
পুজো মানেই একরাশ আনন্দ, অনেকটা ছুটি আর সঙ্গীর সঙ্গে চুটিয়ে পুজো উপভোগ করা। কিন্তু টেলিভিশন দুনিয়ার এই জুটি একসঙ্গে এই বছরের পুজো কাটাবেন না। বেশ কয়েক মাস ধরেই তাঁদের নিয়ে ডিভোর্স চর্চা তুঙ্গে। যদিও এখনও তাঁদের বিচ্ছেদ হয়নি, কিন্তু সম্পর্কে দূরত্ব বেড়েছে তাঁদের, তা একেবারে স্পষ্ট। কথা হচ্ছে নীল ভট্টাচার্য ও তৃণা সাহার। একসময় তাঁরা টেলিপাড়ার পাওয়ার কাপল হলেও, তাঁদের বিয়েটা নাকি চুক্তির বিয়ে ছিল বলে অভিযোগ উঠেছিল। সেই গুঞ্জন উড়িয়ে দিলেও, এই বছরের পুজো নীল ছাড়াই কাটবে তৃণার। সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়াতে তাঁর কিছু পোস্ট ঘিরে ফের ডিভোর্স চর্চা তুঙ্গে।
তৃণা তাঁর সোশ্যাল মিডিয়া পেজে বেশ কিছু ছবি শেয়ার করেছেন। যেখানে নিজের কিছু ছবি শেয়ারের পাশাপাশি তৃণা কিছু পোস্ট শেয়ার করেন। যেখানে তাঁর ভাল থাকা, মানসিক শান্তি, জীবনের চ্যালেঞ্জের কথাগুলি উঠে এসেছে। তবে তাঁর শেষের পোস্টটি সবার নজর আকর্ষণ করেছে। যেখানে তৃণা বলছেন, কখনও কখনও পরিস্থিতি মানিয়ে নিতে হয় এবং বলতে হয় ঠিক আছে, হতেই পারে, এটাই জীবন। তৃণার এই শেষের পোস্টটি তবে তাঁর ও নীলের মধ্যে আসা দূরত্বের বিষয়টাকে তুলে ধরেছে? যদিও বিচ্ছেদ, দূরত্ব এইসব নিয়ে নীল বা তৃণা কেউই মুখ খুলতে রাজি নন।
২০২১ সালের ফেব্রুয়ারিতে রাজকীয়ভাবে বিয়ে সারেন নীল ও তৃণা। তার আগে তাঁদের আংটি বদলেও ছিল চমক। বিয়ের দিন নবদম্পতিকে আশীর্বাদ করতে এসেছিলেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিয়ের পর তাঁদের সুখী দাম্পত্যই ছিল। কিন্তু তারপরই তাঁদের এটা চুক্তির বিয়ে বলে অভিযোগ উঠতে থাকে। কিন্তু অভিযোগ উড়িয়ে দেন তাঁরা। দু বছর আগেও নীল-তৃণার বিয়ে ভাঙার খবর শিরোনামে ছিল। কিন্তু তারপর তাঁরা দুজনেই জানিয়েছিলেন যে তাঁদের মধ্যে সবকিছু ঠিক রয়েছে। তবে ফের চলতি বছর থেকেই নীল-তৃণার বিয়ে ভাঙার খবর সামনে আসে।
সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে তৃণা জানিয়েছেন যে তিনি বেশ কয়েক বছর ধরে পুজোয় কলকাতায় থাকেন না। কারণ হিসাবে তৃণা অবশ্য জানিয়েছেন যে একটানা ৪-৫ দিনের ছুটি অন্য কোনও সময় পাওয়া যায় না। তাই পুজোয় ছুটি পেলেই তিনি কলকাতার বাইরে চলে যান। তবে এই বছর কোথায় যাচ্ছেন সেটা বলেননি। আপাতত স্টার জলসার টিআরপি টপার ধারাবাহিক পরশুরাম-এ দেখা যাচ্ছে তৃণাকে।