Advertisement

Poultry Feed Adulteration: মুরগির খাবারে যা মেশানো হচ্ছিল... দেখেই আঁতকে উঠলেন অফিসাররা, Shocking

মুরগি বা গবাদি পশুর খাবারে ভেজাল দেওয়ার অভিযোগ। কৃষকদের জন্য সরকারি অনুদানে দেওয়া ইউরিয়া ব্যবহার করে পশুখাদ্য এবং পোলট্রি ফিড তৈরি করা হচ্ছিল। উত্তরপ্রদেশে হাপুড়ের হাফিজপুর থানা এলাকায় একটি বেআইনি কারখানায় হানা দিয়ে এই কারবারের সন্ধান পেয়েছে কৃষি দফতর ও পুলিশ।

বেআইনি কারখানায় হানা দিয়ে এই কারবারের সন্ধান পেয়েছে কৃষি দফতর ও পুলিশ। বেআইনি কারখানায় হানা দিয়ে এই কারবারের সন্ধান পেয়েছে কৃষি দফতর ও পুলিশ।
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 02 Oct 2026,
  • अपडेटेड 10:21 PM IST
  • উত্তরপ্রদেশের হাপুড়ে বেআইনি কারখানায় মুরগির খাবারে ইউরিয়া মেশানোর অভিযোগ।
  • অভিযানে ১৮৪ বস্তা সরকারি ইউরিয়া উদ্ধার।
  • পশু বা পোলট্রির খাবারে এইভাবে ইউরিয়া মেশানো নিরাপদ নয়। 

মুরগি বা গবাদি পশুর খাবারে ভেজাল দেওয়ার অভিযোগ। কৃষকদের জন্য সরকারি অনুদানে দেওয়া ইউরিয়া ব্যবহার করে পশুখাদ্য এবং পোলট্রি ফিড তৈরি করা হচ্ছিল। উত্তরপ্রদেশে হাপুড়ের হাফিজপুর থানা এলাকায় একটি বেআইনি কারখানায় হানা দিয়ে এই কারবারের সন্ধান পেয়েছে কৃষি দফতর ও পুলিশ। এই খাবারই দেশের বিভিন্ন পোলট্রি কারবারিদের সরবরাহ করা হত। অভিযোগ, মাঠের মধ্যে গোপনে চলছিল ওই কারখানা। সেখানে সরকারি ইউরিয়া যন্ত্রের সাহায্যে গুঁড়ো করা হত। পরে সেই গুঁড়ো মেশানো হত মুরগির খাবার কিংবা পশুখাদ্যে। ঘটনাস্থল থেকে তিন যুবককে আটক করা হয়েছে। তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ চলছে।

কীভাবে ধরা পড়ল?
জেলা কৃষি আধিকারিক গৌরব প্রকাশের নেতৃত্বে কৃষি দফতর এবং পুলিশ যৌথ অভিযান চালায়। হাফিজপুর থানা এলাকার একটি কারখানায় হানা দিতেই চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে আসে।

অভিযোগ, কারখানায় ইউরিয়া গুঁড়ো করার কাজ চলছিল। তদন্তকারীদের দাবি, পরে সেই ইউরিয়া পশুখাদ্য বা মুরগির দানার সঙ্গে মেশানো হত। ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার হয়েছে সরকারি অনুদানপ্রাপ্ত ইউরিয়ার ১৮৪ বস্তা।

কারখানায় থাকা তিন যুবককে হাতেনাতে আটক করা হয়েছে বলে প্রশাসন জানিয়েছে। তাঁদের কাছ থেকে কারবারের বিষয়ে তথ্য জানার চেষ্টা চলছে।

প্রাথমিক তদন্তে এই বেআইনি কারখানার সঙ্গে কামিল নামে এক ব্যক্তির নাম উঠে এসেছে। প্রশাসনের তরফে তাঁর ভূমিকা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। কারখানাটি কার নিয়ন্ত্রণে ছিল, কোথা থেকে ইউরিয়া আসত এবং সেই ইউরিয়া কোথায় পাঠানো হত; সব দিকই তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

কৃষি দফতরের অভিযোগের ভিত্তিতে হাফিজপুর থানায় এফআইআর দায়ের করা হয়েছে। একই সঙ্গে কারখানাটি সিল করার প্রক্রিয়াও শুরু হয়েছে।

খাবারে ইউরিয়া মেশানোর কারণ কী?
ইউরিয়ায় নাইট্রোজেন থাকে। রাসায়নিক পরীক্ষায় খাবারের ‘ক্রুড প্রোটিন’ বা অপরিশোধিত প্রোটিনের পরিমাণ নির্ধারণের সময় নাইট্রোজেনের উপস্থিতি হিসাবের মধ্যে আসে। সেই সুযোগকে কাজে লাগিয়েই কিছু অসাধু কারবারি খাবারে ইউরিয়া মেশাতে পারেন। এতে পরীক্ষার রিপোর্টে খাবারের প্রোটিনের পরিমাণ বাস্তবের তুলনায় বেশি বলে দেখায়।

Advertisement

বলাই বাহুল্য পশু বা পোলট্রির খাবারে এইভাবে ইউরিয়া মেশানো নিরাপদ নয়।  

Read more!
Advertisement
Advertisement