
মহালয়া মানে এখন শুধু রেডিওতে বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্রের 'মহিষাসুরমর্দিনী' শোনা নয়, চ্যানেলে চ্যানেলে এখন অনুষ্ঠানও হয়। আর এই মহিষাসুরমর্দিনীর অনুষ্ঠান ঘিরে দর্শকদের উৎসাহ থাকে প্রবল। এই বছর স্টার জলসায় দুর্গারূপে দেখা গিয়েছে শুভশ্রী গঙ্গোপাধ্যায়কে। প্রায় প্রতি বছরই তিনি মহিষাসুরমর্দিনী রূপে দেখা যায়। আর মহাদেব হিসাবে দেখা গিয়েছে হ্যান্ডসম হাঙ্ক রণজয় বিষ্ণুকে। তবে শুভশ্রী এবং রণজয়ের মহালয়ার কিছু দৃশ্য দেখে দর্শকরা এতটাই বিরক্ত যে স্টার জলসার কমেন্ট বক্সে কমেন্ট করে জানিয়েছেন নিজেদের বক্তব্য।
প্রতি বছরই মহিষাসুরমর্দিনীর অনুষ্ঠান ঘিরে দর্শকদের উৎসাহ থাকে বেশ তুঙ্গে। তবে মহিষাসুরমর্দিনীর এই অনুষ্ঠান ঘিরে বরাবরই দর্শকদের বিরক্তির মুখে পড়তে হয় চ্যানেলকে। এ বছরও তার ব্যতিক্রম হলো না। মহিষাসুরমর্দিনীর অনুষ্ঠানে শুভশ্রী ও রণজয়ের কিছু নাচের দৃশ্য দেখে কপালে চোখ উঠেছে দর্শকদের। সেই দৃশ্যে দেখা গিয়েছে, ঢোল বাজাচ্ছেন শিব আর নৃত্যে মগ্ন পার্বতী। এরপরই পার্বতী ও শিবকে পারফম্যান্স করতে দেখা যায় আর সেটা কোনও ফিল্মি দৃশ্যের চেয়ে কম কিছু নয়।
মা দুর্গা ও শিবকে এমন নাচ করতে দেখে কটাক্ষের মুখে পড়েছে স্টার জলসা। শুভশ্রী এবং রণজয়ের পারফরম্যান্স দেখে নেটপাড়ার বাসিন্দাদের বক্তব্য, ‘মহালয়া নাকি রোমান্টিক সিন ধরতেই পারবেন না।’ অনেকে আবার শিবের জায়গায় দেবকে দেখানোর অনুরোধ জানিয়েছেন। কেউ কেউ লিখেছেন, ‘এবার তো মহালয়াও পরিবারের সঙ্গে বসে দেখা যায় না। কেউ লিখেছেন, এটা মহালয়া নাকি রোম্যান্টিক সিনেমা। বেশিরভাগ মানুষই জানিয়েছেন যে এভাবে মহিষাসুরমর্দিনীকে বিকৃত করার কোনও অর্থ নেই। প্রসঙ্গত, গত বছরও মহালয়ার অনুষ্ঠানে তীব্রভাবে ট্রোলড হয়েছিলেন রণজয় বিষ্ণু। শিবের তাণ্ডব নৃত্য নেচে সমালোচনার মুখে পড়েন অভিনেতা।
প্রতি বছরের মতো এ বছরও মহিষাসুরমর্দিনীর অনুষ্ঠান হয় তিন চ্যানেলে। স্টার জলসায় মা দুর্গা রূপে দেখা যায় শুভশ্রীকে, জি বাংলায় দেবী রূপে ধরা দেন অঙ্কিতা মল্লিক এবং সান বাংলায় মা দুর্গা রূপে দেখা যায় দিতিপ্রিয়া রায়কে। তবে মুখ্য আকর্ষণ এই তিন তারকা হলেও টেলিভিশনের একাধিক জনপ্রিয় অভিনেত্রীদের এই মহালয়ার অনুষ্ঠানে দেখা গিয়েছে।