Advertisement

Swarup Biswas: 'ছোট বোন মনে করে মাফ করবেন', স্বরূপের বিরুদ্ধে কেস তুললেন সেই মহিলা

মেকআর আর্টিস্ট-এর কথায়, কারা আমাকে দিয়ে এসব করিয়েছিল, সেসব নাম আমি বলছি না। ঝামেলা অশান্তি আমি আর চাই না, শুধু শান্তিতে কাজ করতে চাই। আমার জন্য স্বরূপ বিশ্বাস অকারণে জেল খেটেছেন। কিছু না করেই এত বড় একটা বদনাম ওনার হয়েছে। আমি তার জন্য স্বরূপ বিশ্বাসের কাছে হাতজোড় করে ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি।

স্বরূপ বিশ্বাসস্বরূপ বিশ্বাস
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 08 Aug 2026,
  • अपडेटेड 2:36 PM IST
  • 'জুনিয়র বিশ্বাস ব্রাদার্স'-এর বিরুদ্ধে একটা সময় সরব হয়েছিলেন টলিপাড়ার এক মেকআপ শিল্পী।

'জুনিয়র বিশ্বাস ব্রাদার্স'-এর বিরুদ্ধে একটা সময় সরব হয়েছিলেন টলিপাড়ার এক মেকআপ শিল্পী। ফেডারেশনের প্রাক্তন সভাপতি স্বরূপ বিশ্বাসের কুকীর্তির কথা সহ অশালীন আচরণ, খুনের চেষ্টার অভিযোগ করেছিলেন পুলিশের কাছে। গ্রেফতারও হন স্বরূপ বিশ্বাস। আর ঠিক দুমাসের মাথাতেই ভোল বদলে নিলেন সেই মেকআপ শিল্পী সিমরন পাল। সোশ্যাল মিডিয়ায় ভিডিও পোস্ট করে জানালেন যে স্বরূপ বিশ্বাসের বিরুদ্ধে করা কেস তিনি তুলে নিয়েছেন। মেকআপ আর্টিস্টের এই সিদ্ধান্তে হতবাক টলিপাড়া। 

প্রসঙ্গত, গত ৪ জুন এই সিমরন পালের করা একাধিক অভিযোগের ভিত্তিতে গ্রেফতার করা হয়েছিল ফেডারেশনের প্রাক্তন সভাপতিকে। যা নিয়ে সেই সময় কম শোরগোল হয়নি। একের পর এক বিস্ফোরক অভিযোগ এনেছিলেন মহিলা মেকআপ শিল্পী। তবে এবার সম্পূর্ণ অবস্থান বদল করে সিমরান দাবি করলেন, স্বরূপ বিশ্বাস তাঁর সঙ্গে কোনো রকম অশালীন আচরণই করেননি! সিমরান নিজের ভুল স্বীকার করে নিয়েছেন এবং স্বরূপ বিশ্বাসের কাছে প্রকাশ্যে ক্ষমা চেয়েছেন। সিমরন তাঁর ভিডিওতে এসে বলেন, ৪ জুন আমার অভিযোগের ভিত্তিতে স্বরূপ বিশ্বাস গ্রেফতার হলেন। কিন্তু বিশ্বাস করুন আমার যার সঙ্গে বাদ-বিবাদ ছিল, সেই বাপি মালাকার, আমাদের গিল্ড সেক্রেটারি এবং শান্তনু দে, এই দুজনকে নিয়ে আমার ঝগড়া-অশান্তি, বিবাদ এদের সঙ্গে ছিল। 

সিমরন দাবি করেন যে এর মধ্যে স্বরূপ বিশ্বাস কীভাবে চলে এল, তিনি বুঝতে পারছেন না। তিনি আরও বলেন, কিছু মানুষের প্ররোচনায় এবং কেউ একজন আমায় এই অভিযোগ স্বরূপ বিশ্বাসের বিরুদ্ধে আনতে বলেছিল। আমি তাদের কথায় নেচে এই কথাগুলো আমি বলেছিলাম। অভিযোগে আমি কখনও এটা বলিনি যে স্বরূপ বিশ্বাস আমাকে শ্লীলতাহানি করেছে। এমনকী মেকআপ আর্টিস্ট এও দাবি করেছেন যে পুলিশের কাছে যে অভিযোগ জমা দেওয়া হয়, সেই অভিযোগপত্রের হাতের লেখাও তাঁর নয়। অভিযোগপত্রে সইটা তাঁকে দিয়ে জোর করে করানো হয়েছে। সিমরন এও জানান যে তাঁর সঙ্গে স্বরূপ বিশ্বাসের কোনও ব্যক্তিগত শত্রুতা নেই। দীর্ঘ ভিডিওর ক্যাপশনে সিমরন লেখেন, স্বরূপ বিশ্বাসের বিরুদ্ধে করা কেস তুলে নিয়েছি। কারণ স্বরূপ বিশ্বাস আমার শ্লীলতাহানি করেননি। ওনার সঙ্গে আমার কোনোদিন সামনাসামনি কথাই হয়নি। কিছু মানুষের প্ররোচনায়, তাদের ভুল বোঝাবুঝিকে বিশ্বাস করে আমি এই কাজ করেছিলাম। যেদিন সবটা বুঝেছি, সেদিন থেকে চেষ্টা করেছি কেস তুলে নেওয়ার। ভয়ের চোটে পারিনি। ফাইনালি সাহস করে কেস তুলে নিলাম। যা হয় হবে, আমার তো আর নতুন করে কিছু হারানোর নেই।

Advertisement

মেকআর আর্টিস্ট-এর কথায়, কারা আমাকে দিয়ে এসব করিয়েছিল, সেসব নাম আমি বলছি না। ঝামেলা অশান্তি আমি আর চাই না, শুধু শান্তিতে কাজ করতে চাই। আমার জন্য স্বরূপ বিশ্বাস অকারণে জেল খেটেছেন। কিছু না করেই এত বড় একটা বদনাম ওনার হয়েছে। আমি তার জন্য স্বরূপ বিশ্বাসের কাছে হাতজোড় করে ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি। পারলে ছোটো বোন মনে করে আমাকে মাফ করে দেবেন। আপনার সঙ্গে খুব অন্যায় হয়েছে। আর আপনার যে ঘরশত্রু বিভীষণ অবস্থা, সে তো এখন ইন্ডাস্ট্রিতে সবাই জানে।

গত ৪ জুন রাতে গ্রেফতার হন ৷ ৫ জুন তাঁকে আলিপুর আদালতে পেশ করা হয়। শ্লীলতাহানি, তোলাবাজি ও অস্ত্র আইনে একাধিক জামিন অযোগ্য ধারায় মামলা রুজু করে তাঁকে পুলিশ হেফাজতে পাঠানো হয়। তারপর প্রায় এক মাস সংশোধনাগারে থাকার পর জুলাই মাসের ১৮ তারিখে জামিনে মুক্তি পান ফেডারেশনের প্রাক্তন সভাপতি। আলিপুর আদালতে বিভিন্ন শর্ত সাপেক্ষে জামিন পান তিনি। ফলে, সিমরনের এমন মন্তব্য আসার পর, এই সময়ে দাঁড়িয়ে আরও একটা প্রশ্ন থেকেই যায় যে, কার প্ররোচনায় তিনি সেদিন এমন মিথ্যা অভিযোগ করেছিলে আর কার কথাতেই মামলা তুলে নিলেন ? অর্থাৎ টলিউডে পাল্টে গেল খেলা। কী হবে এরপর?     
 

Read more!
Advertisement
Advertisement