Advertisement

West Bengal Assembly Election Result: 'এবার কি শিবির বদল করবেন?' বিজেপি জিততেই TMC-র তারকাদের কটাক্ষ জিতু-জয়জিতদের

এরকম প্রত্যাবর্তন অনেকেই আশা করেননি। ৪ মে-এর দিকে তাকিয়ে ছিলেন সাধারণ মানুষ থেকে রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বরাও। তেমনই সকাল থেকেই বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফলের দিকে তাকিয়ে ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিও।

বিজেপি জিততেই তৃণমূলের তারকাদের কটাক্ষ জিতু-অনিন্দ্যদেরবিজেপি জিততেই তৃণমূলের তারকাদের কটাক্ষ জিতু-অনিন্দ্যদের
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 04 May 2026,
  • अपडेटेड 7:25 PM IST
  • রাজ্যে প্রত্যাবর্তনের ঝড় উঠতেই টলিপাড়ার এক এক করে তারকারা সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করতে শুরু করেন।

এরকম প্রত্যাবর্তন অনেকেই আশা করেননি। ৪ মে-এর দিকে তাকিয়ে ছিলেন সাধারণ মানুষ থেকে রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বরাও। তেমনই সকাল থেকেই বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফলের দিকে তাকিয়ে ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিও। বেলা যত বাড়তে থাকে রাজ্যের একাধিক জায়গা থেকে বিজেপির এগিয়ে যাওয়ার খবর শোনা যেতে শুরু করে। তৃণমূলকে পিছনে ফেলে বিজেপি অনেকটাই এগিয়ে রয়েছে। রাজ্যে প্রত্যাবর্তনের ঝড় উঠতেই টলিপাড়ার এক এক করে তারকারা সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করতে শুরু করেন। 

সুদীপ্তা চক্রবর্তী
ভোটের রেজাল্ট সম্পূর্ণ আসার আগেই ইঙ্গিতপূর্ণ পোস্ট করেন সুদীপ্তা চক্রবর্তী। বরাবরই বাম মনোভাবাপন্ন সুদীপ্তা। যদিও তাঁকে কোনওদিন রাজনৈতিক মঞ্চে দেখা যায়নি। রাজ্য তথা রাজনীতি নিয়ে সব সময়ই ওয়াকিবহাল থাকেন অভিনেত্রী। আজকের গণনার ট্রেন্ডকে মাথায় রেখে তিনি বেশ ইঙ্গিতপূর্ণ একটি পোস্ট করলেন। সুদীপ্তা লেখেন, ফায়ার টু ফ্রাইং প্যান। সুদীপ্তার এই পোস্টকে অনেকেই সমর্থন করেছেন। 

জিতু কমল
টলিপাড়ার বিভিন্ন ইস্যু নিয়ে বরাবর সরব হয়েছেন জিতু। ঠোঁট কাটা হিসাবেই পরিচিত অভিনেতা। আর বিজেপি ঝড় উঠতেই জিতু ইন্ডাস্ট্রির পরিকাঠামো নিয়ে কথা বললেন অভিনেতা। আশা করি ফাটকা বাজার থেকে এবার বাংলা ইন্ডাস্ট্রি আবার ইন্ডাস্ট্রির তকমাটা ফিরে পাবে। এতদিন যে ভাবে একে-অপরের সঙ্গে সুক্ষ্মভাবে ঝামেলা লাগিয়ে, সেই ঝামেলা মেটানোর নাম করে এক লাখ দু লাখ টাকা আন্ডার টেবিলে চাইতেন,আশা করি সেটা আর নতুন নেতারা করবেন না। কী Indranil Roy দা, তাই না? শিল্পী-নেতা থেকে সমস্ত ইন্ডাস্ট্রির নেতাদের কাছে ফোন করে, দিনের পর দিন এসএমএস করে প্রচুর কাকুতি-মিনুতি করেছি,কেউ এগিয়ে আসে নি। উপরন্তু কিছু নিজস্ব পরিচিত সাংবাদিকদের লেলিয়ে দিয়েছেন আর তারাও বুঝে/না বুঝে আমার পেছনে পড়ে গেছেন।(একজন সাংবাদিক গিয়ে জিজ্ঞেস করেনি ফোরামে,যে জিতুর ব্যাপারটা নিয়ে আপনারা কত দূর এগোলেন) শেষে নিজের লড়াইটা নিজেকেই লড়তে হয়েছে। মাথায় রাখবেন আপনি/আমরাই পারি বদলাতে, আপনিই পারেন নিজের অধিকার বুঝে নিতে। জিতু এরপর আরও বলেন, নতুন সরকারের কাছে আবেদন জানাচ্ছি ইন্ডাস্ট্রিতে রাজনীতি ঢুকতে দেবেন না দয়া করে। জানি কিছু পাল্টিবাজ, হিংস্র অভিনেতারা পাল্টি খেয়ে আপনাদের কাছে ভালো সাজার নাটক করবে, তবুও আপনারা ভেবে দেখবেন। বলুন তো,কী করে একজন করাপ্টেড মানুষ, যোগ্যতা না থাকা সত্ত্বেও, যোগ্য মানুষের চাকরি নিজের নামে করে?? আবার সেই রকম মানুষ ফোরামের এক্সিকিউটিভ কমিটিতে বসে থাকেন দিনের পর দিন এবং কলকাঠি নেড়ে চলেন। কেন? ইন্ডাস্ট্রির মাথারা এগুলো জানতেন না?? ফোরাম পলিটিক্যাল! এই মিথ্যে কথাটা বলবেন না। সব দলের প্রতিনিধিরা ওখানে আছে সেটা আমরাও জানি কিন্তু তাদের কতটুকু বলতে দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়। রইল বাকি “এখনকার” আর্টিস্ট ফোরামের বামপন্থী প্রতিনিধিরা! তারা ধান্দা ছাড়া কিচ্ছু বোঝেনা। আমি কী অন্যায় করেছিলাম, ওই প্রতীকী প্রতিবাদ করে ?? যার সব থেকে বেশি বিরুদ্ধচারণ করেছেন ফোরামের বামপন্থী প্রতিনিধিরাই।  “চার তারিখের পর আমাকে বুঝে নেবেন” এই কথাও আমার কানে এসেছে। সত্যি কথা বলবো,চার তারিখের পর যদি আপনারা ক্ষমতাতেও আসতেন আমাকে আপনারা কিসুই বুঝতে পারতেন না। কারন আমি,আপনাদের মতো কাপুরুষ,বর্বর, মিথ্যাবাদী, পাল্টিবাজ নই।

