
গত ২৯ জুন থেকে শুরু হয়েছে 'দিদি নম্বর ১' সিজন ১০। যেখানে নতুনভাবে এই শো নিয়ে হাজির হয়েছেন অভিনেত্রী স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায়। দীর্ঘদিন এই শোয়ের হাল ধরেছিলেন রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়। পর্দার দিদি মানেই দর্শকেরা এক কথায় রচনাকেই বুঝতেন। কিন্তু হঠাৎ করে এই শো থেকে রচনাকে সরিয়ে দেওয়ায় দর্শকেরাও ভীষণভাবে অবাক হয়েছিলেন। রচনার জুতোয় পা গলিয়ে স্বস্তিকা ইতিমধ্যেই দুটি পর্ব করে ফেলেছেন। দর্শকদের কাছে দিদি হিসাবে কতটা গ্রহণযোগ্যতা পেলেন অভিনেত্রী?
খোঁপায় জুঁইফুলের মালা। গোলাপি সাজে সেজে নতুন ‘দিদি’ হয়ে ছোটপর্দায় এলেন স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায়। সোমবার সম্প্রচারিত হয়েছে স্বস্তিকা সঞ্চালিত ‘দিদি নং ১’-এর নতুন সিজনের প্রথম পর্ব। আসলে এতদিন ধরে দিদি নং ১-এ রচনাকে দেখেই অভ্যস্ত ছিলেন দর্শকেরা। রচনার সাজ-পোশাকের সঙ্গে স্বস্তিকার সাজ একেবারে অন্যরকম। নতুন খেলার ধাঁচও বদলেছে। নতুন ভূমিকায় স্বস্তিকাকে দেখে সোশ্যাল মিডিয়ায় নেটিজেনদের মিশ্র প্রতিক্রিয়া পাওয়া গেল। একদল যেমন স্বস্তিকাকে নতুন দিদি হিসাবে আগমন জানিয়েছেন তেমনি নেটিজেনের একাংশ স্বস্তিকাকে ট্রোল করতে ছাড়েননি।
দিদি নম্বর ১-এর নতুন প্রোমো সামনে আসতেই অনেকেই কমেন্টে গিয়ে লিখেছেন যে রচনা ছাড়া দিদি নম্বর ১ হতেই পারে না। অনেকে লিখেছেন, রচনা ছাড়া দিদি নম্বর ১ হতেই পারে না, ওইটা এখন দিদিমা নম্বর ১। আবার কারোর কারোর মতে, রচনাই সেরা দিদি নম্বর ১। আবার কেউ লিখেছেন, এখন আর দিদি নম্বর ১ কেউ দেখবে না। আবার অধিকাংশজনই রচনাকে ফিরিয়ে আনারও দাবি জানিয়েছেন। আবার কেউ লিখেছেন, বেমানান স্বস্তিকা। সব মিলিয়ে অনেকেই চাইছেন দিদি নম্বর ১-এ ফিরিয়ে আনা হোক রচনাকে।
গত ১৫ বছর ধরে দিদি নম্বর ১-এর দায়িত্ব কাঁধে তুলে নিয়েছিলেন রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়। এই গেম শো তাঁকে এক অন্য জনপ্রিয়তা এনে দিয়েছিল। ঘরে ঘরে রচনা তখন সকলের দিদি। সাধারণ ঘরের গৃহবধূ থেকে শুরু করে টলিপাড়ার অনেক তারকাই দিদি নম্বর ১-এর শোতে এসে খেলে গেছেন। সেখানে রচনা তারকাদের সিক্রেট ফাঁস করেছেন বহু। দিদি নম্বর ১-এর শুরুর দিকেও রচনাকে সরিয়ে অন্য অভিনেত্রীকে সঞ্চালিকার দায়িত্ব দিলেও রচনাই ছিলেন এই শোয়ের প্রধান ইউএসপি। কিন্তু হঠাৎ করেই তাঁকে এই শো থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। যা নিয়ে একাধিক সংবাদমাধ্যমের কাছে চ্যানেল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন তৃণমূলের সাংসদ-অভিনেত্রী।