Advertisement

Suvendu PA Murder: গাড়ি দাঁড় করিয়ে গুলিতে ঝাঁঝরা, যেভাবে খুন শুভেন্দুর PA চন্দ্রনাথ

Suvendu Adhikari Aide Shot: মধ্যমগ্রামে শুভেন্দু অধিকারীর ঘনিষ্ঠ সহযোগী চন্দ্রনাথ রথ খুনের ঘটনায় সামনে আসছে একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য। প্রাথমিক তদন্ত এবং স্থানীয় সূত্রের দাবি, পরিকল্পনা করেই টার্গেট করা হয়েছিল শুভেন্দুর ব্যক্তিগত সহকারীকে।

প্রাথমিক তদন্ত এবং স্থানীয় সূত্রের দাবি, পরিকল্পনা করেই টার্গেট করা হয়েছিল শুভেন্দুর ব্যক্তিগত সহকারীকে। প্রাথমিক তদন্ত এবং স্থানীয় সূত্রের দাবি, পরিকল্পনা করেই টার্গেট করা হয়েছিল শুভেন্দুর ব্যক্তিগত সহকারীকে।
Aajtak Bangla
  • মধ্যমগ্রাম,
  • 07 May 2026,
  • अपडेटेड 1:55 AM IST
  • মধ্যমগ্রামে শুভেন্দু অধিকারীর ঘনিষ্ঠ সহযোগী চন্দ্রনাথ রথ খুন।
  • কলকাতা থেকে ফেরার সময় তাঁর স্করপিয়ো গাড়িকে আটকে হামলা চালানো হয় বলে অভিযোগ।
  • বুধবার রাতে উত্তর ২৪ পরগনার মধ্যমগ্রামে এই হামলার ঘটনা ঘটে।

Suvendu Adhikari Aide Shot: মধ্যমগ্রামে শুভেন্দু অধিকারীর ঘনিষ্ঠ সহযোগী চন্দ্রনাথ রথ খুনের ঘটনায় সামনে আসছে একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য। প্রাথমিক তদন্ত এবং স্থানীয় সূত্রের দাবি, পরিকল্পনা করেই টার্গেট করা হয়েছিল শুভেন্দুর ব্যক্তিগত সহকারীকে। কলকাতা থেকে ফেরার সময় তাঁর স্করপিয়ো গাড়িকে আটকে হামলা চালানো হয় বলে অভিযোগ। ঘটনায় গুলিবিদ্ধ হয়েছেন চন্দ্রনাথের গাড়িচালকও। তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

বুধবার রাতে উত্তর ২৪ পরগনার মধ্যমগ্রামে এই হামলার ঘটনা ঘটে। সূত্রের খবর, কলকাতায় বিধানসভায় কিছু কাজ সেরে বাড়ি ফিরছিলেন চন্দ্রনাথ দত্ত। সেই সময় থেকেই একটি ছোট ধূসর রঙের গাড়ি (নিসান মাইক্রা) তাঁর স্করপিয়োর পিছু নেয়। বেশ কিছুটা রাস্তা অনুসরণ করার পর আচমকাই চন্দ্রনাথের গাড়ির সামনে এসে দাঁড়ায় সেই ছোট গাড়িটি। তখন ঘড়ির কাঁটায় রাত ১১টা।

তার পরেই ঘটে যায় ভয়াবহ ঘটনা। অভিযোগ, স্করপিয়ো থামতেই পিছন দিক থেকে একটি মোটরবাইক এসে পৌঁছয়। বাইকে থাকা দুষ্কৃতীরা খুব কাছ থেকে গুলি চালাতে শুরু করে। সূত্রের দাবি, চন্দ্রনাথকে লক্ষ্য করে একাধিক গুলি চালানো হয়। তাঁর বুকে তিনটি এবং পেটের কাছে একটি গুলি লাগে বলে হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে।

এই সাদা স্করপিওতে ড্রাইভারের পাশের সিটে ছিলেন চন্দ্রনাথ।

হামলার সময় গাড়ির চালকও গুলিবিদ্ধ হন। তাঁকে দ্রুত উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। বর্তমানে তিনি চিকিৎসাধীন। যদিও তাঁর শারীরিক অবস্থা আশঙ্কাজনক।

রক্তাক্ত অবস্থায় চন্দ্রনাথকে দ্রুত নিয়ে যাওয়া হয় মধ্যমগ্রামের ভিভা সিটি হাসপাতালে। সেখানেই চিকিৎসকরা তাঁকে বাঁচানোর চেষ্টা করেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত মৃত্যু হয় তাঁর। হাসপাতাল চত্বরে রাত থেকেই মোতায়েন করা হয়েছে বিশাল পুলিশ বাহিনী। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় প্রবল উত্তেজনা ছড়িয়েছে।

ঘটনার খবর পেয়েই হাসপাতালে রওনা দেন শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর অনুগামী এবং বিজেপি কর্মীদের ভিড় জমে হাসপাতালের বাইরে। পরিস্থিতি সামাল দিতে মোতায়েন করা হয়েছে অতিরিক্ত পুলিশও। পৌঁছেছেন অর্জুন সিং, শুভেন্দু অধিকারী, সুকান্ত মজুমদার-সহ বিজেপি নেতা-কর্মীরা।

Advertisement
হাসপাতালে প্রবেশ শুভেন্দু অধিকারীর।

এদিকে, বিজেপি নেতা কৌস্তভ বাগচি বিস্ফোরক অভিযোগ তুলেছেন। তাঁর দাবি, 'এটি পরিকল্পিত খুন। এই মুহূর্তে আর কিছু বলার ভাষা নেই।'  

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, হামলার পুরো ঘটনাটি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। আশপাশের CCTV ফুটেজ সংগ্রহ করা হয়েছে। তদন্তকারীদের অনুমান, আগে থেকেই চন্দ্রনাথ দত্তের গতিবিধি নজরে রাখা হয়েছিল।

বাংলায় সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পালাবদলের আবহে এই হামলা। বিজেপির ঐতিহাসিক জয়ের পর থেকেই বিভিন্ন জায়গায় বিক্ষিপ্ত রাজনৈতিক সংঘর্ষ এবং হামলার অভিযোগ এসেছে। তার মধ্যে এই ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ তৈরি হয়েছে বিজেপি কর্মীদের মধ্যে।

এই ধূসর নিসান মাইক্রা গাড়িতে এসেই রাস্তা আটকানো হয়।

রাত পৌনে একটা নাগাদ ঘটনাস্থলে এসে পৌঁছান রাজ্য পুলিশের ডিজি সিদ্ধিনাথ গুপ্ত। তিনি গোটা এলাকাটি ঘুরে দেখেন। তিনি জানান, 'আমরা একটি গাড়ি ধরেছি(ধূসর হ্যাচব্যাক)। গাড়ির নম্বর ট্যাম্পার করা হয়েছে। নকল নম্বরটি শিলিগুড়ির। সমস্ত সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্ত চলছে। এই মুহূর্তে এটুকুই বলতে পারব। খুনে ব্যবহৃত কার্তুজ উদ্ধার হয়েছে।'

Read more!
Advertisement
Advertisement