Advertisement

সাঁকরাইলে সোনার ব্যবসায়ীকে লক্ষ্য করে গুলি, সোনা-রুপো এবং নগদ নিয়ে পালাল দুষ্কৃতীরা

ব্যবসায়ী বাধা দিলে দুষ্কৃতীরা তাঁকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। সেই সময় ব্যবসায়ী দুষ্কৃতীদের ধাওয়া করলে অভিযুক্তরা ফের তিন রাউন্ড গুলি চালায় বলে অভিযোগ। প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, মোট পাঁচ থেকে ছয়জন দুষ্কৃতী তিনটি মোটরবাইকে করে এসেছিল। 

হাওড়ার রোমহর্ষক ছিনতাই হাওড়ার রোমহর্ষক ছিনতাই
Aajtak Bangla
  • সাঁকরাইল ,
  • 14 Jun 2026,
  • अपडेटेड 3:29 PM IST
  • ব্যবসায়ী চন্দন কাঁড়া প্রতিদিনের মতো দোকান বন্ধ করে রওনা দিচ্ছিলেন বাড়ির দিকে
  • তাঁর পিঠে ও হাতে ছিল দুটি ব্যাগ

হাওড়ার সাঁকরাইলে স্বর্ণ ব্যবসায়ীকে লক্ষ্য করে গুলি দুষ্কৃতীদের। গুলিচালনার পর তারা ব্যবসায়ীর সঙ্গে থাকা ব্যাগ নিয়ে চম্পট দেয়। অভিযোগ, দোকান বন্ধ করে বাড়ি ফেরার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন ওই স্বর্ণ ব্যবসায়ী। সেই সময়ই মুখে রুমাল বাঁধা একদল দুষ্কৃতী আচমকা হামলা চালিয়ে তাঁর কাছে থাকা সোনা, রুপো ও নগদ টাকার ব্যাগ ছিনিয়ে নেয়। শনিবার রাতের এই ঘটনার জেরে এলাকায় চাঞ্চল্য। 

ব্যবসায়ী চন্দন কাঁড়া প্রতিদিনের মতো দোকান বন্ধ করে রওনা দিচ্ছিলেন বাড়ির দিকে। তাঁর পিঠে ও হাতে ছিল দুটি ব্যাগ। যার মধ্যে ছিল প্রায় ২০০ গ্রাম সোনা, ৭ থেকে ৮ কেজি রুপোর গয়না এবং আনুমানিক ৬০ থেকে ৭০ হাজার টাকা নগদ। দোকানের সামনে রাখা মোটরবাইকটি বৃষ্টিতে ভিজে যাওয়ায় তিনি সেটি মুছছিলেন। ঠিক সেই সময় কয়েকজন যুবক মুখ ঢেকে সেখানে এসে আচমকা তাঁর ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে এবং ব্যাগ কেড়ে নেয়।

ব্যবসায়ী বাধা দিলে দুষ্কৃতীরা তাঁকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। সেই সময় ব্যবসায়ী দুষ্কৃতীদের ধাওয়া করলে অভিযুক্তরা ফের তিন রাউন্ড গুলি চালায় বলে অভিযোগ। প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, মোট পাঁচ থেকে ছয়জন দুষ্কৃতী তিনটি মোটরবাইকে করে এসেছিল। 

গুলি চলার শব্দে এলাকাজুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে বিশাল পুলিশ বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছায় এবং এলাকা ঘিরে তদন্ত শুরু করে। আশপাশের সিসিটিভি ফুটেজও খতিয়ে দেখছে পুলিশ, যাতে অভিযুক্তদের শনাক্ত করা যায়।

স্বর্ণ ব্যবসায়ী চন্দন কাঁড়ার জানান, 'আমি আট বছরেরও বেশি সময় ধরে এই এলাকায় ব্যবসা করছি। এর আগে কখনও এমন ঘটনা ঘটেনি। দোকান বন্ধ করে বেরোনোর সময় আমার কাছে প্রায় ২০০ গ্রাম সোনা, ৭-৮ কেজি রুপো এবং নগদ টাকা ছিল। আচমকাই কয়েকজন এসে ব্যাগ ছিনিয়ে নেয় ও গুলি চালায়।”

ঘটনার খবর পেয়ে রাতে এলাকায় পৌঁছান বিজেপি নেতা রঞ্জন পাল ও প্রভাকর পণ্ডিত। তাঁরা ব্যবসায়ীর সঙ্গে কথা বলেন এবং দ্রুত দুষ্কৃতীদের গ্রেফতারের দাবি জানান। এলাকার ব্যবসায়ীদের মধ্যেও নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।

Advertisement

রাতেই ওই স্বর্ণ ব্যবসায়ী সাঁকরাইল থানায় গিয়ে পুলিশের কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। পুলিশ জানিয়েছে, অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু হয়েছে এবং দুষ্কৃতীদের শনাক্ত করে গ্রেফতারের জন্য তল্লাশি চালানো হচ্ছে। 
 

Read more!
Advertisement
Advertisement