Advertisement

'লুকিয়ে জড়িয়ে ধরা-চুমু খাওয়া', ষোড়শী শ্রীময়ীর সঙ্গে কাঞ্চনের প্রথম পুজো, কতটা স্পেশ্যাল?

শ্রীময়ী প্যান্ডেল হপিং করতে ভীষণ ভালোবাসেন। গত বছরও কৃষভিকে নিয়ে গোটা রাত ঠাকুর দেখেছেন। কিন্তু এ বছর সেটা হবে না, বলেই জানিয়েছেন শ্রীময়ী।

কাঞ্চন-শ্রীময়ীকাঞ্চন-শ্রীময়ী
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 15 Oct 2026,
  • अपडेटेड 4:02 PM IST
  • পুজোর আগে আগেই দ্বিতীয় সন্তান এসেছে কাঞ্চন ও শ্রীময়ীর সংসারে।

পুজোর আগে আগেই দ্বিতীয় সন্তান এসেছে কাঞ্চন ও শ্রীময়ীর সংসারে। কৃষভি ভাই পেয়েছে। তাই এই পুজোটা একটু স্পেশ্যাল কাঞ্চন ও শ্রীময়ীর কাছে। প্রতি বছরই পুজো দারুণ জমিয়ে উপভোগ করেন এই তারকা দম্পতি। ট্রোলড-কটাক্ষের মাঝেও তাঁরা প্রতিদিনই নতুন করে বাঁচার রসদ ঠিক জুগিয়ে নেন। অসম প্রেম থেকে বিয়ে হলেও, তাতে ভালোবাসার কোনও ঘাটতি নেই। দুই সন্তানকে নিয়ে পুজোর প্ল্যান শেয়ার করলেন শ্রীময়ী bangla.aajtak.in-এর সঙ্গে। 

শ্রীময়ী প্যান্ডেল হপিং করতে ভীষণ ভালোবাসেন। গত বছরও কৃষভিকে নিয়ে গোটা রাত ঠাকুর দেখেছেন। কিন্তু এ বছর সেটা হবে না, বলেই জানিয়েছেন শ্রীময়ী। অভিনেত্রী বলেন, 'কারণ বাড়িতে কৃষভ আছে, ওকে তো বের করতে পারব না। সবে ২ মাস বয়স ওর। তবে পুজোতে বন্ধু-বান্ধবদের বাড়ি যাব, আড্ডা মারব, পাড়ার পুজো দেখব। অনেকগুলো সিনেমা মুক্তি পেয়েছে, দুটোতে কাঞ্চন রয়েছে, সেগুলো দেখার প্ল্যান আছে। এভাবেই পুজোয় আনন্দ করব।' কৃষভ ও কৃষভির প্রচুর পোশাক হয়েছে বলে জানিয়েছেন শ্রীময়ী। প্রতিবারের মতো এবছরও অষ্টমীতে অঞ্জলি দেওয়া আর ভোগ খাওয়া মাস্ট বলে জানান অভিনেত্রী।

ছবি সৌজন্যে: ফেসবুক

কাঞ্চন ও শ্রীময়ী দুজনেই খেতে ভীষণ ভালোবাসেন। শ্রীময়ী পুজোর খাওয়া-দাওয়া প্রসঙ্গে বলেন, তিনি ঠাকুর দেখতে বেরোলে কোনও বড় রেস্তোরাঁর নয়, বরং রাস্তার ধারে লাল কাপড়ে ঢাকা বিরিয়ানিটা মাস্ট। আর সঙ্গে ফুচকা থাকবেই আর নবমীতে পাঁঠার মাংস আর পোলাওটা খেতেই হবে তারকা দম্পতিকে। আর এরই মাঝখানে অষ্টমীতে ভোগ খাওয়া। শ্রীময়ী জানিয়েছেন যে দু-এক জায়গা থেকে নেমন্তন্ন পেয়েছেন তাঁরা। সেখানে যাবেন, খাওয়া-দাওয়া করবেন। শ্রীময়ী জানান, পুজোর কটা দিন রান্নাবান্না থেকে একদম ছুটি। কারণ অন্য সময়ে রান্নার দিদি থাকা সত্ত্বেও তাঁকেই একাধিক পদ রান্না করতে হয়। কিন্তু পঞ্চমী থেকে তাঁর রান্নাঘরে ঢোকা একেবারে বারণ। এ বছর কাঞ্চনের ডেবিট কার্ড নিয়ে শ্রীময়ী প্রচুর শাড়ি শপিং করেছেন বলেও জানান।  

