Advertisement

Saptadingar Guptodhon Collection: ১০ দিন পরেও 'হাউজফুল' শো! কত টাকা আয় হল 'সপ্তডিঙার গুপ্তধন'-র?

Box Office Report: চার বছর পর দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে রূপোলি পর্দায় ফিরল সোনাদা-আবীর-ঝিনুকের আইকনিক ত্রয়ী। রহস্য, হাস্যরসের মিশেলে বোনা এই ছবির গল্পে এ বারের অভিযানের পটভূমি সুন্দরবন।

'সপ্তডিঙার গুপ্তধন'-r বক্স অফিস রিপোর্ট  'সপ্তডিঙার গুপ্তধন'-r বক্স অফিস রিপোর্ট
Aajtak Bangla
  • কলকাতা ,
  • 25 May 2026,
  • अपडेटेड 3:46 PM IST

বড় পর্দায় ফিরেছে সোনা দা, আবির ও ঝিনুক।গুপ্তধন ফ্রাঞ্চাইজির আগের তিনটি ছবির সাফল্যের পরে গত ১৫ মে মুক্তি পেয়েছে 'সপ্তডিঙার গুপ্তধন'। এই ছবিতেও মুখ্য চরিত্রে রয়েছেন আবির চট্টোপাধ্যায়, অর্জুন চক্রবর্তী ও ইশা সাহা। সোনাদার ভূমিকায় আবির চট্টোপাধ্যায় এবং ঝিনুক ও আবিরের চরিত্রে রয়েছেন ইশা ও অর্জুন। ইতিহাস, অ্যাডভেঞ্চার এবং রোমাঞ্চের নিখুঁত মিশেলে তৈরি হয়েছে 'সপ্তডিঙার গুপ্তধন'। 

চার বছর পর দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে রূপোলি পর্দায় ফিরল সোনাদা-আবীর-ঝিনুকের আইকনিক ত্রয়ী। রহস্য, হাস্যরসের মিশেলে বোনা এই ছবির গল্পে এ বারের অভিযানের পটভূমি সুন্দরবন। সেখানেই শ্যুটিং করতে গিয়ে পা ভেঙেছিল পরিচালক ধ্রুব বন্দ্যোপাধ্যায়ের। রহস্যপ্রেমী বাঙাল বারবার ভালোবেসেছে গুপ্তধন ফ্রাঞ্চাইজির গল্প। এবারও শুরু থেকেই বেশ ঊর্ধ্বমুখী সাফল্যের গ্রাফ। বক্স অফিসে বেশ ভালই ব্যাটিং করে দারুণ লক্ষ্ণীলাভ করছে এই ছবি। অনেকদিন পরে ফের বাংলা ছবি সাফল্যের মুখ দেখছে। 

এর আগে, ২০১৮ সালে 'গুপ্তধনের সন্ধানে', ২০১৯ সালে  'দুর্গেশগড়ের গুপ্তধন' এবং  ২০২২ সালে 'কর্ণসুবর্ণের গুপ্তধন'-র মাধ্যমে দুই সঙ্গী আবির ও ঝিনুককে নিয়ে সোনাদা দর্শকদের মনে জায়গা করতে পেরেছিল। মুক্তির প্রায় ১০ দিন পরে এখনও 'সপ্তডিঙার গুপ্তধন'-র বহু শো হাউজফুল হচ্ছে। বিশেষত, শনি ও রবিবার, গরমকে উপেক্ষা করেই বাঙালি হলমুখী হচ্ছে এই ছবি দেখতে। জেনে নিন স্যাকনিল্কের রিপোর্ট অনুযায়ী 'সপ্তডিঙার গুপ্তধন' এখন অবধি বক্স অফিস কালেকশন কেমন।

 ছবি: সপ্তডিঙার গুপ্তধন

* প্রযোজনা সংস্থা: এসভিএফ    

* পরিচালক: ধ্রুব বন্দ্যোপাধ্যায়

* অভিনয়ে: আবির চট্টোপাধ্যায়, অর্জুন চক্রবর্তী, ইশা সাহা, কৌশিক গঙ্গোপাধ্যায়, রজতাভ দত্ত   

বক্স অফিস কালেকশন 

* বিশ্বব্যাপী নেট কালেকশন- ৬.২৮ কোটি

* ভারতে নেট কালেকশন- ৫.৬৪ কোটি

 

প্রসঙ্গত, গত কয়েক বছরে বারবার চর্চায় উঠে আসে টলিউডের নাম। 'বাংলা ছবি ব্যবসা করছে না’— একথা, ইন্ডাস্ট্রির অনেকের মুখে শোনা যায়। প্রযোজকরা বিভিন্ন সাক্ষাৎকারে দাবি করেন, বর্তমানে বাজার ততটাই খারাপ যে, ছবিতে ১০- ১৫ কোটি টাকা ঢাললে, তা ফেরত পাওয়ার সম্ভাবনা কম। এজন্যেই ঝুঁকি না নিয়ে মাঝামাঝি নিরাপদ পথে হাঁটছেন তারা। আর সেই নিরাপদ ছবিগুলোই দর্শককে হলে টানতে পারে না। 

Advertisement


 

Read more!
Advertisement
Advertisement