Advertisement

Chandranath Rath Murder: চন্দ্রনাথ রথ খুনে বড় সূত্র, বালি টোলপ্লাজার UPI পেমেন্ট ধরে খুনিদের খোঁজে পুলিশ

Chandranath Rath Murder Case: শুভেন্দু অধিকারীর ঘনিষ্ঠ সহকারী চন্দ্রনাথ রথ খুনের তদন্তে বড় সূত্র পেল পুলিশ। বালি নিবেদিতা টোলপ্লাজার ইউপিআই লেনদেনের ডেটা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

টোলপ্লাজার ইউপিআই লেনদেনের ডেটা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। টোলপ্লাজার ইউপিআই লেনদেনের ডেটা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।
Aajtak Bangla
  • কলকাতা ,
  • 10 May 2026,
  • अपडेटेड 1:28 PM IST
  • শুভেন্দু অধিকারীর ঘনিষ্ঠ সহকারী চন্দ্রনাথ রথ খুনের তদন্তে বড় সূত্র পেল পুলিশ। 
  • বালি নিবেদিতা সেতুর টোলপ্লাজার ইউপিআই লেনদেনের ডেটা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।
  • বালি টোলপ্লাজা পেরোনোর সময় ডিজিটাল মাধ্যমে টোলের টাকা মিটিয়েছিল।

Chandranath Rath Murder Case: শুভেন্দু অধিকারীর ঘনিষ্ঠ সহকারী চন্দ্রনাথ রথ খুনের তদন্তে বড় সূত্র পেল পুলিশ। বালি নিবেদিতা সেতুর টোলপ্লাজার ইউপিআই লেনদেনের ডেটা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। তদন্তকারী সূত্রে খবর, খুনের আগে যে সিলভার রঙের নিসান মাইক্রা গাড়িটি চন্দ্রনাথ রথের গাড়ির পথ আটকে দিয়েছিল, সেটি বালি টোলপ্লাজা পেরোনোর সময় ডিজিটাল মাধ্যমে টোলের টাকা মিটিয়েছিল। সেই ইউপিআই ট্রানজ্যাকশনের তথ্য ঘিরেই এখন তদন্তে নতুন সূত্র মিলেছে বলে মনে করা হচ্ছে।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, টোল প্লাজায় কোন মোবাইল নম্বর বা ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা পাঠানো হয়েছিল, সেই তথ্য খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্তকারীদের অনুমান, ওই ডিজিটাল পেমেন্টের সূত্র ধরেই খুনিদের গতিবিধি সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া যেতে পারে। ইতিমধ্যেই বালি নিবেদিতা টোলপ্লাজার সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করেছে পুলিশ। সেখানে সন্দেহভাজন গাড়িটির যাতায়াতের ছবি মিলেছে বলেও সূত্রের দাবি।

গত ৬ মে মধ্যমগ্রামে প্রকাশ্যে গুলি করে খুন করা হয় শুভেন্দু অধিকারীর আপ্তসহায়ক চন্দ্রনাথ রথকে। সেই ঘটনার পর থেকেই ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়ায় রাজনৈতিক মহল এবং প্রশাসনের অন্দরে। তদন্তে নেমে পুলিশ জানতে পারে, হামলাকারীরা পরিকল্পনা করেই এসেছিল। ঘটনায় ব্যবহার করা হয়েছিল একটি গাড়ি এবং দু’টি মোটরবাইক। খুনের পর ঘটনাস্থলে গাড়িটি ফেলে রেখে বাইকে চেপে এলাকা ছাড়ে দুষ্কৃতীরা।

তদন্তে আরও জানা গিয়েছে, খুনে ব্যবহৃত গাড়িটি সম্ভবত ঝাড়খণ্ড থেকে আনা হয়েছিল। অভিযুক্তদের খোঁজে ইতিমধ্যেই উত্তরপ্রদেশে পৌঁছেছে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের বিশেষ তদন্তকারী দল। একাধিক জায়গায় তল্লাশি চালানো হচ্ছে। পুলিশ সূত্রে খবর, অপরাধীদের চিহ্নিত করতে আন্তঃরাজ্য যোগাযোগও শুরু হয়েছে।

ঘটনার পর প্রথমে বিমানবন্দর সংলগ্ন একটি ঘেরা এলাকা থেকে একটি মোটরবাইক উদ্ধার হয়। পরে আরও একটি বাইক উদ্ধার করে পুলিশ। তদন্তকারীরা জানতে পেরেছেন, উদ্ধার হওয়া গাড়ি এবং বাইকের নম্বর প্লেট ভুয়ো ছিল। শুধু তাই নয়, যানবাহনের চেসিস নম্বরও ঘষে নষ্ট করে দেওয়া হয়েছিল। পুলিশের অনুমান, পরিকল্পিত ভাবেই সমস্ত পরিচয় মুছে ফেলতে এই পদক্ষেপ নিয়েছিল আততায়ীরা।

Advertisement

তদন্তকারীদের দাবি, হামলার ধরন দেখেই বোঝা যাচ্ছে, পুরো ঘটনাটি অত্যন্ত পেশাদার কায়দায় সাজানো। মধ্যমগ্রামের দোহারিয়া এলাকায় চন্দ্রনাথ রথের গাড়ির সামনে আচমকাই এসে দাঁড়ায় একটি নিসান মাইক্রা। তার পরই শুরু হয় হামলা। প্রথমে গাড়ির কাচ লক্ষ্য করে গুলি চালানো হয়। পরে জানলার ফাঁক দিয়ে একাধিক রাউন্ড গুলি ছোড়া হয় বলে তদন্তে উঠে এসেছে। ঘটনাস্থলেই গুরুতর জখম হন চন্দ্রনাথ এবং তাঁর গাড়ির চালক।

রক্তাক্ত অবস্থায় তাঁদের হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকেরা চন্দ্রনাথ রথকে মৃত ঘোষণা করেন। আহত চালক এখনও চিকিৎসাধীন। তাঁর বয়ানও তদন্তে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন তদন্তকারীরা। 

Read more!
Advertisement
Advertisement