Advertisement

Son Kills Father: পুলিশকে সঙ্গে নিয়ে কিশোর দেখাল, 'বাবাকে পিস করে রেখেছি ওই নীল ড্রামে'

মানবেন্দ্র ছেলে অক্ষত পুলিশকে জানিয়েছিল, তার বাবা গত ২০ ফেব্রুয়ারি দিল্লি যাবেন বলে বাড়ি থেকে বের হন। তারপর থেকেই মানবেন্দ্র তিনটি মোবাইল ফোনেরই সুইচড অফ। শেষ লোকেশন পাওয়া যায় কাকোরিতে।

লখনউ হত্যাকাণ্ডলখনউ হত্যাকাণ্ড
Aajtak Bangla
  • লখনউ,
  • 24 Feb 2026,
  • अपडेटेड 11:15 AM IST
  • সাধারণ জিজ্ঞাসাবাদ থেকেই ঘটনা মোড় নিল
  • বাবাকে ছেলেটি খুন করে ভোর সাড়ে ৪টেয়
  • ভাইয়ের ওই রূপ দেখে ভয়ে সিঁটিয়ে থাকে

নীলা ড্রামে প্যাথোলজির মালিকের আধা কাটা দেহ পচছিল। গত ২০ ফেব্রুয়ারি থেকে নিখোঁজ ছিলেন মানবেন্দ্র সিং। বাবার নামে থানায় নিখোঁজ ডায়েরি করেছিল ছেলে। তারপর খোঁজ চালাতে গিয়ে এই আপাত সরল নিখোঁজ ডায়েরি যে এইরকম ভয়াবহ ঘটনায় মোড় নেবে, তা পুলিশও ভাবতে পারেনি। উত্তরপ্পরদেশের লখনউয়ের আশিয়ানা থানা এলাকার ঘটনা। 

সাধারণ জিজ্ঞাসাবাদ থেকেই ঘটনা মোড় নিল

মানবেন্দ্র ছেলে অক্ষত পুলিশকে জানিয়েছিল, তার বাবা গত ২০ ফেব্রুয়ারি দিল্লি যাবেন বলে বাড়ি থেকে বের হন। তারপর থেকেই মানবেন্দ্র তিনটি মোবাইল ফোনেরই সুইচড অফ। শেষ লোকেশন পাওয়া যায় কাকোরিতে। কিন্তু মোবাইল ফোন উদ্ধার করা যায়নি। এবার পুলিশের সন্দেহ হতে শুরু করে। কিন্তু বুঝতে দেয়নি পুলিশ। ছেলে অক্ষতকেই সাধারণ ভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করে। 

বাবাকে ছেলেটি খুন করে ভোর সাড়ে ৪টেয়

পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে প্রথমে অক্ষত আত্মহত্যার তত্ত্ব খাড়া করে। মুহূর্তেই জিজ্ঞাসাবাদ বদলে যায় জেরায়। পুলিশ এবার চাপ বাড়াতে থাকে অক্ষতর উপরে। দুঁদে পুলিশ অফিসারদের জেরায় কাহিল হয়ে সত্যিটা বলেই ফেলে অক্ষত। যা শুনে হাড়হিম হয়ে যায়। অক্ষত পুলিশের জেরায় স্বীকার করে, ২০ ফেব্রুয়ারি সে তার বাবাকে ভোর সাড়ে ৪টেয় বাবারই লাইসেন্স বন্দুক দিয়ে গুলি করে মারে। মাথায় গুলি করে, যাতে মৃত্যু নিশ্চিত হয়।

 ভাইয়ের ওই রূপ দেখে ভয়ে সিঁটিয়ে থাকে

এরপরেই সে দেখতে পায়, গোটা ঘটনাটি দেখে ফেলেছে তার বোন। কিন্তু ভাইয়ের ওই রূপ দেখে ভয়ে সিঁটিয়ে থাকে। এরপর বাবার দেহ কীভাবে লোপাট করবে, তা ছকতে শুরু করে অক্ষত। প্রথমে দেহটি আধাআধি কাটে সে। তারপর একটি অংশ ছোট ছোট টুকরো করে। আর বাকি অর্ধেক একটি নীল ড্রামে ফেলে দেয়। দেহের টুকরোগুলি নিয়ে সে নির্জন জায়গায় গিয়ে ফেলে আসে। যে অর্ধেক দেহ সে ড্রামে রেখেছিল, সেটিও লোপাটের ছক কষছিল। কিন্তু তার আগেই পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায় অক্ষতকে সঙ্গে নিয়ে। 

Advertisement

নীল ড্রাম খুলতেই দেখা যায়, মানবেন্দ্র আধা দেহ

সোমবার পুলিশ পৌঁছে দেখে, চাপ চাপ রক্ত দরজায়। কাঁচা রক্ত, মাংসের গন্ধ। নীল ড্রাম খুলতেই দেখা যায়, মানবেন্দ্র আধা দেহ। আত্মীয় সূত্রের খবর, অক্ষত একাদশ শ্রেণির ছাত্র। প্রতিবেশীদের দাবি, মাঝে মাঝেই বন্দুক নিয়ে বাবাকে সে ভয় দেখাত। 

কেন মানবেন্দ্রকে খুন করল ছেলে

খুনের ঠিক ৪ মাস আগে মানবেন্দ্র দেখতে পায়, সব সোনার গয়না উধাও বাড়ি থেকে। প্রথমে পরিচারিকার উপর সন্দেহ করেন তিনি। পুলিশে অভিযোগও জানান। পরে তিনি বুঝতে পারেন, ছেলেই সব গয়না হাতিয়েছে। আইনি জটিলতা থেকে বাঁচতে পুলিশের থেকে অভিযোগ তুলে নেন তিনি। এরপর চুপিসারে অক্ষতর গতিবিধির উপর নজর রাখতে শুরু করেন। ছেলেও বুঝতে পেরে যায়, বাবা তাকে নজরে রাখছেন। এরপর ১৯   ভোরে মানবেন্দ্র ছেলেকে পড়াশোনায় মন দিতে বলেন ও গয়নাগুলির প্রসঙ্গ তোলেন। তখন বাবা-ছেলের কিছুটা বচসা হয়। এই রাগেই অক্ষত মানবেন্দ্রকে খুন করে বলে মনে করছে পুলিশ। 

Read more!
Advertisement
Advertisement