Advertisement

Chanditala IC removed: চণ্ডীতলার গুলিবিদ্ধ পুলিশকে IC পদ থেকে অপসারণ, তোলাবাজি সহ একাধিক অভিযোগ

হাওড়ার ঘোষপাড়া এলাকায় আহত হুগলির চণ্ডীতলা থানার পুলিশ অফিসার জয়ন্ত পালের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ। আর তা প্রকাশ্যে আসতেই তাঁকে আইসি পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। জানা গিয়েছে, হুগলির চণ্ডীতলা থানার আইসি জয়ন্ত পাল একসময় জেলার ডাকাবুকো পুলিশ আধিকারিক হিসেবেই পরিচিত ছিলেন। তাঁর নাম শুনে ক্রিমিনালরা ভয় থরথর করে কাঁপত বলে অভিযোগ। আর সেই জয়ন্ত পালের নাম উঠে এসেছে খবরের শিরোনামে। 

চণ্ডীতলা থানার আইসি জয়ন্ত পালচণ্ডীতলা থানার আইসি জয়ন্ত পাল
বিশাল দাস
  • হুগলি,
  • 21 Feb 2025,
  • अपडेटेड 6:13 PM IST

হাওড়ার ঘোষপাড়া এলাকায় আহত হুগলির চণ্ডীতলা থানার পুলিশ অফিসার জয়ন্ত পালের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ। আর তা প্রকাশ্যে আসতেই তাঁকে আইসি পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। জানা গিয়েছে, হুগলির চণ্ডীতলা থানার আইসি জয়ন্ত পাল একসময় জেলার ডাকাবুকো পুলিশ আধিকারিক হিসেবেই পরিচিত ছিলেন। তাঁর নাম শুনে ক্রিমিনালরা ভয় থরথর করে কাঁপত বলে অভিযোগ। আর সেই জয়ন্ত পালের নাম উঠে এসেছে খবরের শিরোনামে। 

জানা যায়, সম্প্রতি তিনি তাঁর বান্ধবীকে নিয়ে গাড়িতে করে হাওড়ার দিকে বেরিয়েছিলেন। আর তারপরেই ঘটে দুর্ঘটনা। তাঁকে লক্ষ্য করে হামলা করা হয়। বর্তমানে আহত অবস্থায় তিনি হাওড়ার একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

জানা যায়, দিল্লি রোডের ধারে একটি পানশালায় তাঁর বান্ধবী কাজ করত। সেখানে জয়ন্ত পালের প্রায়শই যাতায়াত ছিল। এখান থেকে তাঁদের দু'জনের পরিচয় হয়। এরপর দু'জনের মধ্যে ধীরে ধীরে মধুর সম্পর্ক গড়ে ওঠে। আর সেই সম্পর্কেরই ভয়ঙ্কর পরিণতি ঘটে। যেদিন ঘটনাটি ঘটে সেদিন জয়ন্ত বাবু তাঁর ওই বান্ধবীকে নিয়ে হাওড়ার দিকে বেরিয়েছিলেন। প্রায় ২৮ থেকে ৩০ হাজার টাকার শপিং করেছিলেন ওই দিন। এরপরই তাঁদের দু'জনের মধ্যে কথা কাটাকাটি শুরু হয়। আর তারপরই জয়ন্ত বাবুর সার্ভিস মেশিন থেকে তাঁকে তাক করে হামলা করা হয়। আহত হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন জয়ন্ত বাবু। 

সূত্রের খবর, চণ্ডীতলা থানায় আইসি পদে তাঁর পোস্টিং হওয়ার পর বিভিন্ন অসৎ কাজ কারবারের সঙ্গে জড়িয়ে পড়েছিলেন তিনি। অভিযোগ বিভিন্ন জায়গা থেকে চণ্ডীতলা থানায় টাকা আসত। এই ঘটনা সামনে আসতেই হুগলি জেলা পুলিশ প্রশাসন তাঁর বিরুদ্ধে তদন্ত কমিটি গঠন করে। এরপরেই তাঁকে আইসি পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। তার জায়গায় সার্কেল ইন্সপেক্টর সন্দীপ গঙ্গোপাধ্যায়কে নিয়ে আসা হয়েছে। ডিপার্টমেন্টাল ইনকোয়ারির পর যদি তিনি দোষী সাব্যস্ত হন তাহলে তাঁর বিরুদ্ধে কঠোর থেকে কঠোর ব্যবস্থা নিতে পারে হুগলি জেলা পুলিশ।

Advertisement

Read more!
Advertisement
Advertisement