
৪ মে পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনের ফল ঘোষণা হয়েছে। ১৫ বছরের তৃণমূল শাসনের অন্ত হয়ে এরাজ্যে বিপুল জয় হয়েছে বিজেপি-র। রাজ্যের পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী কে হবেন, এই প্রশ্ন এখন সকলের মনে। রাজনীতিতে গ্ল্যামার দুনিয়ার তারকাদের হিড়িক গত কয়েক বছরের ট্রেন্ড। এত দিন যে তারকাদের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে একই মঞ্চে দেখা যেত বা মিছিলের সামনে সারিতে দেখা যেত, সেসব তৃণমূলপন্থী তারকাদের নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়া জুড়ে ভরেছে মিমে। নেটিজেনরা কটাক্ষ করছে, 'এবার আবার কি তাঁরা পাল্টি খাবেন', এই প্রশ্ন তুলে।
বিজেপি-র হয়ে প্রচার করেছিলেন কিংবা এক সময় ভোটে দাঁড়িয়েছিলেন যেসব তারকারা, তাঁরা পোস্ট করেছেন এদিন। দিন- বদলের আশা করছেন তাঁরা। এদিকে মিমি চক্রবর্তী সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করতেই, চরম কটাক্ষে শিকার হলেন অভিনেত্রী। ইনস্টা স্টোরিতে, পানিহাটির বিজেপি প্রার্থী রত্না দেবনাথের জন্য একটি সংবাদ প্রতিবেদনের স্ক্রিনশট শেয়ার করেছেন। সঙ্গে তিনি লিখেছেন, "এই বিজয়কে ব্যক্তিগত মনে হচ্ছে। কোনও জয়ই তোমার ক্ষতির ক্ষতিপূরণ করতে পারবে না।" আর এই পোস্টের পর থেকেই, মিমিকে নিয়ে নানা কটাক্ষ শুরু হয়েছে। অনেকের মন্তব্য, এবার কি বিজেপি-তে যোগ দেবেন নায়িকা?
২০১৯ সালে, রাজনীতিতে যোগ দেন মিমি চক্রবর্তী।২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেসের হয়ে যাদবপুর থেকে প্রার্থী হয়ে, জয়লাভ করেন। ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে বিধানসভায় গিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে সাংসদ পদ থেকে ইস্তফা দিতে চেয়েছিলেন মিমি। আচমকাই টলিউড অভিনেত্রীর এমন পদক্ষেপে অনেকে অবাক হয়েছিলেন অনেকে। এমনকি, শুধু রাজনৈতিক মহল ছাড়াও, বিনোদন জগতেও তাঁকে নিয়ে বেশ চর্চা হয় সেসময়। এমনকি, ফেসবুকে পোস্ট করে সাংসদ তহবিলের টাকার খরচের হিসেব দেন মিমি।
প্রসঙ্গত, মিমি চক্রবর্তীকে শেষ দেখা গেছে 'ভানুপ্রিয়া ভূতের হোটেল' ছবিতে। গত বছর তাঁর অভিনীত 'ডাইনি' সিরিজটিতেও তাঁর অভিনয় বেশ প্রশংসিত। এবছর, সৃজিত মুখোপাধ্যায়ের 'এম্পারার বনাম শরৎচন্দ্র' ছবিতে দেখা যাবে অভিনেত্রীকে।