Advertisement

Rachna Banerjee On BJP: 'চারটে মুখ দেখে মানুষ বিজেপি-তে ভোট দিয়েছেন...,' এবার বিস্ফোরক রচনা, আর কী বললেন?

Rachna Banerjee On BJP: বিনোদন দুনিয়ার পাশাপাশি হুগলীর সাংসদ রচনা বন্দোপাধ্যায়। তবে, সোশ্যাল মিডিয়ায় মাঝে মধ্যেই চরম কটাক্ষের শিকার হন অভিনেত্রী- সাংসদ।  

রচনা বন্দোপাধ্যায়রচনা বন্দোপাধ্যায়
Aajtak Bangla
  • কলকাতা ,
  • 02 Jun 2026,
  • अपडेटेड 12:17 PM IST

৪ মে পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনের ফল ঘোষণা হয়েছে। ১৫ বছরের তৃণমূল শাসনের অন্ত হয়ে এরাজ্যে বিপুল জয় হয়েছে বিজেপি-র। রাজ্যের পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী কে হবেন, এই প্রশ্ন এখন সকলের মনে। রাজনীতিতে গ্ল্যামার দুনিয়ার তারকাদের হিড়িক গত কয়েক বছরের ট্রেন্ড। এত দিন যে তারকাদের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে একই মঞ্চে দেখা যেত বা মিছিলের সামনে সারিতে দেখা যেত, সেসব তৃণমূলপন্থী তারকাদের নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়া জুড়ে ভরেছে মিমে। নেটিজেনরা কটাক্ষ করছে, 'এবার আবার কি তাঁরা পাল্টি খাবেন', এই প্রশ্ন তুলে।

সেরকমই গত কয়েকদিন ধরে ফের শিরোনামে রচনা বন্দোপাধ্যায়। তাঁর করা বেশ কিছু মন্তব্যের জেরে, নেটিজেনদের চরম কটাক্ষের মুখে পড়তে হচ্ছে অভিনেত্রীকে। নতুন সরকার সম্পর্কে সম্প্রতি এক সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলেছেন অভিনেত্রী- সাংসদ। কেন তৃণমূল পরাজিত এবং বিজেপি জয়ী, এপ্রসঙ্গে কথা বলেন তিনি। রচনার কথায়,"সত্যি কথা বলতে এবারের ভোটটা হওয়ার পরে আমার সত্যি এটাই মনে হল, এবারের ভোটে এই যে অবিশ্বাস্য একটা ভোট হল...আমি কিন্তু সত্যি কথা বলছি, এটাতেও জানি না আমি ট্রোল হবো কিনা। ট্রোল ক্যুইন আমি, তাই এটাতেও ট্রোল হবো কিনা জানা নেই।  আসলে, এই যে এত জায়গায় এত বিধায়ক ছিলেন, সবাই কিন্তু অর্ধেক সময় জানতে চান না কে বিধায়ক। সবাই পদ্ম ফুল চিহ্ন দেখেছেন বোতামটা টেপার আগে এবং যে চারটি মুখকে দেখে ভোট দিয়েছেন -প্রথম হচ্ছেন আমাদের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, আমাদের এখনকার মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী এবং শমীক ভট্টাচার্য। এই চারজন ফেস ছিলেন পশ্চিমবঙ্গের। এই চারজন মুখকে দেখেই ভোট হয়েছে। সত্যি কথা বলতে, আমার মনে হয় না এত যারা দাঁড়িয়েছিলেন, এত লোকের নাম কেউ জানতেন। সবাই দেখেছেন কোথায় পদ্ম ফুল, মেরে দিয়েছেন।" 

রচনার দল তৃণমূলের দুই নেতা বা নেত্রীর 'ফেস অফ' হয়ে যাওয়া নিয়ে প্রশ্ন করায়, তাঁর উত্তর, "ফেস অফ হয়নি। কিন্তু কোনও সময় যখন একটা তুফান আসে, যখন মানুষের মনের মধ্যে এটা ঢুকে যায় যে,আমরা কিচ্ছু চিনি না আমরা পরিবর্তন চাই। এটা তো মানুষের মধ্যে ঢুকেছিল। এটা এত বিশাল বড় পরিবর্তন আনবে, সেটা আমরা বুঝতে পারিনি। রাস্তায় যখন নামতাম, লাখ লাখ- লোক, হাজার হাজার লোক। আমি অবাক হয়ে যাচ্ছি যে এই যে এত মানুষের ফুটফল রাস্তায় ছিল, যখন আমরা প্রচারে যেতাম। এত জায়গায় প্রচার করেছি, এত জায়গায় গিয়েছি, রাস্তার অঢেল মানুষ, তার মানে তাদের মনে এক ছিল আর মুখে এক ছিল। সামনে দাঁড়িয়ে শুধু আমাদের দেখছিল। তাদের মনের মধ্যে ছিল,আমরা গিয়ে পদ্ম ফুলেই ভোটটা দেব। আমি বলছি না যে, কিছু গন্ডগোল হয়নি ভোট কেন্দ্রে। যেটা সবাই বলছে ভোট চুরির কথা, হয়েছে হয়তো। অস্বীকার করছি না। কিন্তু পুরোটাই কি তাই? তা তো নয়। মানুষ পরিবর্তন চেয়েছিল বলেই পরিবর্তন। মানুষের মধ্যে প্রচুর ক্ষোভ জমেছিল। সেই ক্ষোভটা হয়তো বেরিয়ে এসেছে সামনে। সবটাই কিন্তু ভোট চুরি নয়।" 

Advertisement

প্রসঙ্গত, বাংলার পাশাপাশি ওড়িয়া ও দক্ষিণী ইন্ডাস্ট্রিতে প্রায় তিন দশক ধরে দাপিয়ে কাজ করেছেন অভিনেত্রী রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়। বড় পর্দার পাশাপাশি ছোট পর্দাতেও তিনি সমানভাবে জনপ্রিয়। তাঁর গেম শো-এর সৌজন্যে, তিনিও বাংলার 'দিদি'। দর্শকদের মনের খুব কাছের তিনি। অভিনেত্রীকে অনেকেই নিজেদের আদর্শ বলে মনে করেন। বিনোদন দুনিয়ার পাশাপাশি হুগলী জেলা নিয়েও তাঁর দায়িত্ব অনেক। হুগলীর সাংসদ তিনি। তবে, সোশ্যাল মিডিয়ায় মাঝে মধ্যেই চরম কটাক্ষের শিকার হন অভিনেত্রী- সাংসদ।  


 

Read more!
Advertisement
Advertisement