Advertisement

Prosenjit Suvendu Meet At Nabanna: বাড়িতে শাহ, এবার নবান্নে শুভেন্দু- প্রসেনজিৎ বৈঠক, বিজেপিতে যোগ দেবেন?

Prosenjit Chatterjee News: রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে নবান্নে গিয়েছেন প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়। এই বৈঠক ঘিরে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক ও চলচ্চিত্র মহলে শুরু হয়েছে নানা আলোচনা। প্রশ্ন উঠছে তাহলে কি এবার সরাসরি রাজনীতিতে আসতে চলেছেন টলিউডের 'বুম্বাদা'?

প্রসেনজিৎ, শুভেন্দু (ছবি:ফেসবুক)প্রসেনজিৎ, শুভেন্দু (ছবি:ফেসবুক)
Aajtak Bangla
  • কলকাতা ,
  • 09 Jul 2026,
  • अपडेटेड 7:10 PM IST

ফের শিরোনামে প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়। বৃহস্পতিবার, বিকালে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে নবান্নে গিয়েছেন অভিনেতা- প্রযোজক। এই বৈঠক ঘিরে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক ও চলচ্চিত্র মহলে শুরু হয়েছে নানা আলোচনা। প্রশ্ন উঠছে তাহলে কি এবার সরাসরি রাজনীতিতে আসতে চলেছেন টলিউডের 'বুম্বাদা'? যোগ দিতে চলেছেন বিজেপি-তে?

অমিত শাহের সঙ্গে সাক্ষাৎ 

গত সোমবার শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের জন্ম জয়ন্তী অনুষ্ঠানে যোগ দিতে কলকাতায় এসেছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। এদিন বিকেলে প্রসেনজিতের বালিগঞ্জের বাড়িতে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন তিনি। অত্যন্ত ব্যস্ত সূচির মধ্যেই এদিন মুখ্যমন্ত্রীই, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে প্রসেনজিতের বাড়িতে যান। এরপর থেকেই, আলোচনা শুরু হয়ে বিভিন্ন মহলে। অভিনেতার হাতে কিছু বই তুলে দেন অমিত শাহ। এদিন রাতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সোশ্যাল পেজ থেকে এই সাক্ষাতের ছবি শেয়ার হয়।  

অমিত শাহ, শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে লেন্সবন্দি মুহূর্তগুলি নিজের সোশ্যাল পেজ থেকে রি-শেয়ার করে প্রসেনজিৎ লেখেন, "আপনাকে আমার বাড়িতে স্বাগত জানাতে পেরে আমি সত্যিই সম্মানিত বোধ করেছি, অমিত শাহজি। আপনার আন্তরিক আগমন, এবং আমাকে উপহার হিসেবে দেওয়া বইগুলির জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ। আপনার সঙ্গে কাটানো সময়, আমার কাছে অত্যন্ত স্মরণীয় হয়ে থাকবে। আপনার এই সৌজন্যের নিদর্শন আমি সযত্নে লালন করব। আপনার এই আগমনে আমি গভীরভাবে সম্মানিত ও কৃতজ্ঞ।" 

 

শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে প্রসেনজিৎ 

রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদল হয় ৪ মে। এরপর, বিগ্রেডে মুখ্যমন্ত্রীর শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে আরও বেশ কিছু তারকাদের সঙ্গে দেখা গিয়েছিল প্রসেনজিতকেও। সদ্য পদ্মশ্রী সম্মান পেয়েছেন অভিনেতা। সম্প্রতি তাঁর প্রযোজিত ছবি 'অনেক দিন পরে'-র মুক্তির আগে পরিচালক সৌরভ পালোধির সঙ্গে স্পেশাল স্ক্রিনিংয়ের আমন্ত্রণ জানাতে বিজেপি-র রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যর সঙ্গে দেখা করেন প্রসেনজিৎ। যদিও, বামফ্রন্ট চেয়ারম্যান বিমান বসুর সঙ্গেও তাঁরা দেখা করেছিলেন আমন্ত্রণ জানাতে।        

Advertisement

 

 

নির্বাচনের আগে ভাইরাল ছবি 

বিধানসভা নির্বাচনের প্রাক্কালে হঠাৎ প্রসেনজিৎ-পুত্রর নামে শুরু হয় জোর জল্পনা। প্রশ্ন উঠতে শুরু করে, ভোটের ময়দানে কি নামছেন মিশুক অর্থাৎ তৃষাণজিৎ চট্টোপাধ্যায়? আসলে, হঠাৎ নিজের সোশ্যাল পেজে একটি ছবি শেয়ার করেছিলেন তৃষাণজিৎ। যেখানে দেখা যায়, মাঝে রয়েছেন তিনি, একদিকে প্রসেনজিৎ ও এক পাশে কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী তথা বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। প্রসেনজিতের হাতে ফুলের তোড়া। প্রসেনজিৎ পদ্মশ্রী সম্মান পাওয়ার পরে, তাঁকে শুভেচ্ছা জানাতে গিয়েছিলেন অনেকেই। ছবিটি, সেসময়ের। এই অবধি তো ঠিক ছিল, তবে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে ছবির ক্যাপশনের জন্য। পোস্টে লেখা ছিল, 'জয় শ্রীরাম...।' পোস্টটি মুহূর্তে ভাইরাল হয়। 
       
কী বলেছিলেন প্রসেনজিৎ? 

সেসময় বাংলা ডট আজতক ডট ইন-এর তরফে যোগাযোগ করা হয়েছিল প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে। মুম্বই থেকে তিনি জানিয়েছিলেন, "এগুলো ফেক। এটা ফেক প্রোফাইল। আমরা এই বিষয়টা দেখছি। এই বয়সে ফেক প্রোফাইল, এসব থাকতে পারে। আমরা ওঁর প্রোফাইলটা ব্লু টিক করে নিচ্ছি। নির্দিষ্ট টিম সবটা দেখছে।" সেই সঙ্গে তিনি জানান, তাঁরও সরাসরি রাজনীতিতে আসার কোনও সম্ভাবনা নেই এই মুহূর্তে।        

প্রসঙ্গত, টলিউড ইন্ডাস্ট্রির হাল ফেরাতে নতুন উদ্যোগ নিয়েছে রাজ্যের তথ্য ও সংস্কৃতি মন্ত্রক। তৈরি হয়েছে উপদেষ্টামণ্ডলী। যেখানে রয়েছেন ১৯ জন সদস্য। যার মধ্যে রয়েছে প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের নামও। সম্প্রতি ইন্ডাস্ট্রিকে ঘিরে একাধিক বিতর্ক সামনে এসেছে। সেই আবহে ইন্ডাস্ট্রির অন্যতম প্রভাবশালী অভিনেতার, পরপর উচ্চ পর্যায়ের রাজনৈতিক সাক্ষাৎ স্বাভাবিকভাবেই তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে একাংশ। কেউ মনে করছেন, তাহলে কি সিনে দুনিয়া সংক্রান্ত কোনও পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা করছেন তিনি। কিংবা নতুন প্রেক্ষাগৃহ বানানো নিয়ে আগে যে প্রস্তাব দিয়েছিলেন, সেবিষয়ও বৈঠক হতে পারে। আবার রাজনৈতিক মহলে অনেকের চর্চা, এই সাক্ষাতের পিছনে কোনও রাজনৈতিক কারণ আছে, রাজ্যসভায় দেখা যেতে পারে তাঁকে। তবে আসলে তাঁদের মধ্যে কী কথা হল, সেই উত্তর সময়ই দেবে।     

 

Read more!
Advertisement
Advertisement