Advertisement

Prosenjit Chatterjee: রাজনীতি থেকে দূরেই প্রসেনজিৎ, নতুন সরকারের কাছে কী প্রত্যাশা 'জ্যেষ্ঠ পুত্র'-এর?

নিজেকে বরাবরই রাজনীতির রং থেকে দূরে রেখেছেন বাংলা ইন্ডাস্ট্রির জ্যেষ্ঠ পুত্র প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়। তাঁকে কোনওদিনই রাজনীতির মঞ্চে সেভাবে দেখান যায়নি। যখনই তাঁর ওপর কেউ রাজনীতির রং চাপানোর চেষ্টা করেছেন, টলিপাড়ার বুম্বা দা ফোঁস করে উঠেছেন। গত ৯ মে ব্রিগেডে বাংলার নতুন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে দেখা গিয়েছিল প্রসেনজিৎকে।

বিজেপি সরকারের কাছে কী দাবি প্রসেনজিতের?বিজেপি সরকারের কাছে কী দাবি প্রসেনজিতের?
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 11 May 2026,
  • अपडेटेड 10:12 AM IST
  • নিজেকে বরাবরই রাজনীতির রং থেকে দূরে রেখেছেন বাংলা ইন্ডাস্ট্রির জ্যেষ্ঠ পুত্র প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়।

নিজেকে বরাবরই রাজনীতির রং থেকে দূরে রেখেছেন বাংলা ইন্ডাস্ট্রির জ্যেষ্ঠ পুত্র প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়। তাঁকে কোনওদিনই রাজনীতির মঞ্চে সেভাবে দেখান যায়নি। যখনই তাঁর ওপর কেউ রাজনীতির রং চাপানোর চেষ্টা করেছেন, টলিপাড়ার বুম্বা দা ফোঁস করে উঠেছেন। গত ৯ মে ব্রিগেডে বাংলার নতুন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে দেখা গিয়েছিল প্রসেনজিৎকে। বিজেপির পক্ষ থেকে পদ্ম পুরস্কার প্রাপকদের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। মমতা শঙ্কর, অজয় চক্রবর্তীর পাশাপাশি প্রসেনজিৎকেও দেখা যায় সেই মঞ্চে। তবে এবারেও বাংলা ইন্ডাস্ট্রির অভিভাবক স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন যে তাঁকে যেন রাজনীতির মধ্যে না জড়ানো হয়। আর এইসবের মাঝেই নতুন সরকারের কাছে প্রসেনজিৎ তাঁর দাবি-দাওয়াগুলি তুলে ধরলেন। 

সৌজন্যবশতই প্রসেনজিৎ শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে গিয়েছিলেন। নতুন বিজেপি সরকারের কাছে তাঁর কী প্রত্যাশা তা জানিয়েছেন এক সংবাদমাধ্যমকে। প্রসেনজিৎ বলেছেন, একজন মানুষ যখন এক মিনিটে ইভিএম-এর একটা বোতামে আঙুল দেয়, তখন সেই মানুষটির অনেক আশা, স্বপ্ন, না পাওয়া, অভিযোগ, অভিমান সব কিছুর সমাধানের নতুন স্বপ্ন দেখে। বুম্বাদা বাংলার নতুন বিজেপি সরকারের কাছে বিনীত অনুরোধ করে বলেন যে তিনি একজন সাধারণ নাগরিক হিসাবে কয়েকটি আবেদন করতে চান। প্রসেনজিৎ সংবাদমাধ্যমকে বলেন, বন্ধ হওয়া স্কুলগুলো যাতে খুলে যায়। সবাই যেন শিক্ষা পায়। নতুন শিল্প যেন আসে। নতুন প্রজন্মকে আর রাজ্যছাড়া হতে না দেওয়ার অনুরোধও করেন অভিনেতা। 

প্রসেনজিৎ আরও জানিয়েছেন যে এ রাজ্যে হাসপাতাল পরিকাঠামো যাতে আর উন্নত হয়। আরও বেশি করে হাসপাতাল তৈরি হোক, যাতে কেউ বিনা চিকিৎসায় না মরে যায়। এরপরই প্রসেনজিৎ তাঁর ইন্ডাস্ট্রি নিয়েও কয়েকটি দাবি রেখেছেন নতুন সরকারের কাছে। অভিনেতা বলেন যে তিনি বাংলা সিনেমার একজন অতি সামান্য অংশ। বাংলার শিল্প-সংস্কৃতি হল আসল ঐতিহ্য। সেই ঐতিহ্যের দরজা যেন বিশ্বের দরবারে খুলে যায়। প্রসেনজিৎ আরও জানান যে রাজ্যের মানুষ যাতে ভাল থাকে, শান্তিতে থাকে। 

Advertisement

বাংলায় সাম্প্রতিক পালাবদলের মাঝেও নিজেকে অরাজনৈতিক রাখতে চান প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়। অভিনেতা তাঁর একাধিক সাক্ষাৎকারে এ কথা স্পষ্ট করেছেন যে তাঁর সঙ্গে সব দলের মানুষদেরই সুসম্পর্ক রয়েছে। আর তিনি একেবারেই রাজনীতিতে আসতে প্রস্তুত নন। সম্প্রতি সদ্য জয়ী বিধায়ক তথা অভিনেতা রুদ্রনীল ঘোষকে ফোন করা নিয়ে এক বিভ্রান্তির সৃষ্টি হয়েছিল। সেই সময়ও প্রসেনজিৎ তাঁর অবস্থান স্পষ্ট করে সোশ্যাল মিডিয়ায় বলেছিলেন যে তাঁর গায়ে যেন কোনও রাজনীতির রং না লাগানো হয়। 

Read more!
Advertisement
Advertisement