Advertisement

অনিন্দ্য চট্টোপাধ্যায়
ইন্ডাস্ট্রির চেনা মুখ অনিন্দ্য চট্টোপাধ্যায়। টেলিভিশন, বড়পর্দা, ওটিটি প্ল্যাটফর্মে কাজ করেছেন। তিনিও সরাসরি বাংলার শাসক দলকেই কটাক্ষ করে পোস্ট করেন। অনিন্দ্য লিখলেন, গত ১৫ বছরের অভিনয় জীবনে শাসক দলের হয়ে স্টেজে ওঠার উত্তেজনা সম্বরণ করেছি, ওই লবিতে থাকলে হয়ত জীবনটা হয়তো আর একটু সিকিওর হত, আরও কাজের পরিধি বাড়তে পারত । ব্যাংক ব্যালেন্সের কথা না ভেবে স্ট্রাগল বেছে নেওয়া আমার মতন কিছু মুষ্টিমেয় অভিনেতারা যাতে শুধু নিজের কাজের প্রতি বিশ্বাস রেখে মাথা উঁচু করে ভবিষ্যতেও কাজ করতে পারি, এটুকুই আশা রাখব। 

ঋতুপর্ণা সেন
টলিপাড়ার ঋ তথা ঋতুপর্ণাও এই সুযোগকে কাজে লাগাতে পিছুপা হননি। দল বদল করা তারকাদের কটাক্ষ করে নিজের সোশ্যাল মিডিয়া পেজে ঋ লিখলেন, এবার কি অন্য পার্টি জয়েন করবে আর্টিস্টরা? কর্মী হিসাবে। আরও একটি পোস্টে ঋ লেখেন, মানুষ ভাল করে খেলা দিয়েছে। চোরগুলো কোরাপ্ট কোথাকার। 

রূপালী ভট্টাচার্য
টেলিপাড়ার চেনা মুখ রূপালী ভট্টাচার্য। একাধিক রাজনৈতিক ইস্যু নিয়ে অভিনেত্রীকে বরাবরই সরব হতে দেখা যায়। নতুন সরকার আসার ইঙ্গিত পেতেই রূপালী লিখলেন, এত বছর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় হয় শিল্পী কিনে অথবা নিজের দলের কাটমানি দালালদের লেলিয়ে দুবৃত্তায়ন করে অভিনয় জগৎ দখল করে রেখেছিল। নতুন সরকার এসে আমরা যারা অভিনয় করতে চাই এবং যোগ্য তারা যোগ্যতা অনুযায়ী কাজ করতে পারব নাকি এরাও তৃণমূলের রাস্তায় হাঁটবে সেটাই দেখার। আমরা শিল্পী আমরা সেই সম্মান দাবী করি যে কোনও সরকারের কাছেই । এটা আমাদের গণতান্ত্রিক অধিকার। 

জয়জিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়
অভিনেতা জয়জিৎ বন্দ্যোপাধ্যায় বিভিন্ন বিষয় নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে থাকেন। এবারেও তার ব্যতিক্রম হল না। জয়জিৎ লিখলেন, আচ্ছা এবার সেই অভিনেতা অভিনেত্রীরা কি করবে যারা tmc হয়ে bjp ঘুরে আবার tmc-তে ফিরে এসেছে? আবার পাল্টি খাবে?

অরিত্র দত্ত বণিক
যখনই অন্যায় দেখেছেন তখনই সোশ্যাল মিডিয়ায় অরিত্রর পোস্ট ঝড় তুলেছে। একেবারে নিজের মতো থাকতেই পছন্দ করেন অরিত্র। কোনও দলকেই সেভাবে তোয়াক্কা করেন না এক সময়কার শিশুশিল্পী। এই বছর বামেরা খাতা খুলেছে। ডোমকল থেকে জয়ী হয়েছে সিপুএম। আর এই জয়ে খুশি হয়ে অরিত্র লেখেন, তৃণমূল বিজেপির অশান্তিতে সিপিএম কিন্তু "০" এর অভিশাপ থেকে বেরিয়ে ১ এ এসেছে। দুই শক্তিশালী দলের এই ভয়ানক লড়াইতেও টিকে থেকে জয়লাভের জন্যে ডোমকলের সিপিএমের প্রার্থী মোস্তাফিজুর রহমান(রানা)কে অভিনন্দন। আগামীতে তারা আরও ভালো ফল করুক সেই শুভেচ্ছা থাকবে। 

   

   

Advertisement
Read more!
Advertisement
Advertisement