Advertisement

Rahul Banerjee Zubeen Garg: আশ্চর্য! 'পিয়া রে...' গানের গায়ক ও নায়কের মৃ্ত্যুতে কত মিল? তারিখগুলিও...

'পিয়া রে' গানের গায়ক ও নায়ক। একজন জুবিন গর্গ আর অপরজন রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়। একজন সিঙ্গাপুরে শো করতে গিয়ে জলে ডুবে মারা গেলেন। তালসারির সুমদ্রে তলিয়ে গিয়ে মৃত্যু হল অপরজনের। এ এক আশ্চর্য সমাপতন।

জুবিন গর্গ, রাহুল বন্দ্যোপাধ্যায় জুবিন গর্গ, রাহুল বন্দ্যোপাধ্যায়
Aajtak Bangla
  • কলকাতা ,
  • 30 Mar 2026,
  • अपडेटेड 3:13 PM IST
  • আশ্চর্য মিল 'পিয়া রে' গানের গায়ক ও নায়কের
  • জুবিন ও রাহুল, দু'জনেরই মৃত্যু হল জলে ডুবে
  • বয়সের ফারাক, মৃত্যুর তারিখে আশ্চর্য মিল দু'জনের

'এই পথে আজ আছি একই সাথে...'। একই পথের পথিক হলেন 'চিরদিনই তুমি যে আমার' সিনেমার 'পিয়ে রে' গানটির গায়ক ও নায়ক। একজন জুবিন গর্গ আর অপরজন রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়। একজন সিঙ্গাপুরে শো করতে গিয়ে জলে ডুবে মারা গেলেন। তালসারির সুমদ্রে তলিয়ে গিয়ে মৃত্যু হল অপরজনের। অদ্ভূত সমাপতনের সাক্ষী রইল বিনোদন জগৎ। 

২০০৮ সালে মুক্তি পেয়েছিল রাজ চক্রবর্তী পরিচালিত অসমাপ্ত প্রেমকাহিনী 'চিরদিনই তুমি যে আমার'। অভিনেতা রাহুলের লিপেই ছিল জুবিনের হিট গান, 'পিয়া রে'। নবাগত রাহুলের সাবলীল অভিনয়ের সঙ্গে জুবিন গর্গের জাদুকরী কণ্ঠের মিশেলে এই গান বাঙালির অনুভূতিকে গভীর ভাবে প্রাভাবিত করেছিল। উসকোখুসকো চুল, চোখ আর শরীরী ভাষায় ব্যর্থ প্রেমিক রাহুল যেন ঠিক পাশের বাড়ির ছেলে হয়ে উঠেছিল। তবে ব্লকবাস্টার সে ছবিতে রাহুল বন্দ্যোপাধ্যায়ের পরিণতি ছিল করুণ। বাস্তবেও হল তেমনইটাই। অকাল প্রয়াণে অসমাপ্তই রয়ে গেল অভিনেতা রাহুলের জীবন। 

অন্যদিকে, বলিউডে জুবিনের পরিচিতি থাকলেও বাংলা ইন্ডাস্ট্রি তাঁকে চিনেছে ‘পিয়া রে’ গানেই। জুবিন জনপ্রিয়তার চূড়ান্ত শিখরে পৌঁছে দিয়েছিল এই গানটি। আর সমুদ্রের নোনা জলেই শেষ হয় জুবিনে জীবন। গতবছর ১৯ সেপ্টেম্বর সিঙ্গাপুরে একটি ফেস্টিভ্যালে অংশ নিতে গিয়ে সমুদ্রে ডুবে প্রাণ হারিয়েছিলেন জুবিন। পুলিশ যখন দেহ উদ্ধার করে তখন শরীরে আর প্রাণ ছিল না। রিপোর্টে জানানো হয়েছে, সেদিন এই দুর্ঘটনার আগে জুবিন গর্গ ভডকা, জিন, হুইস্কি, বিয়ারের মতো একাধিক পানীয় পান করেছিলেন। 

ঠিক ৬ মাসের মাথায়, ২৯ মার্চ, তালসারিতে 'ভোলে বাবা পার করেগা' ধারাবাহিকের শুটিং করতে গিয়ে জলে ভেসে যান রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়। পরবর্তীতে তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করা হয়। যদিও মত্ত ছিলেন না তিনি। কিন্তু জীবনের শেষ মুহূর্তের যন্ত্রণাটা মিলে গেল জুবিন আর রাহুলের।  

Advertisement

সিঙ্গাপুরের থেকে তালসারির দূরত্ব ৫০০০ কিলোমিটারেরও বেশি। কিন্তু সমুদ্রের নোনা জলই যেন মিলিয়ে দিল জুবিন আর রাহুলকে। সবক্ষেত্রেই যেন অদ্ভুত মিল 'চিরদিনই তুমি যে আমার' সিনেমাটির গায়ক ও নায়কের। দু'জনের মৃত্যুর মধ্যে ফারাক ৬ মাসের। জুবিনের মৃত্যু হয় ৫২ বছর বয়সে। রাহুলের বয়স ছিল ৪২। প্রথমজনের মৃত্যুর তারিখ ১৯, দ্বিতীয়জনের ২৯। দুই মৃত্যুর আসল কারণ নিয়েই রয়েছে ধোঁয়াশা। 

জুবিনের মৃত্যুর দিনে রাহুলের নাটকের শো ছিল। মঞ্চে ওঠার প্রহর খানেক আগে জুবিনের মৃত্যুর খবরে পা টলে গিয়েছিল তাঁর। রাহুল সেদিন বলেছিলেন, 'বাংলার মানুষরা হয়তো বুঝতে পারছে না জুবিনের চলে যাওয়া অসমের মানুষের বুকে কতটা হাহাকার হয়ে বাজছে।' তাঁর চলে যাওয়াও বাংলার মানুষকে একই ভাবে নাড়িয়ে দিল।  

Read more!
Advertisement
Advertisement