
শিরোনামে রচনা বন্দোপাধ্যায়। সোশ্যাল মিডিয়া উত্তাল অভিনেত্রী-সাংসদের 'আরবানা' নিয়ে মন্তব্যে। সম্প্রতি অভিনেত্রী এক সাক্ষাৎকারে বলেন যে, আরবানাতে থাকতে গেলে যোগ্যতা লাগে। এর পর থেকেই তাঁকে নিয়ে চর্চার শেষ নেই। একই সঙ্গে 'দিদি নম্বর ১' নিয়েও বিতর্ক তুঙ্গে। সঞ্চালিকা বদল হয়েছে বাংলা নন ফিকশন শোয়ের। বাদ পড়েছেন রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়। এই নিয়েও তিনি নানা রকম মন্তব্য করেছেন।
তারকাদের নিয়ে মানুষের কৌতূহলের শেষ নেই। তার মধ্যে টলিপাড়ার নায়িকাদের জীবনে কখন কী ঘটছে, তা নিয়ে সকলের মধ্যে থাকে বাড়তি কৌতূহল। বিশেষত তারকাদের ব্যক্তিগত জীবন অনেকের নজর থাকে। বহু মানুষ জানতে চান তাদের পছন্দের নায়িকার শিক্ষাগত যোগ্যতা কতটা। অনেকেরই অজানা বহু টলি অভিনেত্রী অভিনয়ের পাশাপাশি শিক্ষাগত দিক দিয়েও বেশ এগিয়ে। আবার কারও ইন্ডাস্ট্রিতে আসাটাই ছিল স্বপ্ন, এজন্যে শিক্ষাগত যোগ্যতা খুব একটা বেশি না।
'আরবানায় থাকতে গেলে যোগ্যতা লাগে', রচনার এই মন্তব্যের পরে সোশ্যাল মিডিয়ায় মিমে ভরেছে। কখনও ব্যক্তিগত তো, কখনও কর্মজীবন, বিভিন্ন সময় বারবারই সংবাদের শিরোনামে আসেন অভিনেত্রী। অভিনয়, ব্যবসার পাশাপাশি সম্প্রতি তাঁর কাঁধে রয়েছে আরও একটি গুরু দায়িত্ব। হুগলীর সাংসদ রচনা। তাঁকে ঘিরে দর্শকদের কৌতূহল অত্যন্ত বেশি। সে প্রমাণ মেলে নেটমাধ্যমে চোখ রাখলেই। জানেন রচনা পড়শোনা কতদূর?
নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইট থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী উচ্চমাধ্যমিক পাশ করেছেন রচনা। ন্যাশনাল গার্লস হাই স্কুল থেকে পড়াশোনা করেছেন নায়িকা- সাংসদ। নেটমাধ্যমে তথ্য রয়েছে, এর পর নাকি সাউথ সিটি কলেজে স্নাতক ডিগ্রি পেতে ভর্তি হন তিনি। তবে কলেজের পড়াশোনা শেষ করতে পারেননি। ব্যস্ত হয়ে যান মডেলিং ও ছবির কাজে।
প্রসঙ্গত, বাংলার পাশাপাশি ওড়িয়া ও দক্ষিণী ইন্ডাস্ট্রিতে প্রায় তিন দশক ধরে দাপিয়ে কাজ করেছেন অভিনেত্রী রচনা বন্দোপাধ্যায়। বড় পর্দার পাশাপাশি ছোট পর্দাতেও তিনি সমানভাবে জনপ্রিয়। তাঁর গেম শো-এর সৌজন্যে, তিনিও এতদিন বাংলার 'দিদি' ছিলেন। বিপুল সংখ্যক দর্শকের মনের খুব কাছের তিনি। সোশ্যাল মিডিয়ায় মাঝে মধ্যেই চরম কটাক্ষের শিকার হন রচনা।