
তাঁকে শেষ বড়পর্দায় দেখা রঘু ডাকাত-এ। যেখানে তাঁর অভিনয় দারুণভাবে প্রশংসা পেয়েছিল। সেই সময়ও ব্যান কালচারের আওতায় ছিলেন অভিনেতা অনির্বাণ ভট্টাচার্য। এরপর অনির্বাণকে পর্দায় দেখা যায়নি। যদিও তিনি তাঁর নিজস্ব কাজগুলো করে চলেছিলেন। তবে দর্শকেরা মুখিয়ে ছিলেন কবে অনির্বাণকে ফের দেখা যাবে বড়পর্দায়। নিষিদ্ধ অভিনেতাদের ফিরিয়ে আনতে প্রথম থেকেই উদ্যোগী হয়েছিলেন বাংলা ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির সুপারস্টার দেব। দেশু৭-এর পরবর্তী ছবির কথা ঘোষণা করার দিনই দেব বলেছিলেন যে এই ছবিতে তিনি অনির্বাণকে নেবেন। দেব সেই প্রতিশ্রুতি রাখলেন। দেব ও শুভশ্রীর আগামী ছবি দেশু৭-এ অভিনয় করবেন অনির্বাণ ভট্টাচার্য।
টলিউডে এতদিন ব্যান ছিলেন অনির্বাণ ভট্টাচার্য। কিছুদিন আগেই রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়ের মৃত্যু নিয়ে আর্টিস্ট ফোরামের সাংবাদিক বৈঠকের দিনই দেব ঘোষণা করেছিলেন যে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে ব্যান ওঠাতে হবে। ইতিমধ্যেই এই ঘোষণার পর নড়েচড়ে বসে আর্টিস্ট ফোরাম। পরিচালক গিল্ডের পক্ষ থেকেও চিঠি দিয়ে জানানো হয় যে তাঁরা ফেডারেশনের সঙ্গে মধ্যস্থতা করতে রাজি রয়েছেন। এটা যেন দেবের অঘোষিত জয়। আর তারপরই দেব ও শুভশ্রী শুক্রবার লাইভে এসে ঘোষণা করেন যে তাঁদের জুটির পরবর্তী ছবিতে থাকছেন অনির্বাণ।
এ দিন আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়, ছবির গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে রয়েছেন অনির্বাণ। তবে অনির্বাণ ঠিক কোন চরিত্রে অভিনয় করবেন, তা এখনও গোপনই রাখা হয়েছে। তবে শুধু অনির্বাণেই চমক থেমে নেই, এই ছবির পরিচালক হিসাবে ডেবিউ করতে চলেছেন দেব। শুধু তাই নয়, চিত্রনাট্য লিখেছেন তিনি নিজেই। তাই এক কথায় বলা চলে দেশু৭ জুড়ে শুধুই দেবের ম্যাজিক দেখবেন দর্শকেরা। জুন, জুলাই ও অগাস্ট জুড়ে প্রায় ৫০ দিন ধরে চলবে শুটিং, যেখানে যুক্ত থাকবেন প্রায় ১০ হাজার টেকনিশিয়ান। পরিকল্পনা অনুযায়ী, ছবিটি মুক্তি পেতে পারে পুজোর সময়।
দেশু৭-এর নাম এখনও ঠিক হয়নি। তবে এই ছবিতে ধূমকেতুর পর ফের দেব-শুভশ্রীকে জুটি হিসাবে দেখা যাবে। পুজোর মরশুমে এই জুটির ফিরে আসা বক্স অফিসেও বড় প্রভাব ফেলতে পারে বলেই মনে করছেন অনেকে। পুরনো হিট জুটির কামব্যাক, দেবের পরিচালনায় নতুন অধ্যায়, এবং বিতর্কের আবহে অনির্বাণের প্রত্যাবর্তন। সব মিলিয়ে ২০২৬-এর পুজোয় এই ছবি যে অন্যতম বড় আকর্ষণ হতে চলেছে, তা এখনই স্পষ্ট