
বাংলা ইন্ডাস্ট্রিতে যেন চলছে শনির দশা। একের পর এক অঘটন ঘটেই চলেছে। কিছুদিন আগেই অভিনেতা রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়ের আকস্মিক মৃত্যুর ঘটনায় তোলপাড় হয় টলিপাড়া। সেই রেশ কাটতে না কাটতেই গুরুতর অসুস্থ পরিচালক অগ্নিদেব চট্টোপাধ্যায়। তড়িঘড়ি তাঁকে ভর্তি করানো হয় বাইপাস সংলগ্ন এক বেসরকারি হাসপাতালে। অগ্নিদেবের স্ত্রী সুদীপা চট্টোপাধ্যায় সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে জানিয়েছেন।
সুদীপার পোস্ট থেকেই জানা গিয়েছে যে মাইল্ড স্ট্রোক হয়েছে অগ্নিদেবের। এক সংবাদমাধ্যমকে রান্নাঘরের প্রাক্তন সঞ্চালিকা সুদীপা বলেন যে রবিবার দুপুর ১২টার আগে পরিচালকের শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে কিছু বলতে পারবেন না চিকিৎসক। প্রাথমিক এমআরআই-তে জানা গিয়েছে স্ট্রোক হয়েছে। সম্ভবত শুক্রবারও অ্যাটাক হয়েছিল, সেটা বড় কিছু ছিল কিনা বোঝা যাচ্ছে না। সুদীপা জানিয়েছেন, একটার পর একটা অ্যাটাক আসছে।
সুদীপা জানান যে প্রথমে কেউই বিষয়টি বুঝতে পারেননি। সবাই ভেবেছিলেন মাইগ্রেনের সমস্যা হয়েছে। অগ্নিদেবের প্রথমে মাথা ব্যথা করছিল। তখনও কেউ বোঝেননি। তারপর পরিচালক হঠাৎ জানান যে বাঁ চোখে স্পষ্ট দেখতে পাচ্ছেন না। এমনকী হাঁটতেও পারছিল না। টলে পড়ে যাচ্ছিল। সুদীপা বলেন, তখনই পারিবারিক চিকিৎসকের সঙ্গে কথা বলে হাসপাতালে নিয়ে যাই। স্বামীর এরকম অসুস্থতায় খুবই ভেঙে পড়েছেন সুদীপা।
অগ্নিদেব ও সুদীপার ছেলে আদিদেব বাড়িতে, তাই হাসপাতালে থাকতে পারেননি সুদীপা। তবে অগ্নিদেবের কাছে রয়েছেন তাঁর বড় ছেলে আকাশ চট্টোপাধ্যায়। এ ছাড়া সুদীপার দাদা বৌদিরাও রয়েছেন অগ্নিদেবের কাছে। এর আগেও অগ্নিদেব অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন। বহু বছর পর পরিচালনার কাজে কামব্যাক করেছিলেন অগ্নিদেব। তাঁর পরিচালনায় তৈরি হচ্ছিল চোর, যেখানে অভিনয় করছিলেন জিতু কমল।