Advertisement

Gujarat double murder case: বাবা-মাকে গলা টিপে খুন, তারপর দেহ পুড়িয়ে দিল ছেলে ও বৌমা! গুজরাতে শিউরে ওঠা ঘটনা

গত ১৯ এপ্রিল তালাজার রামটেকরি এলাকায় নিজের শোওয়ার ঘর থেকেই উদ্ধার হয় কিশোরভাই বৈথা এবং তাঁর স্ত্রী রেখাবেনের অর্ধদগ্ধ মৃতদেহ। পেশায় ঘড়ি ও সোনার ব্যবসায়ী কিশোরভাইয়ের পরিবারের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, ঘুমের ঘোরে শর্ট সার্কিট বা কোনওভাবে আগুন লেগে তাঁদের মৃত্যু হয়েছে।

Gujarat Double Murder Case: গুজরাতে বাবা-মাকে নৃশংস হত্যা ছেলে-ছেলের বউয়েরGujarat Double Murder Case: গুজরাতে বাবা-মাকে নৃশংস হত্যা ছেলে-ছেলের বউয়ের
Aajtak Bangla
  • ভাবনগর (গুজরাত),
  • 03 May 2026,
  • अपडेटेड 4:06 PM IST

Gujarat double murder case: রক্তের সম্পর্ক যে কতটা বিষাক্ত হতে পারে, গুজরাটের ভাবনগরের তালাজা এলাকার ঘটনা যেন তারই প্রমাণ। পৈতৃক সম্পত্তি আর টাকার নেশায় অন্ধ হয়ে নিজের জন্মদাতা বাবা-মাকে খুন করে দেহ পুড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠল গুণধর ছেলে ও বৌমার বিরুদ্ধে। দুর্ঘটনা বলে চালিয়ে দেওয়ার সবরকম চেষ্টা করলেও শেষরক্ষা হল না। পুলিশের জালে ধরা পড়ল দম্পতি সহ মোট চারজন।

ঘটনার সূত্রপাত ও পুলিশের প্রাথমিক সন্দেহ
গত ১৯ এপ্রিল তালাজার রামটেকরি এলাকায় নিজের শোওয়ার ঘর থেকেই উদ্ধার হয় কিশোরভাই বৈথা এবং তাঁর স্ত্রী রেখাবেনের অর্ধদগ্ধ মৃতদেহ। পেশায় ঘড়ি ও সোনার ব্যবসায়ী কিশোরভাইয়ের পরিবারের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, ঘুমের ঘোরে শর্ট সার্কিট বা কোনওভাবে আগুন লেগে তাঁদের মৃত্যু হয়েছে। পুলিশ প্রথমে একটি অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা রুজু করলেও, পারিপার্শ্বিক তথ্যপ্রমাণে খটকা লাগে তাদের। সিসিটিভি ফুটেজ এবং টেকনিক্যাল সোর্সের সূত্র ধরে তদন্ত এগোতেই বেরিয়ে আসে হাড়হিম করা সত্য।

ময়নাতদন্তে আসল রহস্য ফাঁস
দেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হলে চিকিৎসকরা জানান, কিশোরভাইকে গলা টিপে শ্বাসরোধ করে খুন করা হয়েছে। রেখাবেনকেও একইভাবে পৃথিবী থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। এরপরই নড়েচড়ে বসে পুলিশ। মৃত দম্পতির আত্মীয় রাজেশভাইয়ের অভিযোগের ভিত্তিতে ছেলে বিমল এবং তার স্ত্রী হেতালের বিরুদ্ধে খুনের মামলা দায়ের হয়।

কেন এই নৃশংসতা?
তদন্তে জানা গিয়েছে, বিমলের ঋণের বোঝা ক্রমশ বাড়ছিল। আর সেই দেনা মেটাতে সে ক্রমাগত বাবার কাছে টাকা চাইত। এমনকি বাড়ি, দোকান এবং মায়ের গয়না বিক্রি করার জন্যও চাপ দিত সে। এই নিয়ে পরিবারে অশান্তি লেগেই ছিল। সেই রাগ এবং সম্পত্তি একার করার লোভ থেকেই এই শয়তানি ছক।

খুনের রাত ও আলিবাই তৈরির চেষ্টা
খুনের দিন রাত ১০টা নাগাদ সলংপুর থেকে ফেরে বিমল ও হেতাল। রাত ১১টা নাগাদ সে বন্ধুদের সঙ্গে চা খেতে যাওয়ার অছিলায় বাড়ি থেকে বের হয়। তার আগেই বাবা-মাকে নৃশংসভাবে শেষ করে দিয়েছিল সে। রাত দেড়টা নাগাদ বাড়ির লোক ফোন করে জানায় ঘরে আগুন লেগেছে। বিমল এমন ভাব করে যেন সে কিছুই জানে না। দমকল বাহিনীকেও ঘরে ঢুকতে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করা হয় বলে অভিযোগ। কিন্তু পুলিশের বারো দিনের ম্যারাথন জেরার মুখে শেষমেশ ভেঙে পড়ে অপরাধীরা। ভারতীয় ন্যায় সংহিতার (BNS) একাধিক ধারায় অভিযুক্তদের গ্রেফতার করা হয়েছে।

Advertisement

 

Read more!
Advertisement
Advertisement