
টলিপাড়ায় পাওয়ার কাপল হিসাবে পরিচিত ছিলেন জিতু কমল ও নবনীতা দাস। তাঁদের সুখী সংসারের ঝলক মাঝে মধ্যেই সোশ্যাল মিডিয়ায় দেখা যেত। কিন্তু ইতি পড়ল তাঁদের দাম্পত্যে। কয়েক বছর আগেই নবনীতা সোশ্যাল মিডিয়া পেজে তাঁর ও জিতুর বিচ্ছেদের কথা ঘোষণা করেন। এখন দুজনের রাস্তাই আলাদা। কিন্তু এই সবের মাঝেই নবনীতা জানালেন যে তাঁর সঙ্গে জিতুর এখনও কথা হয়।
সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে নবনীতা জানিয়েছেন যে মাঝখানে জিতু তাঁকে ফোন করেছিলেন। সেই সময় অভিনেত্রী হাসপাতালে ভর্তি হন। নবনীতা জানান যে খাদ্যে বিষক্রিয়া হওয়ার দরুণ তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি হতে হয়। সেই সময়ই তাঁকে ফোন করেছিলেন জিতু। কী কথা হয়েছিল জিতু ও নবনীতার মধ্যে? অভিনেত্রী বলেন, আমার হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার খবর পেয়ে জিতুই ফোন করে জিজ্ঞাসা করেছিল কী হয়েছে আমার। আমি বললাম এই হয়েছে আমার। শুনে হাসল, বলল এ বাবা এই কারণে ভর্তি হয়েছিলে হাসপাতালে। ওই ডিহাইড্রেশন হয়ে গেছে, ফুড পয়েজনিং হয়ে গেছে তাই একদিনের জায়গায় আরেকদিন থাকতে হল, এটাই বললাম।
প্রসঙ্গত, ফেব্রুয়ারি মাসে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন নবনীতা। সেই সময় অবশ্য জানা যায়নি কেন তিনি হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন। সাম্প্রতিক সাক্ষাৎকার থেকে এটা বোঝা গেল যে তাঁর ফুড পয়েজনিং হয়েছিল। জিতুর থেকে আলাদা হওয়ার পর নবনীতাও নিজের মতো জীবনকে গুছিয়ে নিয়েছেন। এখন অবশ্য ছোটপর্দা থেকে দূরেই রয়েছেন তিনি। নতুন ফ্ল্যাটও কিনেছেন। সেখানেই থাকেন এখন। ভবিষ্যতে আবারও বিয়ের পিঁড়িতে বসা নিয়ে নবনীতার পরিকল্পনা একটু অন্যরকম। তিনি সাক্ষাৎকারে বলেন যে বর্তমানে কলকাতায় বা বাঙালি কালচারের মধ্যে থেকে আবারও বিয়ে করার তেমন একটা ইচ্ছে তাঁর নেই, আপতত কোনও সম্পর্কে নেই তিনি তাও স্পষ্ট করেন।
সম্প্রতি ৮০ লাখ টাকার মার্জিডিজ বেঞ্জ কিনে ট্রোলের মুখে পড়তে হয় নবনীতাকে। নেটিজেনদের একাংশের প্রশ্ন, হাতে কাজ নেই অথচ লক্ষাধিক মূল্যের গাড়ি কিনে ফেললেন। যদিও এইসব কটাক্ষ-ট্রোলড নিয়ে মুখ খোলেননি অভিনেত্রী। ছোটপর্দায় দেখা না গেলেও নবনীতা কিন্তু বসে নেই। বর্তমানে তাঁর আয়ের বড় উৎস সোশ্যাল মিডিয়া। শুধু তাই নয়, অভিনেত্রী এখন পুরোদস্তুর ব্যবসায়ী। বন্ধুদের সঙ্গে বেঙ্গালুরুতে নতুন ব্যবসা শুরু করেছেন তিনি, যার সুবাদে নিয়মিত যাতায়াত করতে হয় সেখানে। সম্প্রতি মালেশিয়াও ঘুরতে গিয়েছিলেন তাঁর বন্ধুদের সঙ্গে।