Advertisement

Crime: ফের ফ্রিজে দেহ, স্বামী, শাশুড়িকে খুন করে ফ্রিজে রাখল গুয়াহাটির মহিলা

দিল্লির শ্রদ্ধা ওয়ালকার, নিক্কি যাদবের পর ফের খুনের পর দেহ ফ্রিজে ঢোকানোর ঘটনায় আরও একবার শিউড়ে উঠছে দেশ। এবারের ঘটনা অসমের গুয়াহাটিতে। স্বামী এবং শাশুড়িকে খুনের পর তাঁদের দেহ টুকরো করে ফ্রিজে রাখার অভিযোগে গ্রেফতার করা হল অসমের এক মহিলাকে। এরপর স্বামী এবং শাশুড়ির টুকরো দেহাংশ মেঘালয়ের জঙ্গলে ফেলে দেওয়ার অভিযোগ ওঠে।

প্রতীকী ছবি।প্রতীকী ছবি।
Aajtak Bangla
  • দিল্লি ,
  • 20 Feb 2023,
  • अपडेटेड 5:57 PM IST
  • দিল্লির শ্রদ্ধা ওয়ালকার, নিক্কি যাদবের পর ফের খুনের পর দেহ ফ্রিজে ঢোকানোর ঘটনায় আরও একবার শিউড়ে উঠছে দেশ।
  • এবারের ঘটনা অসমের গুয়াহাটিতে।

দিল্লির শ্রদ্ধা ওয়ালকার, নিক্কি যাদবের পর ফের খুনের পর দেহ ফ্রিজে ঢোকানোর ঘটনায় আরও একবার শিউড়ে উঠছে দেশ। এবারের ঘটনা অসমের গুয়াহাটিতে। স্বামী এবং শাশুড়িকে খুনের পর তাঁদের দেহ টুকরো করে ফ্রিজে রাখার অভিযোগে গ্রেফতার করা হল অসমের এক মহিলাকে। এরপর স্বামী এবং শাশুড়ির টুকরো দেহাংশ মেঘালয়ের জঙ্গলে ফেলে দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। 

ধৃত মহিলার নাম বন্দনা কলিতা। তাঁর সঙ্গে গ্রেফতার করা হয়েছে ধনজিৎ ডেকা নামে এক যুবককে। তদন্তকারীদের দাবি, ধনজিতের সঙ্গে বন্দনার বিবাহবহির্ভূত সম্পর্ক ছিল। সেই কারণেই খুন কি না খতিয়ে দেখছে পুলিশ। খুনে জড়িত থাকার অভিযোগে অরূপ দাস নামে বন্দনার এক বন্ধুকেও গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

গুয়াহাটির পুলিশ কমিশনার দিগন্ত বোরা জানিয়েছেন, অমরেন্দ্র দে এবং তাঁর মা শঙ্করী দে-কে গত ৭ মাস আগে খুন করা হয়েছিল। খুনের পর তাঁদের দেহ টুকরো করে পলিথিনে ভরে প্রথমে ফ্রিজে রেখেছিলেন বন্দনা। তার পর সেই দেহাংশগুলি লোপাটের জন্য মেঘালয়ের জঙ্গলে ফেলে দেন তিনি। প্রাথমিক তদন্তে এমনটাই মনে করছে পুলিশ। 

পুলিশ সূত্রে খবর, খুনের পর স্বামী এবং শাশুড়ির নামে নিজেই নুনমাটি থানায় নিখোঁজ ডায়েরি দায়ের করেছিলেন বন্দনা। কিন্তু সেই তদন্তে কিছুই পাওয়া যায়নি। এর পর অমরেন্দ্রের তুতো ভাই আরও একটি নিখোঁজ ডায়েরি দায়ের করেন। তার ভিত্তিতে পুনরায় এই ঘটনার তদন্ত শুরু হয়।

গত ১৭ ফেব্রুয়ারি বন্দনাকে আটক করে পুলিশ। রবিবার তল্লাশি চালিয়ে দেহের কিছু টুকরো উদ্ধার করেছে পুলিশ। এর পরই বন্দনা এবং ওই ২ যুবককে গ্রেফতার করে পুলিশ। পুলিশসূত্রে খবর, খুনের কথা স্বীকার করে নিয়েছেন অভিযুক্ত মহিলা। জানিয়েছেন, তিনি নিজেই স্বামী ও শাশুড়িকে খুন করেছেন। এরপর দেহের টুকরো করে পলিথিন ব্যাগে ভরে সেগুলি ফ্রিজে ভরে রাখেন। তারপর ভাড়া বাড়ি ছেড়ে চলে যান। কিছুদিন পরে ফিরে এসে ফ্রিজ থেকে শরীরের টুকরোগুলো বের করে মেঘালয়ের ডাউকি শহরে ফেলে দেন। মহিলা পুলিশকে জানিয়েছেন যে, তাঁর এক বন্ধু ওই কাজে তাঁকে সাহায্য করেছেন। অভিযুক্তর প্রতিবেশীরা পুলিশকে জানিয়েছে, তাঁরা ওই মহিলাকে ছাদে বিছানা ও জামাকাপড় পোড়াতে দেখেছে।

Advertisement


 

Read more!
Advertisement
Advertisement