Advertisement

Piya Sengupta Row: 'EIMPA রাজনৈতিক পার্টি অফিস হয়ে গেছে', পিয়ার বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরালেন বিরোধী প্রযোজক শতদীপ

বাংলায় পদ্মফুল ফুটতেই তার প্রভাব পড়েছে বাংলা ইন্ডাস্ট্রিতেও। অনেক টলিউড তারকাই সুর বদল করে ফেলেছেন ইতিমধ্যেই। এরই মাঝে কয়েকদিন ধরেই EIMPA-র অন্দরে চলছে অশান্তি। সংগঠনের সভাপতি পদ থেকে পিয়া সেনগুপ্তকে পদত্যাগ করার দাবি জানিয়েছেন প্রযোজক-পরিবেশকের একাংশ।

বাংলা ইন্ডাস্ট্রির মধ্যে কী চলছে?বাংলা ইন্ডাস্ট্রির মধ্যে কী চলছে?
মৌমিতা ভট্টাচার্য
  • কলকাতা,
  • 11 May 2026,
  • अपडेटेड 5:32 PM IST
  • বাংলায় পদ্মফুল ফুটতেই তার প্রভাব পড়েছে বাংলা ইন্ডাস্ট্রিতেও।

বাংলায় পদ্মফুল ফুটতেই তার প্রভাব পড়েছে বাংলা ইন্ডাস্ট্রিতেও। অনেক টলিউড তারকাই সুর বদল করে ফেলেছেন ইতিমধ্যেই। এরই মাঝে কয়েকদিন ধরেই EIMPA-র অন্দরে চলছে অশান্তি। সংগঠনের সভাপতি পদ থেকে পিয়া সেনগুপ্তকে পদত্যাগ করার দাবি জানিয়েছেন প্রযোজক-পরিবেশকের একাংশ। যদিও পরিবেশক শতদীপ সাহার মতে, তাঁদের এই দাবির পক্ষে আছেন ব্যস্ত, নামী দামী আরও অন্যান্য প্রযোজকও। EIMPA ও পিয়া সেনগুপ্তকে নিয়ে একাধিক অভিযোগের কথা bangla.aajtak.in-এর কাছে তুলে ধরলেন শতদীপ সাহা। 


EIMPA নিয়ে কী কী অভিযোগ রয়েছে? এ প্রসঙ্গে শতদীপ বলেন, দুর্নীতিমুক্ত ও রাজনীতি মুক্ত সংগঠন চাই। যবে থেকে পলিটিক্স ঢুকে গেছে এই সংগঠনে তবে থেকে এটা রাজনৈতিক পার্টি অফিসের মতো হয়ে গেছে। এরা যেরকম ওপর থেকে নির্দেশ পায় সেভাবে কাজ করে। কোনও স্বাধীনতা নেই, যে কোনও সিনেমার মুক্তির দিন এরা ঠিক করে, শিল্পীদের ব্যান করে দিচ্ছে, পরিচালকদের ব্যান করে দিচ্ছে। যা ইচ্ছে তাই করছে, এদের যেরকম সুবিধা, এরা সেভাবেই কাজ করছে। সেন্সরের নাম করে, এনওসি দেওয়ার নাম করে টাকা নিচ্ছে। শ্যুটিং হবে, তার আগে ওরা জানে শ্যুটিং হবে, টেকনিশিয়ানদের বারণ করছে কাজ না করতে, টাকা পেলে কাজ করতে বলছে। এই ধরনের বিভিন্ন অভিযোগ আসছিল। এছাড়াও ইমপা সভাপতির বিরুদ্ধে টাকা নয়ছয়ের অভিযোগও আসছে। তাই আমরা স্বচ্ছ সংগঠন চাইছি এবং পিয়া সেনগুপ্তের পদত্যাগ দাবি করছি।  

