Advertisement

Asha Bhosle Top 10 Bengali Song: 'আর কত রাত' থেকে 'বিবি পায়রা', আজও জনপ্রিয় আশা ভোঁসলের যে ১০টি গান

তিনি নেই তবে তাঁর গান আজীবন শ্রোতাদের মনে জায়গা করে নিয়েছে। মিলেনিয়াম থেকে GEN-Z সব প্রজন্মের কাছেই আশা ভোঁসলের গান এক আলাদা স্থানে রয়েছে। আজও কালীপুজো কিংবা দুর্গাপুজোর প্যান্ডেলে আশাজির গাওয়া গান বাজতে দেখা যায়। তাঁকে সেই সময়কার পেপি সং-এর কুইন বলা হতো। হিন্দি, মারাঠি ভাষা থেকে একাধিক ভাষায় তাঁর হিট গানের সংখ্যা বলে শেষ করা যাবে না।

আশার কন্ঠে গাওয়া হিট বাংলা গানআশার কন্ঠে গাওয়া হিট বাংলা গান
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 12 Apr 2026,
  • अपडेटेड 2:01 PM IST
  • তিনি নেই তবে তাঁর গান আজীবন শ্রোতাদের মনে জায়গা করে নিয়েছে।

তিনি নেই তবে তাঁর গান আজীবন শ্রোতাদের মনে জায়গা করে নিয়েছে। মিলেনিয়াম থেকে GEN-Z সব প্রজন্মের কাছেই আশা ভোঁসলের গান এক আলাদা স্থানে রয়েছে। আজও কালীপুজো কিংবা দুর্গাপুজোর প্যান্ডেলে আশাজির গাওয়া গান বাজতে দেখা যায়। তাঁকে সেই সময়কার পেপি সং-এর কুইন বলা হতো। হিন্দি, মারাঠি ভাষা থেকে একাধিক ভাষায় তাঁর হিট গানের সংখ্যা বলে শেষ করা যাবে না। তবে বাংলা গানের ক্ষেত্রেও তাঁর অবদান নেহাত কম নয়। বাংলা সিনেমায় তাঁর গাওয়া একাধিক গান বর্তমান যুগে দাঁড়িয়েও সমানভাবে জনপ্রিয়। দেখে নেওয়া যাক আশা ভোঁসলের গাওয়ার ১০টি হিট গানের তালিকা। 

১) আর কত রাত একা থাকব (চোখের আলোয়)
২) কথা হয়েছিল (ত্রয়ী)  
৩) তোমারি চলার পথে (একান্ত আপন)
৪) গা ছম ছম কি হয় (দেবীবরণ)
৫) এমন মধুর সন্ধ্যায় (একান্ত আপন)
৬)মন বলছে কেউ আসবে (আপন আমার আপন)
৭) চোখে চোখে কথা বল (আজ দুজনে অ্যালবাম)
৮)ফিরে এলাম দূরে গিয়ে (Melodious 80s of Asha Bhosle)
৯) মাছের কাঁটা খোঁপার কাঁটা (মনে পড়ে রুবি রায় অ্যালবাম)
১০)প্রেম কিসে হয় (দোলন চাঁপা) 

এই ১০ হিট গান ছাড়াও আশার কন্ঠে গাওয়া আরও বাংলা গানগুলি হল হায় রে কালা, তুমি যে আমার, চোখে নামে বৃষ্টি, আর কী তোমায় ছাড়ছি, গুন গুন করে মন, শোনো শোনো আজ কেনো, বাঁশি শুনে কী ইত্যাদি। রবিবারই শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন আশা ভোঁসলে। শোকস্তব্ধ গোটা দেশ। শনিবার, ১১ এপ্রিল বিকেলেই তাঁকে ব্রিচ ক্যান্ডি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। প্রাথমিক সূত্রে খবর মেলে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়েছেন তিনি। এদিন নিজের বাড়িতেই ছিলেন কিংবদন্তি প্লেব্যাক গায়িকা। কার্ডিয়াক অ্যারেস্ট হওয়ার পরই তড়িঘড়ি নিয়ে যাওয়া হয় হাসপাতালে। ১৯৩৩ সালের ৮ সেপ্টেম্বর জন্ম আশা ভোঁসলের। তিনি প্রয়াত কিংবদন্তী সঙ্গীতশিল্পী লতা মঙ্গেশকরের বোন। বাড়িতে গানের পরিবেশেই বড় হয়েছেন তাঁরা। ১৯৪৮ সালে 'চুনারিয়া' সিনেমার 'সাওয়ান আয়া' গান দিয়ে বলিউডে অভিষেক হয় তাঁর। এর আগে মারাঠি ভাষায় গান গেয়েছিলেন তিনি।

