Advertisement

Riddhi Sen: 'এত গুরুত্ব দেওয়া অর্থহীন,' টলিউডের ডামাডোল নিয়ে চর্চাকে 'বাড়াবাড়ি' মনে করছেন ঋদ্ধি

বরাবরই নিজের বক্তব্য রাখতে পিছুপা হন না অভিনেতা ঋদ্ধি সেন। রাজ্য-রাজনীতির একাধিক ঘটনা নিয়ে ঋদ্ধিকে নিজের মতো করে প্রতিবাদ করতে দেখা গিয়েছে। মঞ্চে ঋদ্ধির অভিনয় দর্শকদের কাছে ভীষণভাবে প্রশংসা পেয়েছে। তবে বড়পর্দা থেকে বহুদিন হল দূরে রয়েছেন ঋদ্ধি।

ঋদ্ধি সেনঋদ্ধি সেন
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 27 May 2026,
  • अपडेटेड 12:50 PM IST
  • বরাবরই নিজের বক্তব্য রাখতে পিছুপা হন না অভিনেতা ঋদ্ধি সেন।

বরাবরই নিজের বক্তব্য রাখতে পিছুপা হন না অভিনেতা ঋদ্ধি সেন। রাজ্য-রাজনীতির একাধিক ঘটনা নিয়ে ঋদ্ধিকে নিজের মতো করে প্রতিবাদ করতে দেখা গিয়েছে। মঞ্চে ঋদ্ধির অভিনয় দর্শকদের কাছে ভীষণভাবে প্রশংসা পেয়েছে। তবে বড়পর্দা থেকে বহুদিন হল দূরে রয়েছেন ঋদ্ধি। তার অন্যতম কারণই হল অভিনেতাকে ব্যান করা হয়েছিল। কারণ ফেডারেশনের বক্তব্য অনুযায়ী, টেকনিশিয়ানরা তাঁর সঙ্গে নাকি কাজ করতে রাজি নন। তাই অনেক দিন হল ইন্ডাস্ট্রিতে ‘নিষিদ্ধ’ অভিনেতা। তবে মাঝে মধ্যেই সোশ্যাল মিডিয়ায় তাঁর প্রতিবাদী সুর চড়তে দেখা যায়। বুধবার ঋদ্ধি বাংলা ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রি নিয়ে ফের সরব হলেন। 

ঋদ্ধি তাঁর দীর্ঘ পোস্টে এটাই মনে করিয়ে দিতে চেয়েছেন যে বাংলায় ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির সমস্যা ও তারকাদের পাল্টি খাওয়ার খবর ছাড়াও আরও অনেক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় রয়েছে। যেদিকে নজর দিলে মনে হয় বেশি ভাল হয়। ঋদ্ধি তাঁর সোশ্যাল মিডিয়া পেজে লেখেন, আমি একজন চলচ্চিত্র বা সাংস্কৃতিক জগতের কর্মী, যদি জীবনে সব থেকে কিছু ভালোবেসে থাকি, তা হল সিনেমা। আমার মতো এমন অনেক দর্শক এবং শিল্পী আছেন যারা জানেন এবং বিশ্বাস করেন যে এই পচতে থাকা পৃথিবীতে একটা গান,সিনেমা,নাটক,কবিতা বা একটা ইন্সটলেশন আর্টওয়ার্ক বিষ পান করার প্রক্রিয়াকে আরেকটু সহজ করে দেয়। একজন শিল্পী জিরো বাজেটের একটা গান বেঁধে হাজার কোটি টাকা দিয়ে সুরক্ষিত ক্ষমতার সাম্রাজ্যকে বিপদে ফেলতে পারে এখনও। বা বিনোদন কথাটাকে তাচ্ছিল্যের চোখে দেখেন যারা তারা কোনোদিন বুঝতেই পারবেন না যে সমাজে বিনোদন না থাকলে আমরা সকলে তাসের দেশের নাগরিক হয়ে যাবো নিমেষে। 

ঋদ্ধি এরপর খুব স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন যে পৃথিবী এই মুহূর্তে যে দিকে এগোচ্ছে সেখানে দৈনন্দিন জীবনে বেঁচে থাকাটাই যখন দায়, তখন বিনোদন জগতের অতিরিক্ত চর্চা দেখলে অভিনেতার বিরক্তই লাগে। আসলে গত কয়েকদিন ধরেই সোশ্যাল মিডিয়া জুড়ে চর্চার কেন্দ্রে রয়েছে বাংলা ফিল্ম উন্ডাস্ট্রি। যেখানে পরমব্রতর পাল্টি খাওয়া নিয়ে যেমন চর্চা হচ্ছে তেমনই ইমপা-ফেডারেশনে চলা ঝামেলা-অশান্তি নিয়েও আলোচনা তুঙ্গে। তাই ঋদ্ধি বলেছেন, এই সবের মাঝে সারা পৃথিবীর চলচ্চিত্র জগতের গল্প,কেচ্ছা বা স্রেফ চলচ্চিত্র বা শিল্পমাধ্যমের কার্যকরীতা নিয়ে প্রয়োজনের থেকে অধিক আলোচনা অর্থহীন মনে হয়ে মাঝে মাঝে। 

Advertisement

ঋদ্ধির কথায়, বিশ্বাস করুন,এই মুহূর্তে বাংলা চলচ্চিত্র জগৎকে সারাক্ষন এতো গুরুত্ব দেওয়া অর্থহীন l আপনার গণতান্ত্রিক অধিকার আপনাকে ক্ষমতা দেয় আপনার পছন্দের বা অপছন্দের শিল্পীর কাজ থেকে মুখ ফিরিয়ে নিতে,সারাদিন মিম বানিয়ে ফেসবুকে আলোচনা না করে এটাই সব থেকে মোক্ষম জবাব হয়ে উঠতে পারে। দুর্নীতিগ্রস্থ চলচ্চিত্র জগতের সম্মান ফিরে পাওয়ার রাস্তা একটাই,ভালো কাজ উপহার দেওয়া। সেটা হওয়ার সময় দিয়ে ব্যাপারটা আপাতত ভুলে যান,কারণ এই মুহূর্তে এমন অনেক ঘটনা ঘটছে যা টলিগঞ্জ ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির কেচ্ছার থেকে ঢের বেশি জরুরি। এই দীর্ঘ পোস্টের শেষে ঋদ্ধি লেখেন, আরো একটা ভয়াবহ ধর্ষণের ঘটনার থেকে যদি কারুর গিরগিটি সাজার গল্প আমাদের কাছে আলোচ্য বিষয় হয় হয়ে দাঁড়ায় তাহলে সেই মনোভাবের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানান। ইতিমধ্যেই অনির্বাণ ভট্টাচার্য দেশু ৭-এর কাজ করতে শুরু করেছেন। কবে ঋদ্ধিকে বড়পর্দায় দেখা যাবে, সেই অপেক্ষাতেই রয়েছেন সবাই।   
 

Read more!
Advertisement
Advertisement