Advertisement

Live In Partner Murdered: লিভ ইন পার্টনার যুবতীকে খুন, অভিযুক্তকে ঘটনাস্থলে নিয়ে গিয়ে ব্যাপক মারল পুলিশ; Video Viral

কাজলবেনের মায়ের অভিযোগের ভিত্তিতে ফয়জলের বিরুদ্ধে খুনের মামলা দায়ের হয়েছে। পুলিশের নথি অনুযায়ী, তাঁর আগেও ডাকাতি ও শারীরিক হামলা-সহ একাধিক অপরাধের মামলা রয়েছে।

পুলিশের মারধর পুলিশের মারধর
Aajtak Bangla
  • আহমেদাবাদ ,
  • 06 Sep 2026,
  • अपडेटेड 11:52 AM IST
  • লিভ ইন পার্টনারকে খুন
  • পুলিশ কী করল জানেন?

যে জায়গায় লিভ ইন পার্টনার যুবতীকে খুনের অভিযোগ উঠেছিল যুবকের বিরুদ্ধে, সেখানেই তাকে নিয়ে গিয়ে বেধড়ক লাঠিপেটা করল পুলিশ। ঘটনা গুজরাতের ভবানপুরের। সেই ভিডিও এখন সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল। অভিযোগ, খুনের ঘটনার পুনর্নির্মাণ করতে হত্যাস্থল বাসস্ট্যান্ডে সেই যুবককে নিয়ে গিয়েছিলেন পুলিশ আধিকারিকরা। সেখানেই অভিযুক্তকে মারধর করা হয়। 

অভিযুক্তের নাম ফয়জল। পুলিশ জানিয়েছে, বছর কুড়ির ওই যুবক কয়েক বছর ধরে ৪০ বছরের কাজলবেন বরাইয়ার সঙ্গে লিভ ইন করছিল। গত ৩ সেপ্টেম্বর ভবানগর বাসস্ট্যান্ডে দুজনের বচসা হয়। তা গড়ায় হাতাহাতিতে। কাজলবেন আক্রান্ত হন ফয়জলের হাতে। পরদিন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। 

পুলিশের দাবি, ফয়জলের সন্দেহ ছিল, কাজলবেনের সঙ্গে তার বন্ধু রবি গোহিলের সম্পর্ক রয়েছে। তবে রবি পুলিশকে জানিয়েছে, মদ খেয়ে দুজনের মধ্যে বিবাদ হয়েছিল। আর তাই হিংসাত্মক পরিণতি নেয়। সেদিন মাটিতে ফেলে ওই মহিলাকে মারধর করে ফয়জল। তিনি একাধিক জায়গায় চোট পান। তার জেরেই মৃত্যু হয়।

তদন্তে নেমে পুলিশ, CCTV ক্যামেরায় সব দেখতে পায়। তদন্তকারীদের দাবি, লিভ ইন পার্টনারকে কয়েক মিনিট ধরে মারধর করেছিল ফয়জল। সেই মহিলা হাতজোড় করলেও ছাড়েনি অভিযুক্ত। রবি এসে তাকে নিরস্ত করার চেষ্টা করেছিল। তবে ফয়জল শোনেনি। 

এরপর ঘটনার তদন্তে নেমে নীলামবাগ থানার পুলিশ ফয়জলকে বাসস্ট্যান্ডে নিয়ে গিয়ে ঘটনার পুনর্নির্মাণ করে। আর সেই প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পরই অভিযুক্তকে পুলিশ মারধর করতে থাকে বলে অভিযোগ। প্রকাশ্যে আসা ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, বাসস্ট্যান্ডে কয়েকজন পুলিশকর্মী ও অন্য লোকজন অভিযুক্তকে ঘিরে রেখেছেন। পুলিশকর্মীদের হাতে লাঠিও দেখা যায়। এক পর্যায়ে তাঁকে লাঠি দিয়ে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ উঠেছে। 

কাজলবেনের মায়ের অভিযোগের ভিত্তিতে ফয়জলের বিরুদ্ধে খুনের মামলা দায়ের হয়েছে। পুলিশের নথি অনুযায়ী, তাঁর আগেও ডাকাতি ও শারীরিক হামলা-সহ একাধিক অপরাধের মামলা রয়েছে।

এখন তদন্তকারীরা CCTV ফুটেজ, প্রত্যক্ষদর্শীদের বয়ান, চিকিৎসা সংক্রান্ত নথি, ময়নাতদন্তের রিপোর্ট এবং অন্যান্য প্রমাণ সংগ্রহ করছেন। পাশাপাশি ঘটনার পুনর্নির্মাণের সময় অভিযুক্তকে পুলিশের মারধরের যে ভিডিও সামনে এসেছে, সেটিও ঘটনাটির একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হয়ে উঠেছে।

Advertisement

 

Read more!
Advertisement
Advertisement