Advertisement

Pooja Bhatt Controversy: 'নগ্ন ছিলাম না আমি', ১৯৯৩ সালের বিতর্কিত ফটোশ্যুট নিয়ে মুখ খুললেন পূজা

বলিউড অভিনেত্রী ও পরিচালক পূজা ভাটের ব্যক্তিগত জীবন শুধুই বিতর্কে ভরা। বাবা মহেশ ভাটের সঙ্গে লিপ কিস থেকে শুরু করে অভিনেত্রীর বোল্ড বডিপেইন্ট ফটোশ্যুট, সবটা ঘিরেই সেই সময়ে ছিল বিতর্ক। নব্বই দশকের এই নায়িকার অভিনয় সর্বদাই প্রশংসা পেয়েছে দর্শকের কাছে।

পূজা ভাট ছবি বিতর্কপূজা ভাট ছবি বিতর্ক
Aajtak Bangla
  • মুম্বই,
  • 31 May 2026,
  • अपडेटेड 3:20 PM IST
  • বলিউড অভিনেত্রী ও পরিচালক পূজা ভাটের ব্যক্তিগত জীবন শুধুই বিতর্কে ভরা।

বলিউড অভিনেত্রী ও পরিচালক পূজা ভাটের ব্যক্তিগত জীবন শুধুই বিতর্কে ভরা। বাবা মহেশ ভাটের সঙ্গে লিপ কিস থেকে শুরু করে অভিনেত্রীর বোল্ড বডিপেইন্ট  ফটোশ্যুট, সবটা ঘিরেই সেই সময়ে ছিল বিতর্ক। নব্বই দশকের এই নায়িকার অভিনয় সর্বদাই প্রশংসা পেয়েছে দর্শকের কাছে। তবে বলিউডে আত্মপ্রকাশ করার পর থেকেই নানা বিতর্কে থাকতে দেখা গিয়েছে নায়িকাকে। নিজের কেরিয়ারের প্রথমদিকে এক সাহসী কাণ্ড করে চর্চিত হয়েছিলেন পূজা। সেই সময় এক ম্যাগাজিনের কভারের জন্য বডি পেইন্ট করিয়েছিলেন, যা নিয়ে বেশ বিতর্ক হয়। বিবস্ত্র হয়ে ক্যামেরার সামনে পোজ দেন। এবার তা নিয়েই মুখ খুললেন পূজা। 

কাদের থেকে এসেছিল পূজার কাছে প্রস্তাব
এক সাক্ষাৎকারে পূজা এ প্রসঙ্গে বলেন যে এই ফটোশ্যুট করানোর প্রস্তাব তাঁর কাছে আসে সাংবাদিক দিনেশ রহেজা ও জনপ্রিয় ফটোগ্রাফার জগদীশ মালির কাছ থেকে। পূজা জানান যে এই ফটোশ্যুটের কারণে তাঁকে আলোচনার কেন্দ্রে থাকতে হয়েছে বহুদিন, অপরদিকে অভিনেত্রী প্রচুর প্রশংসাও পেয়েছিলেন। পূজা বলেন, আমার কাছে এই ফটোশ্যুট কখনই বিতর্কিত ছিল না। দীনেশ রহেজা, যাঁকে আমি এখনও অনেক শ্রদ্ধা করি, তিনি আমাকে ডেমি মুরের ভ্যানিটি ফেয়ার ম্যাগাজিনের কভারের একটি ছবি দেখিয়েছিলেন। 

রাজি হন নায়িকা
অভিনেত্রী বলেন, আমার কভার ছবিটি দারুণ লেগেছিল। এরপর দীনেশ ও জিতু আমার কাছে এসে বলেন যে তাঁরা একই ধরনের কিছু করতে চান। তাঁরা জিজ্ঞেস করেন আমি প্রস্তুত কি না। আমি সঙ্গে সঙ্গে হ্যাঁ বলে দিই। যখন আমি জিজ্ঞেস করি বডি পেইন্টিং কে করবে, তখন তাঁরা বলেন আন্না সিং করবেন।

 

ছবি সৌজন্যে: ফেসবুক

ফটোশ্যুট হয় রাতে
পূজা বলেন যে তিনি সেই সময় 'ফির তেরি কাহানি ইয়াদ আয়ি' ছবির শ্যুটিং করছিলেন। তেরে দর পর সনম গানের শ্যুটিং শেষ হওয়ার পর রাতে ওই ফটোশ্যুট হয়। পূজা বলেন, সেদিন রাত সাড়ে ৯টার দিকে আমার কাজ শেষ হয়েছিল। এরপর আমি জগদীশ মালির বাড়িতে গিয়েছিলাম। সেখানে আমার শরীরে রং করা হয়েছিল এবং ফটোশ্যুট হয়। শুট শেষ হওয়ার পর আমি ব্যাপারটা পুরোপুরি ভুলে গিয়েছিলাম। কিন্তু যখন ম্যাগাজিনটি বাজারে এলো, তখন তা নিয়ে তোলপাড় হয়। পূজা বলেন, ম্যাগাজিনটি প্রকাশিত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে তা নিয়ে বিশাল আলোচনা হতে শুরু করে। কিন্তু ঠিক সেই সময়েই মুম্বইতে বোমা বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। যার কারণে আমার বিষয়টি ধামাচাপা পড়ে যায়। 

Advertisement
ছবি সৌজন্যে: ফেসবুক

বিতর্ক
এই ফটোশ্যুট নিয়ে বহুদিন ধরে একটি তথ্য উঠে এসেছিল যে পূজা বডি পেইন্টিংয়ের সময় একদম নগ্ন ছিলেন। কিন্তু পূজা এ প্রসঙ্গে বলেন, আমি ওই ছবিতে নগ্ন ছিলাম না। কভারে ডেমি মুরের 'বার্থডে স্যুট' বলতে বোঝানো হয়েছে যে তিনি প্যান্টের নিচে নগ্ন ছিলেন। কিন্তু আমার ক্ষেত্রে ব্যাপারটা তেমন ছিল না। আমি অন্তর্বাস পরেছিলাম। আমাদের সীমা কোথায় ছিল তা আমরা পরিষ্কারভাবে জানতাম এবং তা অতিক্রম করিনি। পূজা স্বীকার করেন যে সেই সময়ে এই তাঁর এই পদক্ষেপ যথেষ্ট সাহসী বলে মনে হলেও, বিতর্কের সৃষ্টি করা তাঁর উদ্দেশ্য ছিল না। যদিও সেই সময় দাঁড়িয়ে যথেষ্ট সাহসের সঙ্গে সে কাজ করেন বলেই মনে করেন মহেশ-কন্যা।

Read more!
Advertisement
Advertisement