Advertisement

Gaighata Case: গাইঘাটায় উদ্ধার কিশোরীর রক্তাক্ত দেহ, ধর্ষণ-খুনের অভিযোগে গ্রেফতার আত্মীয়

রাতভর নিখোঁজ। পরদিন সকালে প্রতিবেশীর বাড়ির পিছন থেকে উদ্ধার হল ১৭ বছরের এক কিশোরীর ক্ষতবিক্ষত দেহ। উত্তর ২৪ পরগনার গাইঘাটার ঘটনা। প্রাথমিকভাবে ধর্ষণ ও খুনের ঘটনা বলেই মনে করছে পুলিশ।

গাইঘাটায় একাদশ শ্রেণির ছাত্রীর দেহ উদ্ধার, গ্রেফতার আত্মীয়গাইঘাটায় একাদশ শ্রেণির ছাত্রীর দেহ উদ্ধার, গ্রেফতার আত্মীয়
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 25 Oct 2026,
  • अपडेटेड 5:54 PM IST
  • প্রতিবেশীর বাড়ির পিছন থেকে উদ্ধার হল ১৭ বছরের এক কিশোরীর ক্ষতবিক্ষত দেহ।
  • উত্তর ২৪ পরগনার গাইঘাটার ঘটনা।
  • প্রাথমিকভাবে ধর্ষণ ও খুনের ঘটনা বলেই মনে করছে পুলিশ।

রাতভর নিখোঁজ। পরদিন সকালে প্রতিবেশীর বাড়ির পিছন থেকে উদ্ধার হল ১৭ বছরের এক কিশোরীর ক্ষতবিক্ষত দেহ। উত্তর ২৪ পরগনার গাইঘাটার ঘটনা। প্রাথমিকভাবে ধর্ষণ ও খুনের ঘটনা বলেই মনে করছে পুলিশ। ইতিমধ্যে এক যুবককে গ্রেফতারও করা হয়েছে। ধৃতের নাম প্রহ্লাদ দাস। ২৩ বছরের ওই যুবক কিশোরীর আত্মীয় বলে জানা গিয়েছে। 

স্থানীয় সূত্রে খবর, শনিবার রাতে বাড়ির কাছেই একটি জলসার আয়োজন করা হয়েছিল। সেখানে যাওয়ার জন্য সন্ধ্যায় বাড়ি থেকে বেরিয়েছিল একাদশ শ্রেণির ওই ছাত্রী। অনুষ্ঠান চলাকালীন রাত সাড়ে ১১টা নাগাদ তার কাছে ফোন আসে। তার পরেই জলসার জায়গা ছেড়ে বেরিয়ে যায় সে। কিন্তু আর বাড়ি ফেরেনি। পরিবারের লোকজন রাতভর খোঁজ করেন। রবিবার সকালে মেলে তার দেহ।

কিশোরীর এক আত্মীয়ের দাবি, রাতে বাড়ি না ফেরায় ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হয়েছিল। কিন্তু ফোন ব্যস্ত থাকায় তাঁরা প্রথমে নেটওয়ার্কের সমস্যা বলে মনে করেছিলেন। সকালে এমন খবর পেয়ে তাঁরা হতবাক হয়ে যান।

ধর্ষণ ও খুন, সন্দেহ পুলিশের
বনগাঁ পুলিশ জেলার পুলিশ সুপার বিদিশা কলিতা দাশগুপ্ত জানিয়েছেন, রবিবার সকালে গাইঘাটা থানা এলাকায় দেহ উদ্ধার হয়। পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু হয়েছে। প্রাথমিক ভাবে ধর্ষণ ও খুনের ঘটনা বলে মনে করা হচ্ছে। 

তদন্তের জন্য মেডিক্যাল বোর্ড গঠন করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের ভিডিয়োগ্রাফি করা হবে বলেও জানিয়েছে পুলিশ। ঘটনাস্থল থেকে নমুনা সংগ্রহের জন্য ডাকা হয়েছে ফরেনসিক টিম। এই ঘটনায় আরও কেউ জড়িত কি না, তা-ও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

কী কারণে আক্রোশ? খতিয়ে দেখছে পুলিশ
পুলিশ সূত্রে দাবি, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে কিশোরীর সঙ্গে ধৃতের পরিবারের কোনও বিষয় নিয়ে বিরোধ ছিল বলে জানা গিয়েছে। অভিযুক্তের মায়ের সঙ্গে বচসা থেকেই ওই ছাত্রীর উপর আক্রোশ তৈরি হয়েছিল কি না, তা তদন্ত করে দেখছেন আধিকারিকরা। তবে পুরোটাই প্রাথমিক অনুমান মাত্র।

ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন গাইঘাটার বিধায়ক সুব্রত ঠাকুর। তিনি জানিয়েছেন, নির্যাতিতার পরিবারের পাশে থাকবেন তাঁরা। দোষীদের কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়েছেন তিনি।   

Advertisement

Read more!
Advertisement
Advertisement