Advertisement

Chunnari Chunnari Remake: 'চুনারি চুনারি' গানের রিমেক নিয়ে বিরক্ত অভিজিৎ, নিন্দা করলেন ডেভিড-পুত্র বরুণের

১৯৯৯ সালে বিবি নম্বর ওয়ান ছবিতে সলমন খানের লিপে গাওয়া চুনারি চুনারি গানটি দারুণ হিট হয়েছিল। ২০২৬-এ দাঁড়িয়ে সলমন খান ও সুস্মিতা সেনের সেই গান আজও সমানভাবে জনপ্রিয়তার শীর্ষে রয়েছে। এই গানটি গেয়েছিলেন অভিজিৎ ভট্টাচার্য। নব্বই দশকের সেই গানকেই রিমেক করা হয়েছে 'হ্যায় জওয়ানী তো ইশক হোনা হ্যায়' ছবিতে।

চুনারি চুনারি গানের রিমেক নিয়ে কী বললেন অভিজিৎ?চুনারি চুনারি গানের রিমেক নিয়ে কী বললেন অভিজিৎ?
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 27 May 2026,
  • अपडेटेड 6:16 PM IST
  • 'চুনারি চুনারি' গানটির নিন্দা করার পাশাপাশি তিনি বরুণ ধাওয়ানের সমালোচনাও করেছেন।

১৯৯৯ সালে বিবি নম্বর ওয়ান ছবিতে সলমন খানের লিপে গাওয়া চুনারি চুনারি গানটি দারুণ হিট হয়েছিল। ২০২৬-এ দাঁড়িয়ে সলমন খান ও সুস্মিতা সেনের সেই গান আজও সমানভাবে জনপ্রিয়তার শীর্ষে রয়েছে। এই গানটি গেয়েছিলেন অভিজিৎ ভট্টাচার্য। নব্বই দশকের সেই গানকেই রিমেক করা হয়েছে 'হ্যায় জওয়ানী তো ইশক হোনা হ্যায়' ছবিতে। যেখানে এই 'চুনারি চুনারি' গানে পা মেলাতে দেখা যায় বরুণ ধাওয়ান, পূজা হেগড়ে ও ম্রুনাল ঠাকুরকে। কিন্তু এই গানের রিমেক একেবারেই পছন্দ হয়নি এই গানের আসল গায়ক অভিজিতের। তিনি রীতিমতো এই গানের নিন্দা করেছেন। 

'চুনারি চুনারি' গানটির নিন্দা করার পাশাপাশি তিনি বরুণ ধাওয়ানের সমালোচনাও করেছেন। অভিজিৎ জানিয়েছেন, বরুণ বারবার রিমেক ও বলিউডের হিট গানগুলোকে নতুন আঙ্গিকে পরিবেশন করার ওপরই নির্ভর করেন। এক সংবাদ সংস্থাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে অভিজিৎ তাঁর ১৯৯৯ সালের হিট গান চুনারি চুনারি-এর নতুন সংস্করণ নিয়ে কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। অভিজিৎ খুব হতাশ হয়েই বলেন, এই গানটি সলমনের কেরিয়ারের সবচেয়ে বড় হিট ছিল এবং গানটি মুক্তির পর থেকেই জনপ্রিয়তা অর্জন করে। 

অভিজিৎ বলেন, এটা সমন খানের কেরিয়ারের সবচেয়ে বড় হিট গান ছিল। এটা মুক্তির পর থেকেই এই গান জনপ্রিয় ও ট্রেন্ডিংয়ে ছিল। বরুণের সমালোচনা করে গায়ক বলেন, অভিনেতা বেশিরভাগই সেকেন্ড-হ্যান্ড ফিল্ম করেছেন, বিশেষ করে রিমেক বা তাঁর বাবা ডেভিড ধাওয়ান পরিচালিত প্রজেক্ট থেকে অনুপ্রাণিত ছবিগুলো। তিনি সেই একই গান ব্যবহার করেন যেগুলো একসময় হিট ছিল। আমার গান ব্যবহার করে বরুণ ধাওয়ান সলমন খান হতে পারবেন না। 

অভিজিৎ আরও বলেন যে সলমন ও বরুণের মধ্যে বিস্তর পার্থক্য রয়েছে। গায়ক এরপর বলেন, আমার কণ্ঠটা ব্যবহার না করে একেবারে সঠিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এমনিতেও নতুন রিমেকটি ডান্স নাম্বারের চেয়ে বেশি ভজনের মতো শোনাচ্ছিল। যদিও বরুণের এই ছবির ঝলক মুক্তি অনুষ্ঠানে হাজির ছিলেন সলমন নিজেই। বরুণের প্রশংসাও করেন। বরুণকে নিয়ে আশাবাদী তাঁর বাবা ডেভিডও। তিনি জানান, বরুণ অভিনয় করছেন, ভবিষ্যতে আরও শিখবেন। কিন্তু মানুষ হিসাবে তিনি অতুলনীয়। আগামী ৫ জুন মুক্তি পাবে বরুণের 'হ্যায় জওয়ানী তো ইশক হোনা হ্যায়'।  

Advertisement

Read more!
Advertisement
Advertisement