Advertisement
ছবি সৌজন্যে: ফেসবুক

কাঞ্চনের সঙ্গে প্রথম প্রেমের প্রথম পুজোর গল্প শেয়ার করতে গিয়ে শ্রীময়ী বলেন, 'সেই অর্থে কাঞ্চনের সঙ্গে আমার প্রেম করার সুযোগ হয়নি, তখন আমার প্রেমের মতো বয়স ছিল না, অনেক ছোট আর কাঞ্চনও তখন বিবাহিত। তবে আমি এই পুজোর সময়টা সারা বছর মুখিয়ে থাকতাম, কারণ কাঞ্চন আর আমার এক কমন ফ্রেন্ড ছিল, সেখানে ইন্ডাস্ট্রির সকলে চলে যেতেন। আর সবাই মিলে আমরা আড্ডা মারতাম, কত বড় বড় তারকারা তখন থাকতেন, সেখানে আড্ডা খাওয়া-দাওয়া চলত। তখন কাঞ্চন আমাকে বাড়ি ছাড়তে আসতো, ওটাই বিশেষ ছিল।' শ্রীময়ীর কাছে দশমীর সিঁদুর খেলাটা খুব বিশেষ ছিল। কাঞ্চন-পত্নী বলেন, 'তখন তো এমন পরিস্থিতি ছিল না যে দশমীর দিন সিঁদুর খেলার জন্য অনুমতি পাব, দশমীর দিন কোনও সময় যদি দেখা হত, ওই প্রণাম, কোলাকুলি, চুমু খাওয়া, এটাই তখন আর কী, মন হু হু করতো।' প্রসঙ্গত, শ্রীময়ী ১৬ বছর বয়স থেকে কাঞ্চনকে চেনেন। সেই সময়ে একটা ছবির আউটডোরে গিয়েছিলেন তাঁরা, মহিষাদলে। টানা ২১ দিন ধরে আউটডোর ছিল। তখনই কাঞ্চন-শ্রীময়ীর মধ্যে ঘনিষ্ঠতা বাড়ে। শ্রীময়ী বলেন, সেই বছর পুজো থেকেই দেখা-সাক্ষাৎ শুরু হয়, পুজোর একদিনই দেখা করতাম আমরা, চুমু খেতাম, ভালোবাসা বিনিময় করতাম। 

শ্রীময়ী শৈশবের পুজো নিয়ে বলেন, 'ছোটোবেলায় বাবার থেকে অল্প পকেট মানি নিয়ে বন্ধুদের সঙ্গে ঘুরতাম। বন্ধুদের দেখতাম পুজোতে প্রেম করতে, যদিও এই বিষয়ে আমি খুব ক্যাবলা ছিলাম।' তবে শ্রীময়ীর কথায়, প্রেমিক কাঞ্চন সব সময়ই ভাল ছিল, তখন লুকিয়ে দেখা করা, তখনও জানতেন না যে কাঞ্চনের সঙ্গেই বিয়ে হবে। সেই সময় আলাদা অনুভূতি ছিল। কারণ সেভাবে প্রকাশ্যে বেরোনো যেত না, নয়তো কথা হবে কাঞ্চনকে নিয়ে। বলা চলে শ্রীময়ী কাঞ্চনের প্রেম ছিল তবে আন্ডার দ্য টেবিল। আর বিয়ের পর স্পেশ্যাল যেটা ছিল সিঁদুর খেলা। কাঞ্চন-পত্নী বলেন, 'বিয়ের পর সেরকম দায়িত্ব কিছু নেই। ছোট ছোট দায়িত্ব ছাড়া পুজোটা পুরোটাই আনন্দ করেই কাটে, সেই আগের মতোই।'  

Read more!
Advertisement
Advertisement