Advertisement

Calcutta Medical College and Hospital : অ্যাপ্রন পরে দিব্যি ঘুরছিল, মেডিক্যাল কলেজে জালে ভুয়ো ডাক্তার

Calcutta Medical College and Hospital Fake Doctor Arrested: কলকাতা মেডিক্যাল কলেজের ভুয়ো ডাক্তার! সেখানকার ইমার্জেন্সিতে অ্যাপ্রোন গায়ে দিব্যি ঘোরাঘুরি করছিল। রোগীর পরিবারকে পরামর্শও দিচ্ছিল। তবে তার হাবভাব দেখে সন্দেহজনক বলে মনে হয়।

কলকাতা মেডিকেল কলেজ থেকে ভুয়ো ডাক্তার গ্রেফতার (প্রতীকী ছবি)কলকাতা মেডিকেল কলেজ থেকে ভুয়ো ডাক্তার গ্রেফতার (প্রতীকী ছবি)
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 08 Jun 2022,
  • अपडेटेड 2:16 PM IST
  • কলকাতা মেডিক্যাল কলেজের ভুয়ো ডাক্তার
  • সেখানকার ইমার্জেন্সিতে অ্যাপ্রোন গায়ে দিব্যি ঘোরাঘুরি করছিল
  • রোগীর পরিবারকে পরামর্শও দিচ্ছিল

Calcutta Medical College and Hospital Fake Doctor Arrested: কলকাতা মেডিক্যাল কলেজের ভুয়ো ডাক্তার! সেখানকার ইমার্জেন্সিতে অ্যাপ্রোন গায়ে দিব্যি ঘোরাঘুরি করছিল। রোগীর পরিবারকে পরামর্শও দিচ্ছিল। তবে তার হাবভাব দেখে সন্দেহজনক বলে মনে হয়। পরে তাকে গ্রেফতার করে পুলিশ। এই ঘটনার জেরে হাসপাতালে উত্তেজনা ছড়ায়। 

হাওড়ার বাসিন্দা
পুলিশ এবং হাসপাতাল সূত্রে খবর, ওই যুবকের নাম সানোয়ার হোসেন। সে হাওড়ার বাসিন্দা। তার বয়স ২৫ বছর। মঙ্গলবার দুপুরের ঘটনা। চিকিৎসক সেজে সে সেখানে হাজির হয়েছিল। হাসপাতালের বিভিন্ন অংশে তাকে দেখা গিয়েছে।

জানা গিয়েছে, ওইদিন মেডিক্যাল কলেজ থেকে ওই যুবককে গ্রেফতার করা হয়েছে। খবর পেয়ে সেখানে যায় বৌবাজার থানার পুলিশ এবং তাকে গ্রেফতার করে। হাসপাতালে চিকিৎসকদের মতোই কাজ করছিল। রোগী এবং তাঁর পরিবারের সঙ্গে কথা বলছিল, পরামর্শ দিচ্ছিল। অভিযুক্ত যুবকের গলায় কোন স্টোথোস্কোপ ছিল না। আর তিনি কোনও চিকিৎসক করেননি। এমনই জানা গিয়েছে হাসপাতাল সূত্রে।

কী করে ধরা হল ওই যুবককে?
রোগীদের সঙ্গে কথা বলছিল সে। তখন তাকে দেখে সন্দেহ হয় হাসপাতালে কর্মী, জুনিয়র ডাক্তারদের একাংশের। এরপর খবর দেওয়া হয় নিরাপত্তারক্ষীদের। পুলিশের কাছেও খবর পাঠানো হয়। 

কম দামে ওষুধ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি
প্রাথমিক তদন্তের পর উঠে এসেছে, রোগীর পরিবারকে কম খরচে ওষুধ কিনে দেওয়ার কথা বলছিল। সেই প্রতিশ্রুতি দিয়ে তাঁদের থেকে টাকা হাতিয়ে নেওয়ার লক্ষ্য ছিল অভিযুক্তের। কেউ প্রতারিত হয়েছেন কিনা, দেখা হচ্ছে। হাসপাতালে সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখছে পুলিশ। 

সঙ্গে আর কেউ?
এই ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। এর সঙ্গে আর কেউ বা কারা যুক্ত কিনা, দেখা হচ্ছে। হাসপাতালের দালাল-চক্র ওই যুবকের সঙ্গে যুক্ত কিনা, তা-ও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ধৃত যুবককে জিজ্ঞাসাবাদ করে তার থেকে আরও তথ্য পাওয়ার চেষ্টা করা হয়। এর আগে আর কোনও হাসপাতালে এমন কাজ সে করেছে কিনা, তা জানার চেষ্টা করা হচ্ছে।  

Advertisement

 

Read more!
Advertisement
Advertisement