Advertisement

Crime News: পর্ন দেখিয়ে দিনের পর দিন 'অপ্রাকৃতিক সেক্স', স্বামীর বিরুদ্ধে থানায় গৃহবধূ

স্বামীর বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ তুলে থানায় গেলেন এক গৃহবধূ। শারীরিক ও মানসিক অত্যাচারের পাশাপাশি পর্ন দেখিয়ে অপ্রাকৃতিক যৌনমিলনে বাধ্য করা হতো বলে অভিযোগ।

প্রতীকী ছবি প্রতীকী ছবি
Aajtak Bangla
  • আহমেদাবাদ,
  • 28 Jun 2026,
  • अपडेटेड 1:02 AM IST
  • স্বামীর বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ
  • পর্ন দেখিয়ে অপ্রাকৃতস্থ যৌনমিলনে বাধ্য করা হতো
  • থানায় গেলেন আহমেদাবাদের এক গৃহবধূ

গুজরাতের আহমেদাবাদে এক গৃহবধূ তাঁর শ্বশুরবাড়িতে ভয়াবহ নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। তিনি তাঁর স্বামীর বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ তুলেছেন। দাবি করেছেনস স্বামী তাঁকে পর্নোগ্রাফি দেখাতেন এবং মারধর করতেন। শারীরিক ও মানসিক ভাবে টর্চার করা হতো তাঁকে। কোনও মতে সাহস সঞ্চয় করে নির্যাতিতা থানায় তাঁর স্বামী, শাশুড়ি এবং দেওরের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায় করতে সক্ষম হন। 

মর্মান্তিক এই ঘটনাটি ঘটেছে আহমেদাবাদের শাহীবাগ এলাকায়। নির্যাতিতা তাঁর অভিযোগে জানিয়েছেন, তাঁর স্বামী তাঁরে পর্ন ছবি দেখতে বাধ্য করতেন। বিকৃত ভাবে যৌনমিলনেও বাধ্য করা হতো তাঁকে। এমনকী, গর্ভাবস্থাতেও তাঁকে লাথি মারা হয়, গর্ভপাতের জন্য চাপও দেওয়া হয়। 

শ্বশুরবাড়ির লোকজন ক্রমাগত শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করত এবং প্রাণনাশের হুমকিও দিত। এতে অতিষ্ঠ হয়ে মহিলাটি আহমেদাবাদের মহিলা থানায় গিয়ে তাঁর দুর্দশার কথা জানান। তাঁর অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ একটি মামলা নথিভুক্ত করে তদন্ত শুরু করেছে। 

অভিযোগ অনুযায়ী, ২০১১ সালে ওই মহিলার বিয়ে হয়। কিন্তু বিয়ের মাত্র ১৫ দিন পরেই তাঁর শ্বশুরবাড়ির লোকজন তাঁর উপর দুর্ব্যবহার শুরু করে বিয়ের সময়ে তাঁর শ্বশুরবাড়ির লোকজন তাঁর থেকে গোপন করেছিল, পরে তিনি জানতে পারেন তাঁর স্বামীর আগে বিয়ে হয়েছিল এবং প্রথমপক্ষের একটি সন্তানও রয়েছে। 

বিয়ের পরই শাশুড়ি ও দেওর যৌতুক নিয়ে তাঁকে কটুক্তি করতে শুরু করে। গর্ভবতী হওয়া সত্ত্বেও তাঁকে পর্যাপ্ত বিশ্রাম দেওয়া হতো না এবং বাড়ির ভারী রাজ করতে বাধ্য করা হতো। তাঁদের মেয়ের জন্মের পরও স্বামীর নির্যাতন অব্যাহত ছিল। সে প্রায়ই গভীর রাতে বাড়ি ফিরত। পার্টিতে যেত এবং তাঁৎ ইচ্ছের বিরুদ্ধে তাঁর সঙ্গে অপ্রাকৃতিক যৌনমিলন করত।

স্ত্রী অসুস্থ থাকা সত্ত্বেও কামোদ্দীপক ওষুধ দিয়ে যৌনমিলনে বাধ্য করত স্বামী। রাজি না হলে নির্মম ভাবে মারধর করত। কিছুদিন পর স্ত্রী আবার গর্ভবতী হলে স্বামী তাঁকে গর্ভপাতের জন্য চাপ দেয় এবং রাজি না হওয়ায় ডিভোর্স দেওয়ার হুমকি দেয়। 

Advertisement

একটা সময়ে বিপর্যস্ত হয়ে ওই গৃহবধূ তাঁর বাপের বাড়ি চলে যান। কিন্তু স্বামী এসে দোর করে তাঁকে শ্বশুরবাড়িতে ফিরিয়ে আনেন। তাঁর শাশুড়ি ও দেওরও তাঁকে অনবরত খোঁচা দিয়ে কথা বলতে থাকে। তাঁকে বলা হয়, 'আমাদের ছেলে তোমাকে পছন্দ করে না। সামাদিক রীতিনীতির কারণে তোমাকে রাখা হচ্ছে। তুমি আমাদের সংসারটা নষ্ট করে দিয়েছো। তোমার উচিত ডিভোর্স নিয়ে চলে যাওয়া।'

স্ত্রী মধ্যরাতে তাঁর স্বামীকে বিদেশি তরুণীদের সঙ্গে ভিডিও করে কথা বলতে দেখে ফেলেছিলেন। স্বামী তাঁকে তারপর থেকে পর্ন দেখিয়ে যৌনমিলনে বাধ্য করতেন। তৃতীয় কন্যাসন্তানের জন্মের পর শ্বশুরবাড়ির মনোভাব আরও হিংস্র হতে শুরু করে। নির্যাতিতা তাঁর স্বামীর আচরণের কথা শাশুড়িকে জানাতে তিনি তাঁকেই বাড়ি থেকে বের করে দেন। ৫ মাস বাপের বাড়িতে থেকে ফিরে আসার পরও কোনও বদল হয়নি পরিস্থিতির। স্বামীর হিংস্রতা দিন দিন বাড়তে থাকে। পুলিশ অভিযোগ করলেও প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি দেওয়া হয় তাঁকে। অবশেষে সাহস দেখিয়ে স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির বিরুদ্ধে থানার দ্বারস্থ হন নির্যাতিতা। তাঁর অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। 
 

 

Read more!
Advertisement
Advertisement