
যেটাই বলেন খুব সোজা সাপটাভাবে বলেন। আর যে কারণে ইন্ডাস্ট্রিতে সুনাম-বদনাম দুটোই রয়েছে জাতীয় পুরস্কার জয়ী গায়িকা ইমন চক্রবর্তীর। অন্যায় দেখলে তিনি চুপ করে থাকতে পারেন না। এর আগেও গায়িকাকে বহুবার একাধিক সমস্যার প্রতিবাদ করতে দেখা গিয়েছিল। এবার গায়িকার নিশানায় কলকাতা বিমানবন্দর। শহরের প্রধান বিমানবন্দরের ব্যবস্থা যে এতটা নিম্নগামী, তা ইমন ভাবতে পারেননি। আর ক্ষোভ উগরে দিলেন সোশ্যাল মিডিয়ায়।
ইমন কলকাতা বিমানবন্দরের মহিলাদেক শৌচালয়ের অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ দেখে এবং সেখানকার কর্মীদের অপেশাদার আচরণ দেখে ফেসবুকে সরব হয়েছেন। প্রসঙ্গত, পেশার খাতিরে ইমনকে প্রায়ই শহরের বাইরে যেতে হয়। সেরকমই একটি দিনে তিনি কলকাতা বিমানবন্দরে গিয়ে মহিলাদের শৌচালয় দেখে রীতিমতো অবাক বনে গিয়েছিলেন। ইমন তাঁর ফেসবুকে সেই অভিজ্ঞতার কথা শেয়ার করেছেন।
ইমন লিখেছেন, বিমানবন্দরে বেশ কিছুক্ষণ অপেক্ষা করাটা এখন একটা বিভীষিকা হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর পেছনের আসল কারণ জানিয়েছেন গায়িকা। তিনি লেখেন, সবচেয়ে বড় সমস্যা হল এখানকার মহিলাদের শৌচাগারগুলো। প্রায় সবকটি লেডিস টয়লেটই অত্যন্ত নোংরা এবং অস্বাস্থ্যকর। ইমন শুধু বিমানবন্দরের শৌচালয় নোংরা তা নিয়েই ক্ষোভ উগরানি, সেখানকার দায়িত্বে থাকা সাফাই কর্মীদের মনোভাব নিয়েও বড়সড় প্রশ্ন তুলেছেন ইমন। তাঁর অভিযোগ, করদাতাদের টাকায় চলা এই সরকারি পরিষেবায় ন্যূনতম সৌজন্যটুকুও মেলে না। ক্ষোভ উগরে দিয়ে ইমন আরও লেখেন, সেখানে যে সমস্ত মহিলা কর্মীরা ডিউটিতে থাকেন, তাঁদের যদি একটু পরিষ্কার করে দিতে বলা হয়, তাঁরা উল্টে মারাত্মক বিরক্ত হন! অনেক সময় তো পরিষ্কার করে দিতেই চান না…” অর্থাৎ, হাজার হাজার টাকা খরচ করে টিকিট কাটার পর যাত্রীরা যদি ন্যূনতম পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতাটুকুও দাবি করেন, তবে সেটাই যেন অপরাধ!
সবশেষে ইমন লেখেন, জানিনা এই ট্রেন, বিমানবন্দরের ওয়াশরুম কবে একটু নির্বিঘ্নে ব্যবহার করা যাবে। ট্রেনের শৌচালয়ের অব্যবস্থা নিয়ে এর আগেও বহু মানুষ অভিযোগ জানিয়েছিলেন। রেল সেই অভিযোগের ভিত্তিতে সেই সময় ব্যবস্থা নিলেও, পরে আবার সেই একই অবস্থার সৃষ্টি হয়। কলকাতা বিমানবন্দরের শৌচালয় পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকবে, এটাই যাত্রীরা কাম্য করেন। কারণ হাজার হাজার টাকার টিকিট কেটে তাঁরা এই পরিষেবা নেন। কিন্তু নুন্যতম ব্যবস্থা না থাকলে ক্ষোভ উগরে দেওয়াটা স্বাভাবিক। এর আগেও কনীনিকা বন্দ্যোপাধ্যায়কেও কলকাতা বিমানবন্দরের পরিষেবা নিয়ে সুর চড়াতে দেখা গিয়েছিল।