শতদীপ এও বলেন, সভাপতির পদ ছাড়তে চাইছেন না পিয়া। উনি সবচেয়ে বেশি ঘনিষ্ঠ বিশ্বাস ব্রাদার্সদের (অরূপ ও স্বরূপ বিশ্বাস)। ওঁনারাও বেরিয়ে যাচ্ছেন পুরো বিষয়টা থেকে। পিয়া সেনগুপ্তই তো নিয়ে এসেছেন এঁদেরকে। এখন ওঁনারা চলে যাচ্ছেন আর উনি চেয়ার আঁকড়ে পড়ে আছেন, সেটা কী করে হবে? পিয়ার ছেলে তথা অবিনেতা বনি তাঁর মায়ের গায়ে হাত তোলার অভিযোগ এনেছেন শতদীপের বিরুদ্ধে। এ নিয়ে পরিবেশক ও প্রযোজক বলেন, হ্যাঁ, আমর বিরুদ্ধে গায়ে হাত তোলার অভিযোগ এনেছেন বনি। তবে জানা যায় সেটা সাম্প্রতিক নয়, পাঁচ বছর আগের। তাহলে পিয়া সেনগুপ্ত কেন এতদিন চুপ ছিলেন? আর আমি গায়ে হাত তুলেছি কি তুলিনি, তা আমার চেয়ে বেশি আমার আশেপাশের লোক বলতে পারবে বেশি। শতদীপ বনিকে নিয়ে আরও বলেন,  এই মহিলা সেন্টিমেন্ট দিয়ে মাকে ধরে রাখা, ক্ষমতা ধরে রাখা এটা চলতে দেওয়া যাবে না। পিয়া সেনগুপ্ত ক্রমাগত মিথ্যে বলে যাচ্ছেন যে ওঁনার নামে কোনও অভিযোগ নেই। উনি আসার পর বাংলা সিনেমার কী কী উন্নতি হয়েছে, তা উনি পয়েন্ট করে দিক না। প্রত্যেকটা জিনিস মিথ্যে, যা অরূপ ও স্বরূপ বিশ্বাস বলতেন উনি সেটাই করতেন। ওঁনার কিছু করার ক্ষমতাই নেই। 

Advertisement

এসএসআর সিনেমার কর্ণধার শতদীপ বলেন, EIMPA-ফেডারেশনের দাদাগিরিতে সবাই ভুক্তভোগী। কেউ বিরোধী হলেই তাঁকে ব্যান করা হত ইন্ডাস্ট্রি থেকে। নন্দনে শো দিতেন না এঁরা। রুদ্রনীল, মিঠুন চক্রবর্তী বা রূপা গঙ্গোপাধ্যায়, সকলের ছবির ক্ষেত্রেই নন্দনে শো দেওয়া বন্ধ করে দেওয়া হয়। এই রাজনীতি কেন ইন্ডাস্ট্রির মধ্যে ঢুকবে? আমরা চাই ইন্ডাস্ট্রিতে শুধু সিনেমার লোকেরা থাকুক। আর এখানে যে কোনও রাজনীতির সঙ্গে শিল্পীরা যুক্ত থাকতে পারেন, সেটা গুরুত্বপূর্ণ নয়। কে কতটা যোগ্য আর কে কতটা অযোগ্য সেটা গুরুত্বপূর্ণ। সংগঠনগুলিতে এতদিন অযোগ্যরা বসেছিলেন। তিনি বলেন, সিনেমা ইন্ডাস্ট্রি তলানিতে চলে গেছে, কটা সিনেমা প্রোডাকশনে আছে এখন, খালি শ্যুটিং বন্ধ করে দেয়। বাইরের কাজ আসা বন্ধ হয়ে গেছে কলকাতায়। এগুলো নিয়ে কোনও মাথাব্যথা নেই, ওরা টেকনিশিয়ান নিয়ে পড়ে আছে। কাজ বাড়লে টেকনিশিয়ানদেরও কাজ বাড়বে। তাদের কাজ তো বাড়ছে না। ১৬ মে অল সেক্টর বৈঠক ডেকেছি ইমপা বিল্ডিংয়ে, সেখানেই পরবর্তী পদক্ষেপ কী করব সিদ্ধান্ত নেব। তার মধ্যে যদি পিয়া সেনগুপ্ত সভাপতির পদ ছেড়ে দিলেন তখন আবার অন্য কিছু ভাবা যাবে।  

Read more!
Advertisement
Advertisement