Advertisement

হিন্দি সিনেমায় আশার উত্থান কোনও গল্পের চেয়ে কম কিছু নয়। পঞ্চাশের দশকটি নতুন মহিলাকণ্ঠের পক্ষে মোটেই খুব মসৃণ ছিল না বলিউডে। প্লেব্যাক গায়িকা হিসেবে তখন মধ্যগগনে বিরাজ করছেন শামসদ বেগম, গীতা দত্ত এবং উদীয়মানা শিল্পী হিসেবে তাঁরই সহোদরা লতা মঙ্গেশকর। ১৯৫২ সালে ‘সঙ্গদিল’ ছবিতে ওপি নাইয়ারের সুরে ‘ছম ছমাছম’ গানটিই ছিল তাঁর কেরিয়ারের প্রথম সীমানা পেরোনো। এর পর ১৯৫৩-এ বিমল রায়ের ‘পরিণীতা’ এবং ১৯৫৪-এ রাজ কপূরের ‘বুট পলিশ’। গীতা দত্ত বা লতা মঙ্গেশকরের পরেই তাঁর নামটি উচ্চারিত হতে শুরু করে ইন্ডাস্ট্রিতে। ১৯৫৭-য় বি আর চোপড়ার ছবি ‘নয়া দৌড়’-এ ফের ওপি নাইয়ারের সঙ্গে কাজ।গোটা ষাটের দশক জুড়ে একের পর এক জনপ্রিয় ছবিতে জনপ্রিয় গান। ‘ধুল কা ফুল’, ‘গুমরাহ্‌’, ‘হমরাজ’। ওপি নাইয়ারের এক বিশেষ স্টাইলের সঙ্গে নিজেকে মিলিয়ে ফেলতে পেরেছিলেন আশা। নাইয়ার সাহেবের বেশির ভাগ গানেই থাকত ঘোড়ার গাড়ির দৌড়ের মতো আবহ। তাতে আশার কণ্ঠের কুহক মিশে এক নতুন রসায়ন সৃষ্টি করত, সে বিষয়ে সন্দেহ নেই।

১৯৬৬ সালে শচীন দেব বর্মনের নজরে পড়েন গায়িকা। শুরু হয় নতুন অধ্যায়। বিজয় আনন্দ পরিচালিত মিউজিক্যাল থ্রিলার ‘তিসরি মঞ্জিল’-এ রাহুল দেব বর্মণের সুরে প্লেব্যাক করেন আশা। মহম্মদ রফির সঙ্গে ‘ও মেরি সোনা রে’, ‘ও হাসিনা জুলফোঁওয়ালি জানে জাহাঁ, ‘আ যা আ যা ম্যাঁয় হুঁ প্যার তেরা’ গোটা দেশের মানুষের ঠোঁটস্থ তখন। সুইং, রকাবিলি, রক অ্যান্ড রোল...এই ধরনের গানে আশাকে টক্কর দেওয়া ছিল মুশকিল। দেশের পাশাপাশি আঞ্চলিক ভাষাতেও সমানে গেয়ে গিয়েছেন গান। রাহুল দেবের সুরে তাঁর গাওয়া বাংলা গানগুলি ছাড়া আজও পুজো প্যান্ডেল অচল। ‘কিনে দে রেশমি চুড়ি’, ‘আজ যাই, আসব আরেক দিন’ বা ‘একটা দেশলাই কাঠি জ্বালাও’ আজও বাঙালির কানে চির নতুন। 

Read more!
Advertisement
Advertisement