Advertisement

Srabanti Chatterjee: মহেশতলার নামী স্কুলে চোখে চোট পেল শ্রাবন্তীর বোনপো, কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে ক্ষোভ নায়িকার

শ্রাবন্তীর বড় দিদি স্মিতা ঘোষের ছেলে মহেশতলার একটি নামী স্কুলের প্রাক প্রাথমিক শ্রেণীর ছাত্র। একজন অভিভাবক হিসেবে ভয়াবহ অভিজ্ঞতা ভাগ করেছেন।

শ্রাবন্তী চট্টোপাধ্যায়শ্রাবন্তী চট্টোপাধ্যায়
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 23 Aug 2026,
  • अपडेटेड 10:50 AM IST
  • স্কুলের মধ্যেই চোখে গুরুতর আঘাত পেল টলিউড নায়িকা শ্রাবন্তী চট্টোপাধ্যায়ের বোনপো।

স্কুলের মধ্যেই চোখে গুরুতর আঘাত পেল টলিউড নায়িকা শ্রাবন্তী চট্টোপাধ্যায়ের বোনপো। দিদি স্মিতা ঘোষের ছেলে শহরের এক বেসরকারি স্কুলের পড়ুয়া। সেখানেই স্কুলের এক অন্য ছাত্রের কারণে শ্রাবন্তীর দিদির ছেলের চোখে চোট লাগে। গোটা ঘটনাটির জন্য স্কুল কর্তৃপক্ষকে কাঠগড়ায় তুলেছেন শ্রাবন্তী ও তাঁর দিদি। সোশ্যাল মিডিয়াতেও এই নিয়ে সতর্কবার্তা দিয়েছেন নায়িকা। 

শ্রাবন্তীর বড় দিদি স্মিতা ঘোষের ছেলে মহেশতলার একটি নামী স্কুলের প্রাক প্রাথমিক শ্রেণীর ছাত্র। একজন অভিভাবক হিসেবে ভয়াবহ অভিজ্ঞতা ভাগ করেছেন। শ্রাবন্তীর দিদি তাঁর আহত সন্তানের ছবি ও চিকিৎসকের প্রেসক্রিপশন পোস্ট করে জানাচ্ছেন, ‘আমার সন্তান অপ্রাপ্তবয়স্ক, প্রাক-প্রাথমিক শ্রেণির ছাত্র। অন্য পড়ুয়ার আঘাতে চোখে গুরুতর চোট পেয়েছে। এই ঘটনাটির থেকেও বেশি উদ্বেগের বিষয়, স্কুল কর্তৃপক্ষ অভিভাবকের থেকে বিষয়টি আড়াল করতে চেয়েছে। এটা জানার পর অত্যন্ত হতাশ হয়েছি। 

স্মিতা আরও বলেন, ঘটনার পরই কিন্তু, আমাদের জানানো হয়নি। পরবর্তীতে আমরা জানতে পারি, বাবা-মাকে না জানানোর জন্য প্রভাবিত করা হয়েছিল। নিজের জন্যই আঘাত লেগেছে, এমন গল্প সাজিয়ে আমার ছেলেকে বলার পরামর্শ দেওয়া হয়। এই তথ্য যদি সত্যি প্রমাণিত হয় তাহলে কিন্তু বিষয়টি অত্যন্ত গুরুতর। কারণ একটি শিশুর নিরাপত্তা এবং তার অভিভাবকদের কাছে সঠিক ও সত্য তথ্য পৌঁছে দেওয়ার বিষয়টির সঙ্গে কোনওভাবেই আপোষ করা সম্ভব নয়। শ্রাবন্তীর দিদি এও জানান যে তাঁরা স্কুল কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে সিসি ক্যামেরার ফুটেজও চান, যাতে প্রকৃত সত্যিটা তাঁরা জানতে পারেন, কিন্তু স্কুলের পক্ষ থেকে সেই সহয়তাটুকুও করা হয়নি। শ্রাবন্তীর দিদি এরপর বলেন, অভিভাবকেরা তাঁদের সন্তানদের স্কুলে পাঠান একটা ভরসা নিয়ে, সেই বিশ্বাসের সঙ্গে স্কুলের আরও একটি গুরুতর দায়িত্ব রয়েছে। স্কুল কর্তৃপক্ষের দায়িত্ব হল, শিশুর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। কোনও দুর্ঘটনা ঘটলে বা আঘাত পেলে দ্রুত অভিভাবকদের জানানো। সিসিটিভি ফুটেজ সংরক্ষণ করা এবং বিষয়টির তদন্তে সম্পূর্ণ স্বচ্ছ ও সহযোগিতামূলক ভূমিকা পালন করা উচিত। আমি কোনও বিশেষ সুবিধা বা পক্ষপাতিত্ব চাইছি না। আমি সঠিক জবাব চাই, সেই সঙ্গে স্বচ্ছতা এবং শিশুর নিরাপত্তা।

Advertisement
ছবি সৌজন্যে: ফেসবুক

এই পোস্টের ভিত্তিতে শ্রাবন্তীও অভিভাবকদের সতর্ক করেছেন। ক্ষোভ উগরে দিয়ে লিখেছেন, ‘যাঁরা মনে করছেন এই বেসরকারি স্কুলে সন্তানের অ্যাডমিশন নেবেন, বিশেষ করে মহেশতলা ব্র্যাঞ্চে তাঁরা ভুলেই এ কাজ করবেন না। ওখানে আপনার সন্তানের কোনও নিরাপত্তা নেই। শিশুসুরক্ষার গাফিলতিতে যদি কোনও প্রতিষ্ঠান সেরা হয় তাহলে এই স্কুলটি। অত্যন্ত খারাপ ম্যানেজমেন্ট।’

Read more!
Advertisement
Advertisement