রয়েছেন। তবে এইসব বিষয়গুলিকে কখনই মাথায় উঠতে দেন না অভিনেত্রী। আগেও বারংবার সরব হয়েছেন তিনি। আর এবারেও সোশ্যাল মিডিয়ায় কড়া হুঁশিয়ারি দিলেন মিমি। জানিয়ে দিলেন এবার তিনি কড়া পদক্ষেপ করতে চলেছেন।
চলতি বছরের শুরুতেই বিপাকে পড়েছিলেন মিমি চক্রবর্তী। বনগাঁয় অনুষ্ঠান করতে গিয়ে তাঁকে মাঝপথেই স্টেজ থেকে নামিয়ে দেওয়ার অভিযোগ তুলেছিলেন নায়িকা। এমনকী আয়োজক তনয় শাস্ত্রী নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে মিমিকে হেনস্থা করার অভিযোগও ওঠে। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে তনয় শাস্ত্রীকে গ্রেফতার করা হয়। ধৃত তনয় শাস্ত্রী শ্রীঘরে চোদ্দ দিন কাটিয়ে জামিনে মুক্তি পেয়েছেন। আর তারপরই নায়িকার বিরুদ্ধে তিনি মানহানির মামলা দায়ের করেন। এই গোটা বিষয়টি নিয়ে বেশ কিছুদিন ধরেই জলঘোলা চলছে। একাধিক সংবাদমাধ্যমে এ সংক্রান্ত খবর প্রকাশ করা হয়েছে।আৎ এইসব বিষয় নজরে আসতেই বিরক্তি প্রকাশ করলেন নায়িকা।
বাংলা ইন্ডাস্ট্রির অস্থির পরিস্থিতির মধ্যেই মিমিকে নিয়ে নতুন করে শোরগোল তৈরি হয়েছে। মিমি এই নিয়ে কোথাও কোনও প্রতিক্রিয়া না জানালেও, সোশ্যাল মিডিয়াতেই কড়া ভাষায় যা বলার বলে দিয়েছেন নায়িকা। এথদিন ধরে তাঁকে নিয়ে যে সব খবর ঘুরে বেড়াচ্ছে, তার বিরোধীতা করেছেন মিমি। প্রয়োজনে নিতে পারেন আইনি ব্যবস্থাও। নিজের অবস্থান স্পষ্ট করে মিমির বক্তব্য, ভবিষ্যতে এমন ঘটনা ঘটলে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন। কোনওভাবেই এধরনের কোনও ঘটনাকে প্রশ্রয় দিতে নারাজ মিমি চক্রবর্তী। তাঁর বিরুদ্ধে কিছু বলার আগে সেটা যেন সম্পূর্ণ যাচাই করে নেওয়া হয় সেদিকেও বিশেষ দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন অভিনেত্রী।
চব্বিশের লোকসভা নির্বাচনেই সাংসদ পদ ছাড়েন মিমি। যাদবপুর কেন্দ্রে তাঁর জায়গায় তৃণমূলের টিকিট পান সায়নী ঘোষ এবং জয়ীও হন। এরপর থেকেই তৃণমূল থেকে একপ্রকার দূরত্ব বজায় রেখেছিলেন নায়িকা। নিজের অভিনয় পেশার দিকেই মনোযোগ দিয়েছিলেন প্রাক্তন সাংসদ। ট্রোলিং বা কটাক্ষকে সেভাবে পাত্তা দেন না নায়িকা। নিজের পোষ্য ও পরিবার-বন্ধুদের সঙ্গেই সময় কাটাতে ভালোবাসেন তিনি।