
৯ মে বাংলার নতুন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে ইন্ডাস্ট্রির কারা কারা সেখানে আসবেন, তা নিয়ে প্রথম থেকেই জল্পনা ছিল তুঙ্গে। শনিবার নবম মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে শপথগ্রহণ করেন শুভেন্দু অধিকারী। আর 'রবি' সকালে ব্রিগেডে বিজেপি সমর্থকদের পাশাপাশি দেখা গেল একঝাঁক ইন্ডাস্ট্রির চেনা পরিচিত মুখদের। সেই তালিকায় চমক হিসাবে ছিলেন প্রসেনজিৎ ও জিৎ। টলিপাড়ার দুই সুপারস্টারকেই এদিন ব্রিগেডের শপথগ্রহণ মঞ্চে দেখা গেল।
তৃণমূল সরকারের আমলে একাধিক সরকারি অনুষ্ঠানে টলিপাড়ার তারকাদের দেখতে পাওয়া খুবই সাধারণ বিষয় ছিল। ২১ জুলাইয়ের মঞ্চ হোক কিংবা কোনও রাজনৈতিক মিছিল, সেখানে টলিপাড়ার একগুচ্ছ মুখদের দেখা যেত। স্বাভাবিকভাবেই পালাবদলের পর এদিন কারা কারা উপস্থিত থাকবেন, তা নিয়ে আগে থেকেই ফিসফাস শুরু হয়েছিল। শোনা গিয়েছিল, পদ্ম পুরস্কার প্রাপ্ত বাংলার সমস্ত শিল্পীদের কাছে শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানের আমন্ত্রণ পাঠানো হয়েছিল। সেই সম্ভাব্য তালিকায় ছিলেন মমতা শঙ্কর, পণ্ডিত অজয় চক্রবর্তী। এদিন বিগ্রেডে উপস্থিত ছিলেন দু'জনেই।
আর কে কে এলেন? বিজেপি জয়ী হতেই শুভেচ্ছা জানিয়ে ছিলেন জিৎ। তবে নিজেকে সব সময় রাজনীতি থেকে শতহস্ত দূরে রাখলেও বিজেপির থেকে আসা আমন্ত্রণপত্রকে এড়িয়ে যেতে পারেননি। আর সেই আমন্ত্রণ রক্ষা করতে এদিন ব্রিগেডে দেখা গেল জিৎকেও। সাদা পাঞ্জাবি ও সানগ্লাস চোখে দিয়ে বস প্রবেশ করলেন ব্রিগেডে। এদিন শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে মঞ্চে দেখা গেল জিৎকে। এদিন জিতের পাশাপাশি প্রসেনজিৎও এসেছিলেন ব্রিগেডের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে। পদ্মশ্রী পাওয়ার পর পরই বিজেপির পক্ষ থেকে প্রসেনজিতের বাড়িতে গিয়েছিলেন সুকান্ত মজুমদার ও রুদ্রনীল ঘোষ। যদিও এটা একেবারেই সৌজন্য সাক্ষাৎ ছিল। নিজেকে সর্বদাই রাজনৈতিক রঙে রাঙানো থেকে দূরেই থেকেছিলেন তিনি। তবে এবার বিজেপির সরকারি অনুষ্ঠানে ইন্ডাস্ট্রির বুম্বাদাকে দেখে অনেকেই প্রশ্ন করছেন এবার কি বিজেপিতে যোগ দেবেন?
জিৎ-প্রসেনজিৎ ছাড়াও দেখা গেল যিশু সেনগুপ্ত, পায়েল সরকার, ঋষি কৌশিক, কৌশিক রায় সহ আরও অনেকে। অন্যদিকে, টলিপাড়া থেকে বিজেপির জয়ী প্রার্থীরা অর্থাৎ রূপা গঙ্গোপাধ্যায়, রুদ্রনীল ঘোষ, পাপিয়া অধিকারী এবং শর্বরী মুখোপাধ্যায় ছিলেন নবমুখ্যমন্ত্রীর শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে। শুরু থেকেই অনুষ্ঠানের তদরকিতে ছিলেন সাংসদ তথা অভিনেত্রী লকেট চট্টোপাধ্যায়।